Connect with us

জাতীয়

১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুর-৩ আসনে তফসিল নয়: ইসি

Published

on

ব্যাংক

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আবদুর রহমান মাছউদ। তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির আগে এই আসনে পুনরায় নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার কোনো আইনি সুযোগ নেই।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসি মাছউদ জানান, বর্তমানে সারা দেশে ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনায় সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা সরাসরি ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’-র কাছে অভিযোগ জমা দিতে পারবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, নির্বাচনে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা যদি নিজে আইন ভঙ্গ করেন বা কোনো প্রার্থীর প্রতি পক্ষপাতিত্ব প্রদর্শন করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও ইনকোয়ারি কমিটির কাছে অভিযোগ দেওয়া যাবে। অভিযোগ গুরুতর প্রকৃতির হলে সরাসরি নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

দেশের সামগ্রিক নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ইসি মাছউদ বলেন, আমরা মনে করি নির্বাচনী পরিবেশ যথেষ্ট ভালো আছে। একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কাছে আমাদের আবেদন- তারা আমাদের সহায়তা করবেন।

সম্প্রতি ঢাকা-১৭ আসনের এক প্রার্থীর সেনাবাহিনীর সদস্যদের সাথে অপেশাদার আচরণের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন এই কমিশনার। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএন

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

তারেক রহমান ১০ চ্যালেঞ্জ নিয়ে বসছেন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে

Published

on

ব্যাংক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ী হয়ে দুই দশক পর আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফলে ২০৯টি আসনেই জয়ী হয়েছে বিএনপি।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতির মাঝেই আলোচনায় উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে থাকা বিশাল চ্যালেঞ্জগুলো।

বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব এখন তারেক রহমান কাঁধে, এখন এক বৈষম্যহীন নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার পর্বতসম প্রত্যাশার মুখোমুখি। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের পথচলা সহজ হবে না বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই জয় কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং একগুচ্ছ কঠিন সমস্যা সমাধানের অগ্নিপরীক্ষা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তাদের মতে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনাসহ বড় ধরনের ১০টি চ্যালেঞ্জ নিয়েই প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে হচ্ছে তাকে। বৈষম্যহীন নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে মানুষের পর্বতসম প্রত্যাশা এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপিকে ঘিরে। এই প্রত্যাশা আর স্বপ্নের সারথি হয়ে সক্ষমতা প্রমাণের সবচেয়ে বড় এবং কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দলটির নতুন নেতৃত্ব।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানকে বড় ধরনের যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে—গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণ করা; মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখা; ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠন করা; রাষ্ট্রের সব পর্যায় থেকে দুর্নীতি দূর করা; উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান থেকে দেশের সুরক্ষা প্রদান; কার্যকর নিরপেক্ষ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম আমলাতন্ত্র গঠন; রাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনীতিকে টেনে তোলা; মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা; কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরির মাধ্যমে রাষ্ট্রে স্থিতিশীলতা আনা।

এসবের পাশাপাশি রয়েছে বেশকিছু কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জও। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের সব শক্তিকে একত্রিত করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মনোনিবেশ করতে হবে। তবেই গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণের পথ সুগম হবে। দেশে বইতে শুরু করবে স্থিতিশীলতার সুবাতাস।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণ করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন করা। বিগত সময়ে বাংলাদেশে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ঘটেছে, যারা পরবর্তী সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম পদে পদে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে। এক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোকে সম্পৃক্ত করে ঐক্যবদ্ধভাবে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির মোকাবিলা করতে হবে। নয়তো জনপ্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্ক বা বাণিজ্যিক সম্পর্কের নামে বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের এমন অনুরোধ রক্ষা করা যাবে না, যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ হয় বা জনস্বার্থবিরোধী হয়।

তিনি আরও বলেন, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ বিএনপিকে মোকাবিলা করতে হবে, সেটি হলো জুলাই সনদ। যেখানে এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যার সঙ্গে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একমত হতে পারেনি, সেই বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি করতে হবে। এক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আগামী সংসদের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার পরামর্শ দেন তিনি।

