গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর ও গাজীপুর সদরের একাংশ) আসনে ভোট দিতে গিয়ে বিপাকে পড়েন লাকী বেগম নামে এক নারী ভোটার। প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটকক্ষে প্রবেশ করার পর তিনি জানতে পারেন, তার ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মহিলা ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ।
ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—
হারেছা খাতুন গিলাশ্বর বালিকা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক এবং সালমা আক্তার দক্ষিণ ভাংনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। মাসুম খানের কর্মস্থলের তথ্য জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, সকালে ভোট দিতে কেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়ান লাকী বেগম। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ভোটগ্রহণ কক্ষে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার ভোট ইতোমধ্যে প্রদান করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেন।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি কীভাবে ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে।’
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সজীব আহমেদ বলেন, ‘একজন ভোটার অভিযোগ করেছিলেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরে ওই নারী ভোটারের ভোট নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী টেন্ডার ভোট হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।’
এমএন