হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নে দ্রুত নীতি প্রণয়ন হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২১-০১-০৪ ১১:১৩:১৫

হালকা প্রকৌশল শিল্পের অবদান আরো বাড়ানোর লক্ষ্যে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ডেভেলপমেন্ট পলিসি প্রণয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। শিগগিরই এ খাতের সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে।

গতকাল (৩ জানুয়ারি) শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে হালকা প্রকৌশল শিল্প খাতের বিকাশে শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক চিহ্নিত কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নে অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এ কথা জানানো হয়।

ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় দেশীয় হালকা প্রকৌশল শিল্পের স্বার্থে বাজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য বিটাক, এসএমই ফাউন্ডেশন, বিসিকসহ এ শিল্পের সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তাবগুলো দ্রুত তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়। সভায় জানানো হয়, কোভিড-১৯ এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হালকা প্রকৌশল শিল্পসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য প্রণোদনা নিশ্চিত করতে এ-সংক্রান্ত একটি তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এ সময় শিল্প সচিব কেএম আলী আজম হালকা প্রকৌশল শিল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিসিকে নতুন সেল গঠন ও পুরান ঢাকার ধোলাইরপাড়ে হালকা প্রকৌশল শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোয় কর্মরত প্রকৌশলী ও শ্রমিকদের জন্য বিটাকের উদ্যোগে মাস্টার ট্রেইনার তৈরির কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দেন।

বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আবদুর রাজ্জাক বাংলাদেশ ব্যাংকের লো কস্ট ফান্ডের সুবিধা পেতে ইকুইটি অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ফান্ডে (ইইএফ) হালকা প্রকৌশল শিল্পকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব কাজী ফরিদ উদ্দীন বলেন, দেশীয় হালকা প্রকৌশল শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো যেন সহজে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট এসআরওতে কোনো জটিলতা থাকলে সেটি নিরসনের উদ্যোগ নেয়া হবে। এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান বলেন, হালকা প্রকৌশল শিল্পপণ্যে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য সংযোজন করা সম্ভব। এ শিল্পের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

শিল্প সচিব কেএম আলী আজমের সভাপতিত্বে সভায় অংশগ্রহণ করেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. জাফর উল্লাহ, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্রের (বিটাক) মহাপরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, টুলস অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের প্রকল্প পরিচালক ড. সৈয়দ মো. ইহসানুল করিম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জিনাত আরা, ইআরডির উপসচিব আব্দুল কাদের, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব (ভ্যাট পলিসি) কাজী ফরিদ উদ্দীন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ এনামুল হক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাল্টি-ল্যাটারাল ইকোনমিক অ্যাফায়ার্সের পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক শরাফত উল্লাহ খান, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম পারভেজ, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আবদুর রাজ্জাক।

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।