কর্পোরেট সংবাদ
এসবিএসি ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন
এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির বার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার (২৩ ও ২৪ জানুয়ারি) গাজীপুরের সারাহ রিসোর্টে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেসুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস.এম. মঈনুল কবীর।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ আইয়ুব, একেএম দেলওয়ার হুসেন এফসিএমএ ও মেজর জেনারেল (অব.) শাহেদুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর মো. মাকসুদুর রহমান সরকার এবং জিয়াউর রহমান জিয়া। বিজনেস সেশন পরিচালনা করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন ভুঁইয়া। সম্মেলনে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক এবং উপশাখার ইনচার্জবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, এসবিএসি ব্যাংকের ২০২৫ সাল শেষে আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং ঋণ দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা। বর্তমানে ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ৮২৪ কোটি টাকা।
সম্মেলনে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকিং খাত গতকয়েক বছরে চলমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এসবিএসি ব্যাংক সেসব সীমাবদ্ধতা মোকাবেলা তার আর্থিক সূচক স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের ব্যাংকে কোনো তারল্য সমস্যা হয়নি, এ জন্য গ্রাহক তার চাহিদামতো অর্থ উত্তোলন করতে পেরেছে। এসবিএসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করায় আর্থিক সূচকে টেকসই অগ্রগতি অর্জন করেছে। যার ফলশ্রুতিতে চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক হয়েও আমরা আর্থিকসূচকগুলোতে ভালো একটা ভিত গড়তে সক্ষম হয়েছি।’
তিনি জানান, ‘পর্ষদের পক্ষ থেকেও আমরা সবধরণের নীতি ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা দিয়ে আসছি। আমরা মুনাফা অর্জনকে বড় করে না দেখে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ব্যাংকিং নিয়মাচার পরিপালনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি ব্যাংকের আমানত সুরক্ষা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংকারদের গতানুগতিক ধ্যানধারনা থেকে বেরিয়ে এসে উদ্যোক্তা তৈরির মনোভাব নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। যাতে সমাজে ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। আমরা কৃষি, এসএমই, নারীউদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার দিতে দিতে চাই। পাশাপাশি রেমিট্যান্স আহরণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যেও সমান গুরুত্বারোপ করতে হবে। আমরা গ্রাহকের সন্তুষ্টিকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে থাকি।’
মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমানতকারীরাই ব্যাংকের প্রকৃত মালিক, আমরা শুধুমাত্র তাদের স্বার্থ রক্ষায় আমানতদারিতার সঙ্গে কর্তব্য পালন করছি।’ সম্মেলনে শরিয়াহ যথাযথ পালনে এসবিএসি ইসলামী ব্যাংকিং সেবার পরিসর বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস.এম. মঈনুল কবীর বলেন, নতুন বছরে এসবিএসি ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতার শক্তভিত গড়ে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেওয়া হবে। আমরা রিটেইল ব্যাংকিং ও কার্ড বিজনেসকে মূল ফোকাস রেখে প্রত্যেক সূচকে উন্নতির জন্য অ্যাসেট কোয়ালিটি বৃদ্ধি করা হবে। তিনি ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবায় গ্রাহকবান্ধব সর্বোচ্চ আধুনিকায়নের উদ্যোগ এবং তরুণ প্রজন্মকে ব্যাংকিং সেবায় অন্তর্ভুক্ত করার কৌশলের ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, এসবিএসসি ব্যাংক দ্রুততম সময়ের মধ্যে সারাদেশে ৯০টি শাখা ও ৩২টি উপশাখা এবং এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ৩৭টি আউটলেটের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
‘সরে দাঁড়াতে’ চান ঢাবির উপাচার্য
সংসদ নির্বাচনের দুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা বললেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষায় যেন কোনো অসুবিধা না হয়, সেজন্য ‘সরকার চাইলে’ আরো কিছুদিন দায়িত্ব চালিয়ে যেতেও তার আপত্তি নেই।
মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক নিয়াজ বলেন, “আমি এখন মনে করছি যে, এটি একটি দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটি ভালো পর্যায়ে এসেছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।’
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর পরিবর্তনের হাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদেও পরিবর্তন আসে। ওই বছর ২৭ অগাস্ট ভিসির দায়িত্ব পান ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “ক্রান্তিকালীন সময়ে, খুব বিশেষ ধরনের পরিস্থিতিতে আমরা ২০২৪ এর অগাস্ট মাসের শেষের দিকে দায়িত্ব নিয়েছি। খুবই আপৎকালীন একটি পরিস্থিতিতে, যে সময় বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অচল ছিল, একাডেমিক কর্মকাণ্ড বন্ধ ছিল, হলগুলো ভাসমান অবস্থায় ছিল এবং প্রশাসনিক কাঠামো অকেজো হয়ে পড়েছিল।
“ওই পরিস্থিতিতে আপনাদেরকে সাথে নিয়ে আমাদের প্রথম কাজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাজকর্ম শুরু করা এবং এটিকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। আজকে প্রায় দেড় বছর পর আপনাদের সবাইকে সাথে নিয়ে আমরা মোটামুটি একটি ভালো অবস্থানে আছি।”
