ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস বলেছেন, ২০২৬ সালের সংসদীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য এবং দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে; যা গণতান্ত্রিক শাসন এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ভোটে নির্বাচিত নারী প্রতিনিধির সংখ্যা আশাব্যঞ্জক নয়—এতে তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস এসব কথা বলেন।
ইভার্স ইজাবস বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে। নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো এই নির্বাচন সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক ছিল।
এটি একটি নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মৌলিক স্বাধীনতাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়েছে। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু স্থানীয় রাজনৈতিক সহিংসতা ঘটেছে, যা অনেক সময় অনলাইনে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার কারণে তৈরি হয় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
ইজাবস বলেন, সদ্য নিযুক্ত নির্বাচন কমিশন জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের জন্য একটি সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন মোট ২০০ জন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে, যার মধ্যে ৯০ জন সংক্ষিপ্তকালীন পর্যবেক্ষক।
এটি ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।