বিগত আওয়ামী লীগের সরকারের সময়ে দেশের প্রশাসনে ব্যাপক দলীয়করণের অভিযোগ ওঠে। এতে প্রশাসন, বিশেষ করে জনপ্রশাসনে বিভিন্ন শাখায় স্বাভাবিক কার্যক্রম নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়। দলীয় পরিচয়ে পরিচিত কর্মকর্তাদের প্রভাবে চাকরি, নিয়োগ, পদোন্নতি নানাভাবে প্রভাবিত হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া প্রশাসনে জেঁকে বসে একটি সুবিধাবাদী গ্রুপ, যারা রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের চেয়ে নিজেদের উন্নয়নে বেশি সময় ব্যয় করে। এতে প্রশাসন পরিণত হয় দুর্নীতির আঁতুরঘরে, স্থবির হয়ে পড়ে উন্নয়মূলক কার্যক্রম। আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশাসন ঢেলে সাজাতে এবং নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠনে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ফলে এ সময়ে প্রশাসন হয়ে পড়েছে গতিহীন, কর্মস্পৃহাহীন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর এ প্রশাসন দিয়ে আগামী বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাধার সম্মুখীন হতে পারে। তাই প্রশাসন ঢেলে সাজাতে না পারলে সরকারের কার্যক্রম পরিচালনা নির্বিঘ্ন হবে না।

সাবেক জনপ্রশাসন সচিব ও রাজনীতি বিশ্লেষক এ কে এম আব্দুল আউয়াল মজুমদার বলেন, নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, আমলাতন্ত্রকে ঢেলে সাজানো। অধ্যাপক ইউনূসের সরকার এ কাজটি দক্ষতার সঙ্গে করতে না পারায় অনেক ভালো কাজের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। তবে কাজটি তাদের জন্য খুব সহজও ছিল না। নির্বাচিত সরকারের জন্য কাজটি কঠিন হবে না। রাষ্ট্র হলো একটি ‘ঘর’। সরকার হলো ওই ঘরের ‘ছাউনি’। আমলাতন্ত্র হলো ‘খুঁটি’। খুঁটি নড়বড়ে হলে বসবাস নিরাপত্তাহীন ও নিরানন্দ হয়। এমন অবস্থায় ভালো থাকা বা ভালো কাজ করা সম্ভব হয় না। তাই নতুন সরকার প্রধানকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র মাঝামাঝি মানের। এটা সিঙ্গাপুর, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো চৌকস নয়। তাই এখান থেকে তুলনামূলকভাবে সেরাদের খুঁজে বের করে কাজে লাগাতে হবে। দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য না দিয়ে পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যদিকে আমলাতন্ত্রে একটি সুবিধাবাদী গ্রুপ রয়েছে, যারা সবসময় নতুন সরকারের কাছে ভিড়ে যায় এবং সরকারকে বিভ্রান্ত করে। এই সুবিধাবাদীদের খপ্পরে পড়লে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হবে, সরকারকে বিপদে পড়তে হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেশের অর্থনীতি অনেকটা গতিহীন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে আমদানি, রপ্তানি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অনেকটাই সংকুচিত হয়ে আসে। এই সময়ে যদিও রেমিট্যান্স অর্থনীতির চাকা কিছু সচল রেখেছে, কিন্তু স্বাভাবিক গতি ফেরাতে পারেনি। তা ছাড়া রাজনৈতিক অস্থিরতা, মবতন্ত্র ইত্যাদি কারণে ছোট- বড় অসংখ্য কারখানা বন্ধ হয়ে লাখ লাখ মানুষ বেকার হয়ে পড়ে, যা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। তাই নতুন সরকারের জন্য অর্থনীতি পুনরুদ্ধার একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংক খাতের নাজুক অবস্থা এবং গত ১৫ বছরে বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার ব্যবস্থা করতে চ্যালেঞ্জে পড়তে হবে নতুন সরকারকে। এ ছাড়া ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করাটাও নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, নতুন সরকারকে অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হবে। কারণ দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। এটা আগামী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের আয়ের গতি মন্থর। অন্তর্বর্তী সরকার বারবার সময় বাড়িয়েও আয়ের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। দেশে বর্তমানে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি বিরাজ করছে, এমন পরিস্থিতিতে যদি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় কাঙ্ক্ষিত আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারে, তাহলে টাকা ছাপতে হবে। এটি মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়িয়ে দেবে। এক্ষেত্রে করহার তিন শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে একাধিক স্লাবে ভাগ করলে মানুষ কর প্রদানে আগ্রহী হবে। বর্তমান স্লাবের উচ্চ স্তরে ২৫ শতাংশ হারে কর প্রদান অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। এ ছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনাও একটি চ্যালেঞ্জ, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে আনতে হলে বাজার ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে এবং রিজার্ভ বাড়াতে এ মুহূর্তে রেমিট্যান্সের ওপর জোর দিতে হবে। এসব অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে দক্ষ, অভিজ্ঞদের নেতৃত্বে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতে হবে।

