এক বছরে শেষ হবে ৪৩তম বিসিএসের কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২১-০১-০৩ ১৬:১৪:১১

এক বছরের মধ্যে ৪৩তম বিসিএসের সকল কার্যক্রম শেষ করা হবে। এ লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। পরীক্ষা যখনই শুরু হোক, তার এক বছরের মধ্যেই কার্যক্রম শেষ করা হবে বলে পিএসসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪৩তম বিসিএসের অনলাইন আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন কার্যক্রম চলবে। মার্চের যেকোনো সময় প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেয়া হবে ।তবে পিএসসির ওয়েবসাইটে ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ‘পরীক্ষার সময় জানিয়ে দেয়া হবে’।

পিএসসির চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘বিসিএস পরীক্ষার সময় কিভাবে কমিয়ে আনা যায় আমরা সে জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছি। ৪৩তম বিসিএস থেকে সেটি কার্যকর করা হবে। পরীক্ষা যখনই শুরু হোক সেখান থেকে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষ করে ফলাফল প্রকাশের চেষ্টা করা হবে।’

৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ জন কর্মকর্তা নেয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসনে ৩০০ জন, পুলিশে ১০০ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫ জন, শিক্ষায় ৮৪৩ জন, অডিটে ৩৫ জন, তথ্যে ২২ জন, ট্যাক্সে ১৯ জন, কাস্টমসে ১৪ জন ও সমবায়ে ১৯ জন নিয়োগ দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রার্থীকে ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ২০০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রার্থী প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাবেন। তবে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর থেকে দশমিক ৫০ (০.৫০) নম্বর করে কাটা যাবে। প্রিলিমিনারির বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস পিএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।