কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ ও পটুয়াখালী-১ আসনের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিতের দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় জোট।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানান।
হেলাল বলেন,“তিনটি আসনের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেননি। বিভিন্ন অনিয়ম ও জোরপূর্বক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ভোট স্থগিত করে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।”
তিনি আরো অভিযোগ করেন, “নরসিংদী-৪ আসনের বেলাবো উপজেলার একটি কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারছেন—এমন অভিযোগ তারা পেয়েছেন।”
এছাড়া ওই আসনে বিএনপির নেতাকর্মীরা জোরপূর্বক সিল মারার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
হেলাল বলেন, “বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এখনো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আমরা চাই পরিছন্ন ও গ্রহণযোগ্য ফলাফল আসুক।”
তিনি জানান, অনিয়মের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট শতাধিক ভিডিও ফুটেজ ও অনলাইন লিংক নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কুমিল্লার একটি আসনে তাদের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে বলেও জানান হেলাল। নোয়াখালী ও ঝালকাঠির কয়েকটি কেন্দ্রেও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।
এর আগে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে প্রায় ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে আসে। প্রতিনিধি দলে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমসহ জোটের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন