পুঁজিবাজারকে টেকসই ও শক্তিশালী করতে হলে ভালো এবং মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তিনি বলেন, নতুন আইপিও রুলসের মাধ্যমে এখন আরও প্রফেশনাল ও বিশ্বমানের পদ্ধতিতে শেয়ার মূল্য নির্ধারণ বা প্রাইস ডিসকভারির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনের কমিশন সভাকক্ষে বিএসইসি ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বিএসইসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সভার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এবং সিডিবিএলের পক্ষে নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী।
সভায় পুঁজিবাজারের অটোমেশন, কাঠামোগত আধুনিকায়ন, কেওয়াইসি সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট, সার্ভেইল্যান্স ব্যবস্থার যুগোপযোগীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতকরণসহ পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে সিডিবিএলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেওয়াইসি সিস্টেম উন্নয়ন ও সার্ভেইল্যান্স আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সিডিবিএলকে আরও সক্রিয় ও নেতৃত্বমূলক ভূমিকায় দেখতে চায় কমিশন। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সিডিবিএলের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের উন্নয়নে ভবিষ্যতে সিডিবিএলকে কাস্টডিয়ানসহ নতুন দায়িত্বে দেখতে চায় বিএসইসি।
সভায় সিডিবিএলের চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী বলেন, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে আসা উচিত। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সিডিবিএলের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
এ সভায় বিএসইসি কমিশনার মুঃ মোহসিন চৌধুরী, মোঃ আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মোঃ সাইফুদ্দিন, সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবদুল মোতালেব, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার ও কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামসহ বিএসইসি ও সিডিবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।