বাংলাদেশে সংবিধান অনুসারে, দেশের কূটনৈতিক নীতি হলো সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে, বিশেষ করে ভিসা জটিলতা দেখা দেয়। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে শুরু করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসা জটিলতা দেখা গেছে। এ ছাড়া বাণিজ্য ঘাটতি এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে অনেক দেশ ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপন করা আসন্ন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিশিষ্ট কূটনীতিক এম হুমায়ুন কবীরের মতে, আগামীতে যারা সরকার গঠন করবে, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের বৈশ্বিক যোগাযোগ সমুন্নত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পেশাগত কূটনীতি ও আধুনিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসাগত জটিলতা রয়েছে। মূলত কোনো দেশের মানুষ যদি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে, অবৈধ কাগজপত্র সরবরাহ করে অন্য দেশে গমন করে, অথবা রাষ্ট্রীয় অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয়, তাহলে এমন ভিসা জটিলতা দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে উত্তরণে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে। যারা এসব কাজে জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং পরবর্তী সময়ে ফের যেন তা না হয় সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মূলত তরুণরা এসব পথ অবলম্বন করে বিদেশ পাড়ি জমাতে চায়, তাই তাদের বিদেশ যাত্রায় নিরুৎসাহিত করতে দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সেজন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে আইনের শাসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সরকারকে মনে রাখতে হবে, পৃথিবী আর আগের মতো নেই। বাংলাদেশ বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এবং ভারত ও চীনের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই পৃথক পরিস্থিতির মধ্যে অবস্থান করছে। এ পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ সব মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। কূটনৈতিক নীতি নির্ধারণ উন্নয়নে এমনভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে, যেন বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে এই দেশগুলো পারস্পরিক কোনো দ্বন্দ্বে জড়িয়ে না পড়ে।

তবে বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, বিএনপির সামনে চ্যালেঞ্জ যতটা বড়, তার চেয়ে বড় সম্ভাবনাও অপেক্ষা করছে। ২৫ ডিসেম্বর নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উষ্ণ সংবর্ধনা নিয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন তারেক রহমান। লাখ লাখ মানুষের সমাগমে তার এই রাজসিক প্রত্যাবর্তন রাজনীতির জন্য নতুন বার্তাবহ ঘটনা। যার অর্থ মানুষের সমর্থন এবং ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে দলটি ঘিরে, দলের নেতা তারেক রহমানকে ঘিরে, যার প্রমাণ মিলেছে নির্বাচনে দলটির বড় জয়েও। এখন মানুষের সেই সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি তাদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারে, সেটিই দেখার বিষয়।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

নতুন এমপিদের শপথ পড়াবেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ

Published

on

ব্যাংক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত এমপিদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। মহামান্য রাষ্ট্রপতির মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে তিনি শপথ পড়াবেন। বঙ্গভবন সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এমন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পূর্বতন সংসদের কোনো স্পিকার না থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানোর এই আইনি প্রক্রিয়ার কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেছিলেন, নির্বাচিত এমপিরা সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের কাছে শপথ নিলেও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরিস্থিতির কারণে এবার সেটি হচ্ছে না। এবার নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি হিসেবে প্রধান বিচারপতির কাছে শপথ নিতে পারেন।

এদিকে, গণ-অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন।

তার আগে আগস্ট মাসে ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গ্রেপ্তার হয়ে এখন দণ্ডিত।

