রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রায় যানবাহন শূন্য হয়ে পড়েছে। সাধারণত যেখানে দিন-রাত পণ্যবাহী ট্রাক, দূরপাল্লার বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ থাকে, সেখানে নির্বাচনকে ঘিরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট—দাউদকান্দি, গৌরীপুর, মেঘনা-গোমতী সেতু এলাকা খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দূরপাল্লার বাস চলাচল প্রায় কমে গেছে। ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যাও ছিল খুবই কম। মাঝে মধ্যে জরুরি সেবা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি ও কিছু পণ্যবাহী যান চলাচল করতে দেখা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্র জানায়, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সদস্যদের টহল জোরদার রয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে আন্তঃজেলা বাস চলাচল সীমিত করা হয়েছে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম জানান, নির্বাচনকে ঘিরে যে কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। মহাসড়কে যানবাহন কম থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হচ্ছে।
চট্টগ্রামগামী এস আলম পরিবহনের এক যাত্রী শহীদুল ইসলাম জানান, বাস চলাচল কমে যাওয়ায় জরুরি প্রয়োজনে গন্তব্যে পৌঁছাতে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তবে অধিকাংশ মানুষই নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে মহাসড়কের যান চলাচল। দেশের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এ মহাসড়কটি আবারও ফিরবে তার চিরচেনা ব্যস্ত রূপে।
এমএন