প্রতারণা করে কোটা সুবিধা নিয়ে বিসিএসে চাকরি নেওয়া সেই উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) গ্রেফতার করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা পরিচয়ে প্রতারণা করায় নাচোলের ইউএনও মো. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল দুদক।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়েরা জজ আদালতে জামিনের জন্য গেলে ডিএনএ টেস্টে অসযোগিতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেয় আদালত।
এদিকে মামলার এজাহার অনুযায়ী, কামাল হোসেনের প্রকৃত পিতা আবুল কাশেম ও মা হাবীয়া খাতুন। কিন্তু তিনি কাগজপত্রে তার চাচা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান হাবীব এবং চাচি সানোয়ারা খাতুনকে ‘পিতা-মাতা হিসেবে দেখিয়ে’ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, ‘তিনি এসএসসি, এইচএসসি ও উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত সব সনদে চাচা-চাচির নাম ব্যবহার করেছেন। এমনকি জন্ম সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রেও তাদের নাম বসিয়েছেন।’ অভিযোগ মতে, নবম শ্রেণি থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় তিনি চাচাকে পিতা ও চাচিকে মাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং এই জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পান।
এর আগে গত ৪ নভেম্বর দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানিয়েছিলেন, নাচোলের ইউএনও কামাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সুবিধা পেতে নিজের চাচাকে পিতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বিসিএসে চাকরি নিয়েছেন, এমন অভিযোগ তদন্তে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে চাকরি ও অন্যান্য সুবিধা নেওয়ার বেশ কয়েকটি মামলা ও তদন্ত বর্তমানে চলমান।
এমকে