এ পরিস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কে শপথ পড়াবেন, এ নিয়ে দেখা দেয় বিভ্রান্তি। আইন উপদেষ্টা আরো বলেছিলেন বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নতুন যারা সংসদ সদস্য হবেন, তাদের শপথ গ্রহণ করানোর কথা স্পিকারের। স্পিকার না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের।

তারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে। এখন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ আরেকজন কারাগারে রয়েছেন।

তাদের (স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার) বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তারা পদত্যাগও করেছেন, বিশেষ করে স্পিকার। ফলে এ অবস্থায় তাদের দিয়ে শপথ গ্রহণ করার কোনো রকম সুযোগ আছে বলে মনে করেন না আইন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, আমাদের আইনে আছে, ওনারা (স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার) যদি শপথ গ্রহণ করাতে না পারেন, তাহলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত, অর্থাৎ প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে তাঁর (প্রেসিডেন্ট) মনোনীত ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করাবেন।

তিন দিনের মধ্যে যদি এই শপথ না হয়, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকার সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায় আগামি ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনে এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে। পরদিনই বঙ্গভবনে শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রিপরিষদ। এমপিদের শপথ গ্রহণের পরই নিয়ম অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়া বিএনপিকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন রাষ্ট্রপতি।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

নতুন সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ গঠন কবে?

Published

on

ব্যাংক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২৯৭টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি জয়ী হয়েছে ২০৯টি আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এনসিপি জয় পেয়েছে ছয় আসনে।

ভোটের পর এখন নতুন মন্ত্রিসভার অপেক্ষা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গেজেট জারির পর শপথ নেবেন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এরপর শুরু হবে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ হতে পারে।

পরবর্তী দু-দিনের মধ্যে মন্ত্রিসভার শপথের মধ্যমে গঠিত হবে নতুন সরকার।

নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত বিএনপির সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, এটি অনেকটাই নিশ্চিত।

নির্বাচনে দল হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সংসদে কী হবে, সেটাও পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত হবে।

তবে জামায়াত সংসদে প্রধান বিরোধী দল হবে, এটাও অনেকটা নিশ্চিত।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

সংসদ নির্বাচনে ফলের সরকারি গেজেট আজই

Published

on

ব্যাংক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর আজ (শুক্রবার) ২৯৭টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হচ্ছে। ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

নির্বাচন কমিশন বলছে, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে ভোট ছিল শান্তিপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, সারা দেশে মোট ২৯৯টি সংসদীয় আসনে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক গণনা শেষে কমিশন নিশ্চিত হয়েছে, এবারের নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

সচিব জানান, ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া গেলেও বড় ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুত হওয়ায় সেগুলোর গেজেট আজই প্রকাশ করা হবে। বাকি দুটি আসনের বিষয়ে আইনগত বা কারিগরি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে কি না– সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রার্থীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এরপর নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

নিরপেক্ষ নির্বাচনে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি : ইসি সানাউল্লাহ

Published

on

ব্যাংক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.)। তিনি বলেন, জাতির কাছে আমাদের একটাই প্রতিজ্ঞা ছিল—নিরপেক্ষ নির্বাচন করা। এজন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন ইসি সানাউল্লাহ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, জাতির কাছে প্রতিশ্রুতি ছিল একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা। সেই লক্ষ্য পূরণে কমিশন আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। দেশবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, এজন্য আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন এই আয়োজনকে শুধুমাত্র একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব হিসেবে দেখেনি, বরং এটিকে একটি পবিত্র আমানত হিসেবে গ্রহণ করেছে। নির্বাচনকে ঘিরে যে শঙ্কা ও সংশয় ছিল, ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তা দূর হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. আখতার আহমেদসহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

Snehasish Barua Snehasish Barua
পুঁজিবাজার4 days ago

ডিএসইর নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই)-এর নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্নেহাশীষ বড়ুয়া, এফসিএ। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ডিএসই’র...