সে কারণে ‘সরে যাওয়ার’ ইচ্ছার কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, “এখন এই মুহূর্তে আমাদের যেন কোনো শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতা যেন কোনো অসুবিধায় না পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন দরকার। সেজন্য আমাকে যদি সরকার মনে করেন, অংশীজনরা যদি মনে করেন যে আরো কিছু সময় এই ধারাবাহিকতার প্রশ্নে হঠাৎ শূন্যতে যেন না হয় সেই প্রশ্নে যদি তারা কিছু সময় নিতে চান, আমি সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছি।
“কিন্তু সারাদেশের মতই আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, একটি নিয়মিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেবেন এবং আমরা তাদেরকে পূর্ণ সহযোগিতা করব।”
নির্বাচনের পর নতুন সরকার যদি রাখতে চায়, ভিসি পদে থেকে যাবেন কি না-এমন প্রশ্নে অধ্যাপক নিয়াজ বলেন, “এটা খুবই জটিল প্রশ্ন। আমি খুবই একজস্টেড। আপাতত একটু বিশ্রাম প্রয়োজন।”
পদত্যাগের প্রক্রিয়া কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি আমার মাননীয় আচার্য বরাবর লিখব। বর্তমানে আমি ডেপুটেশনে আছি। এরপর ডেপুটেশন থেকে আমি অব্যাহিত চাইব এবং আমি আমার যে মূল কাজ, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে আমি ফেরত যেতে চাই।
“এর পরের পরিস্থিতিতে যদি অন্য কোনো দায়িত্বের বিষয় থাকে, বা অন্য কোনো সুযোগ যদি আমাকে আল্লাহ দেন, তখন আমি সেটা চিন্তা করব, বিবেচনা করব। আপাতত অনেকদিন কঠিন পরিশ্রম হয়েছে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির’ কথাও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন নিয়াজ আহমদ খান।
তিনি বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সংবরণ হয়েছে। তার সবচাইতে বড় উদাহরণ হচ্ছে ডাকসু এখন কার্যকর আছে। শিক্ষার্থীদের অধিকার মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত। এখন কারো পক্ষে সেটি সম্পূর্ণ আবার রিভার্স করা, একদম এটিকে সম্পূর্ণভাবে ইগনোর করার সুযোগ কারো নেই।
“দ্বিতীয়ত, এত রকম সীমাবদ্ধতার মধ্যেও টাইমস হায়ার এডুকেশন আমাদের ২০০ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। আমাদের বিদেশি ছাত্রের সংখ্যা এখন ১৬০ ভাগ বেড়েছে।”
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৪১ কোটি টাকার যে প্রকল্প শুরু হয়েছে, তাতে আবাসন সংকট নিরসন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন উপাচার্য।
কর্পোরেট সংবাদ
নগদের ক্যাম্পেইনের মেগা পুরস্কার রয়েল এনফিল্ড জিতলেন কুমিল্লার নোমান
‘আসা আর ফেরা, সারপ্রাইজ সেরা’ ক্যাম্পেইনের মেগা পুরস্কার হিসেবে রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল জিতে নিয়েছেন কুমিল্লার এ এস এম নোমান সরকার। এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে নগদের সকল শর্ত অনুসরণ করে লেনদেন করার পর তিনি এই মেগা পুরস্কার জিতলেন।
ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি) মাঠে দুদিনব্যাপী নগদ কার্নিভালে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নগদের প্রশাসক মো: মোতাছিম বিল্লাহ বিজয়ীর হাতে মেগা পুরস্কারটি তুলে দেন। এ সময় নগদের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্যামল বি দাস, নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন।
এই ক্যাম্পেইনে স্কুটি, আইফোনসহ ছোটছোট আরো পুরস্কার জিতেছেন অংশগ্রহণকারীরা। এ ছাড়া প্রতি মিনিটে নগদে লেনদেনকারী প্রথম গ্রাহক নগদে রিচার্জ জিতেছেন। এভাবে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের কয়েক হাজার পুরস্কার বিতরণ করেছে নগদ। এই ক্যাম্পেইনে অংশষ নিয়ে বরিশালের সানী ব্যাপারী জিতেছেন আইফোন ও ময়মনসিংহের সোহেল জিতেছেন একটি স্কুটি।
রয়েল এনফিল্ড বিজয়ী বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী এ এস এম নোমান সরকার বলেন, ‘নগদের ফেসবুক পেইজে লাইক দেওয়া ছিল আমার। ওখান থেকে জানতে পারি এই ক্যাম্পেইনের বিষয়ে। এরপর আমার অব্যবহৃত নগদ ওয়ালেট চালু করে লেনদেন শুরু করি।‘ তিনি অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমি আমার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। খুবই আনন্দিত বোধ করছি। এখন থেকে নিয়মিত নগদে লেনদেন করব এবং বন্ধুবান্ধবদেরও উৎসাহিত করব।
গত বছরের ২৬ নভেম্বর থেকে চলা এই ক্যাম্পেইনে গ্রাহকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। এরমাধ্যমে নগদ তার গ্রাহকদের প্রতি যে দায়বদ্ধতা, তা নিয়মিতভাবে পালন করে যাচ্ছে। সামনে এমন আরো দারুণ দারুণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে আরোবেশি সেতুবন্ধ তৈরি করতে কাজ করছে নগদ।
কর্পোরেট সংবাদ
ন্যাশনাল ব্যাংকের রেমিট্যান্স আসবে নগদ ওয়ালেটে
প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে স্বজনদের কাছে দ্রুত ও নিরাপদে পৌঁছে দিতে সহজ মাধ্যম উন্মুক্ত করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। এখন থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থ সরাসরি গ্রাহকের নগদ ওয়ালেট-এর মাধ্যমে পাঠাতে পারছেন।।
