আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের জন্য ‘গণতন্ত্রের পরীক্ষার মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করছে।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, নির্বাচনের সঙ্গে একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ গণভোটে প্রধানমন্ত্রীদের মেয়াদসীমা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও কয়েকটি বড় রাজনৈতিক সংস্কারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মার্কিন বার্তাসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটের ফল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিক নির্দেশ করবে। নির্বাচনে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই নির্বাচনের সঙ্গে নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগও রয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা দেখছেন, দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভোটের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্ডারলেন্সের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে আল জাজিরার বিশ্লেষণ অনুসারে, ভোটের আগে অন্তর্বর্তী প্রশাসন ও রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। নির্বাচনটি গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক শক্তির আবির্ভাবেরও প্রতীক।
বিশ্ব গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো থেকে এটি স্পষ্ট হচ্ছে, বাংলাদেশের এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।
এমএন