নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনে ৫৬২টি ভোটকেন্দ্রে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এরমধ্যে ২৬৪টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বাকি কেন্দ্রগুলো সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রকে অধিকগুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ভাগ করা হয়েছে।
এতে জেলায় অধিকগুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ৭১টি ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৯৩টি মিলে ২৬৪ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সূত্র জানায়, ভোটার সংখ্যা বেশি, বিগত নির্বাচনের সময় অগ্নিসংযোগ বা ভাঙচুর, সীমানা প্রাচীর না থাকা, প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাবশালী নেতার বাড়ি সংলগ্ন কেন্দ্র, দূরবর্তী ও জনবহুল এলাকাসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে এসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ভারত সীমান্তবর্তী উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী জেলাটি তিস্তা নদী বিধৌত ও অবাঙালি অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে চারটি আসন রয়েছে।
এবারের নির্বাচনে এই জেলার আসনগুলোতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, জেপি, বাসদ (মার্কবাদী), বিএনএফ, ন্যাপ ও স্বতন্ত্রসহ মোট ২৭ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জানিয়েছেন সার্বিকভাবে ভোটগ্রহণের সব প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সব বাহিনী দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার বাহিনী কাজ করছে।
নতুন করে ২৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ পেয়েছি। চারটি জুডিসিয়াল তদন্ত টিম রয়েছে। এতে আটজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন।
তিনি জানান, অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণে প্রতিটি উপজেলায় যৌথবাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনিকভাবে আমাদের সার্বিক পরিস্থিতি অনেক ভালো। যারা ভোটগ্রহণ করবেন সে সব কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
এমএন