চুক্তির আওতায় বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) বা ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে পারবেন। বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স ন্যাশনাল ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি সুবিধাভোগীর নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে দেবে। ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেকোনো স্থান থেকে সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট খরচে ২৪ ঘণ্টা এ রেমিট্যান্স গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।
পাশাপাশি রেমিট্যান্স গ্রহীতারা সরকারের দেওয়া দুই দশমিক পাঁচ শতাংশ প্রণোদনাও উপভোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া ৬০টিরও বেশি মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) এবং তিন লাখেরও বেশি নগদ উদ্যোক্তা পয়েন্টের মাধ্যমে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
সম্প্রতি বনানীতে নগদের প্রধান কার্যালয়ে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি ও নগদের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদিল চৌধুরী ও নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইনচার্জ) মো. মেশকাত-উল-আনোয়ার খান, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মিল্টন রায়, নগদের সিনিয়র সহযোগী প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান ও মো. আবু তালেব, সহযোগী প্রশাসক আনোয়ার উল্লাহ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মুহম্মদ শাহীন সারোয়ার ভূঁইয়া, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে রেমিট্যান্স সেবার আওতাভুক্ত করতে এটিকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসাবে উল্লেখ করেন ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদিল চৌধুরী ও নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই চুক্তির মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ডিএনসিসির সব ফি দেওয়া যাবে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে: কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)-এর মধ্যে গ্রাহক সেবা সহজীকরণের একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের সকল পরিষেবার ফি এখন থেকে ইসলামী ব্যাংকের সকল শাখা, উপশাখা এবং ডিজিটাল পেমেন্ট প্লাটফর্ম সেলফিন, এমক্যাশ ও আই ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে প্রদান করা যাবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন ও ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান-এর উপস্থিতিতে ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব আলম ও ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাবিবুল আলম এ সমঝোতা স্মারকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর শেষে জানানো হয়, স্মার্ট ঢাকা ও ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা গড়ার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়াই তাদের সিটি কর্পোরেশন সংক্রান্ত পাওনা পরিশোধ করতে পারবেন, যা গ্রাহক সেবায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মজনুজ্জামান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবুল হাসান ও মো. আব্দুল্লাহেল বাকি এবং সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাইনুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
একমাসে নগদের সর্বোচ্চ লেনদেন ৪০ হাজার কোটি টাকা
নতুন বছরের শুরুতে ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবা নগদ নিজেদের ইতিহাসে একমাসে সর্বোচ্চ লেনদেনে রেকর্ড করেছে। সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসে নগদ ৪০ হাজার ৩০১ কোটি টাকা লেনদেন করেছে, যা এখন পর্যন্ত একমাসে সর্বোচ্চ লেনদেন।
যাত্রা শুরুর সাত বছরের মধ্যেই নগদ বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবা হিসেবে বাজারে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এ সময়ে গ্রাহকসংখ্যা ও লেনদেন—দুটিই উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। রেকর্ড গড়া এই লেনদেনের বড় অংশই এসেছে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, সেন্ড মানি, বিভিন্ন পেমেন্ট, সেবা প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ ও রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় থেকে।
লেনদেনে নতুন মাইলফলক অর্জনের ফলে নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নগদ তার গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে কাজ করেছে এবং গ্রাহকবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ফলে দিনদিন নগদের লেনদেন বাড়ছে।
মো. মোতাছিম বিল্লাহ আরও বলেন, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ বর্তমানে আরও উন্নত সেবার মাধ্যমে গ্রাহকের অর্থের অধিকতর নিশ্চয়তা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে নতুন নতুন গ্রাহক নগদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন এবং বিদ্যমান গ্রাহকেরাও আগের চেয়ে বেশি লেনদেন করছেন। এ ছাড়া সেবার কলেবর বৃদ্ধি ও বিভিন্ন কার্যক্রম নগদের লেনদেন সক্ষমতা দিন দিন বাড়িয়েছে।
গত বছরের অক্টোবর মাসে নগদ সর্বোচ্চ মাসিক লেনদেনের রেকর্ড গড়ে। ওই মাসে ৩৪ হাজার ৭০৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ৩৪ হাজার কোটি টাকার লেনদেন ছাড়ায় নগদ। ২০২৪ সালের জুন মাসে একবার ৩২ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। এ ছাড়া ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এর আগের বছর ২০২৪ সালে লেনদেন হয়েছিল প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।