ব্যাংক ব্যাংক
অর্থনীতি4 days ago

ভোটের ছুটিতে টানা ৪ দিন বন্ধ ব্যাংক ও পুঁজিবাজার

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে টানা চার দিনের ছুটি থাকবে দেশের সকল ব্যাংক খাত...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার4 days ago

একীভূত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন ক্ষতিপূরণ: অর্থ উপদেষ্টা

একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার4 days ago

ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৩...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার4 days ago

দরপতনের শীর্ষে কেয়া কসমেটিকমস

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার4 days ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯২ কোম্পানির মধ্যে ২৮৮ টির শেয়ারদর বৃদ্ধি...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার4 days ago

পুঁজিবাজারে লেনদেনের শীর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
ব্যাংক
জাতীয়3 minutes ago

তারেক রহমান ১০ চ্যালেঞ্জ নিয়ে বসছেন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে

ব্যাংক
রাজনীতি11 hours ago

তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন যেসব দেশের নেতা

ব্যাংক
জাতীয়12 hours ago

নতুন এমপিদের শপথ পড়াবেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ

ব্যাংক
জাতীয়12 hours ago

নতুন সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ গঠন কবে?

ব্যাংক
রাজনীতি16 hours ago

দলের নিরঙ্কুশ বিজয়কে গণতন্ত্রের বিজয় বলছে বিএনপি

ব্যাংক
জাতীয়16 hours ago

সংসদ নির্বাচনে ফলের সরকারি গেজেট আজই

ব্যাংক
জাতীয়16 hours ago

নিরপেক্ষ নির্বাচনে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি : ইসি সানাউল্লাহ

ব্যাংক
রাজনীতি16 hours ago

জয় পেয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহারের আহ্বান আখতারের

ব্যাংক
রাজনীতি17 hours ago

আগামীর বাংলাদেশ হবে মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর: সালাহউদ্দিন আহমদ

ব্যাংক
রাজনীতি17 hours ago

সংসদে যাচ্ছেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী, তাঁরা কারা

ব্যাংক
জাতীয়3 minutes ago

তারেক রহমান ১০ চ্যালেঞ্জ নিয়ে বসছেন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে

ব্যাংক
রাজনীতি11 hours ago

তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন যেসব দেশের নেতা

ব্যাংক
জাতীয়12 hours ago

নতুন এমপিদের শপথ পড়াবেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ

ব্যাংক
জাতীয়12 hours ago

নতুন সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ গঠন কবে?

ব্যাংক
রাজনীতি16 hours ago

দলের নিরঙ্কুশ বিজয়কে গণতন্ত্রের বিজয় বলছে বিএনপি

ব্যাংক
জাতীয়16 hours ago

সংসদ নির্বাচনে ফলের সরকারি গেজেট আজই

ব্যাংক
জাতীয়16 hours ago

নিরপেক্ষ নির্বাচনে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি : ইসি সানাউল্লাহ

ব্যাংক
রাজনীতি16 hours ago

জয় পেয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহারের আহ্বান আখতারের

ব্যাংক
রাজনীতি17 hours ago

আগামীর বাংলাদেশ হবে মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর: সালাহউদ্দিন আহমদ

ব্যাংক
রাজনীতি17 hours ago

সংসদে যাচ্ছেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী, তাঁরা কারা

ব্যাংক
জাতীয়3 minutes ago

তারেক রহমান ১০ চ্যালেঞ্জ নিয়ে বসছেন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে

ব্যাংক
রাজনীতি11 hours ago

তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন যেসব দেশের নেতা

ব্যাংক
জাতীয়12 hours ago

নতুন এমপিদের শপথ পড়াবেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ

ব্যাংক
জাতীয়12 hours ago

নতুন সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ গঠন কবে?

ব্যাংক
রাজনীতি16 hours ago

দলের নিরঙ্কুশ বিজয়কে গণতন্ত্রের বিজয় বলছে বিএনপি

ব্যাংক
জাতীয়16 hours ago

সংসদ নির্বাচনে ফলের সরকারি গেজেট আজই

ব্যাংক
জাতীয়16 hours ago

নিরপেক্ষ নির্বাচনে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি : ইসি সানাউল্লাহ

ব্যাংক
রাজনীতি16 hours ago

জয় পেয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহারের আহ্বান আখতারের

ব্যাংক
রাজনীতি17 hours ago

আগামীর বাংলাদেশ হবে মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর: সালাহউদ্দিন আহমদ

ব্যাংক
রাজনীতি17 hours ago

সংসদে যাচ্ছেন সাত স্বতন্ত্র প্রার্থী, তাঁরা কারা