রমজানে ইফতারের শুরুতেই খেজুর খাওয়ার ঐতিহ্য বহুদিনের। ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন—সেই অনুসরণেও অনেকেই খেজুরকে প্রাধান্য দেন। তবে শুধু ধর্মীয় দিক থেকেই নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও রমজানে খেজুর অত্যন্ত উপকারী।
দেখে নিন রমজানে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
১️. দ্রুত শক্তি জোগায়: খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি (গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ) থাকে, যা দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনে। ইফতারে ১–৩টি খেজুর শরীরকে তাৎক্ষণিক এনার্জি দেয়।
২️. হজমে সহায়ক: খেজুরে আছে প্রচুর আঁশ (ফাইবার)। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে—যা রমজানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩️. পানিশূন্যতা কমাতে সহায়তা: খেজুরে থাকা পটাশিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, ফলে দুর্বলতা কমে।
৪️. রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক: খেজুরে আয়রন রয়েছে, যা হিমোগ্লোবিন বাড়াতে ভূমিকা রাখে। যারা দুর্বলতা বা অ্যানিমিয়ায় ভোগেন, তাদের জন্য উপকারী হতে পারে।
৫️. হৃদ্স্বাস্থ্যে উপকারী: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পটাশিয়াম হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
৬️. প্রাকৃতিক মিষ্টির বিকল্প: ইফতারের নানা খাবারে চিনি কমিয়ে খেজুর ব্যবহার করলে তা স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।
কতটা খাবেন?
সাধারণত ইফতারে ১–৩টি খেজুর যথেষ্ট। ডায়াবেটিস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করা ভালো।
এমএন