সারাদেশ
টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
আজ জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও বন্দর-পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফিডারের আওতাধীন এলাকাগুলোতে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এর আওতাধীন এলাকাগুলো হলো-চট্টগ্রাম নগরীর গাউসিয়া আবাসিক এলাকা, গ্রীনভিউ আবাসিক এলাকা, হামজারবাগ লেইন, পশ্চিম শহীদ নগর, উত্তর গেইট, দেলওয়ার কোম্পানির বাড়ি, ফকির টিলা, মির্জাপাড়া, মুরাদনগর, হক ফুড গলি, ভান্ডারী গলি, বড় বাড়ি গলি, এশিয়া ফ্যান ফ্যাক্টরী, আমিন জুট মিলস, আমিন টেক্সটাইল, বিবিরহাট কাঁচাবাজার, বশর মার্কেট, ফরেস্ট গেট থেকে মুরাদপুর মোড়, খ্রিস্টান কবরস্থান, সামারহিল, মৌমিনবাগ, হামজারবাগ, ফুলেশ্বরী আবাসিক, তাহেরাবাদ, আতুরার ডিপু পিয়াজু গলি, রৌফাবাদ সমাজ সেবা হতে ফয়েজ টাওয়ার, সংগীত সিনেমা রোড়, সংগীত আ/এ, জাংগালপাড়া, ওয়েলফুড গলি, সামাদপুর, মীরপাড়া, হাজিপাড়া গার্মেন্টস, সামারহিল, খ্রিষ্টান কবরস্থান, হাটহাজারী রোড, খন্দকিয়া বাজার, খন্দকিয়া ট্যাম্পুস্ট্যান্ড, মাজার গেইট, ভুলিয়াপাড়া, বাথুয়া, কুলগাঁও মাজার গেইট হতে সাদ মুছা গার্মেন্টস, নতুন পাড়া, কাঠাঁল বাগান রোড়, তুফানী রোড়, চিকনদন্ডী, পূর্ব কুলগাঁও, কুলগাঁও আবাসিক এলাকা, বালুছড়া, বালুছড়া আবাসিক এলাকা, কাশেম ভবন, কুয়াইশ কলেজ, পশ্চিম কুয়াইশ, ষোল পোল, ভরা পুকুর, হামিদ শরিফ রোড , নজুমিয়া হাট, বাথুয়া, নেয়ামত আলী রোড, বড় বাড়ি, পূর্ব শিকারপুর, রশিদ বাড়ি, মদুনাঘাট বাজার, দক্ষিণ মাদ্রাসা, মধ্যম মাদ্রাসা, গ্রিন কলোনি রোড , চিনারপোল , রহমানিয়া সেতু, ব্রাহ্মণহাট এর আশেপাশের এলাকাজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এতে আরও বলা হয়, সাময়িকভাবে এতে ভোগান্তি হলেও এই কার্যক্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও স্থিতিশীল, নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।
এমকে
সারাদেশ
দিনাজপুর কারাগারে সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু
সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন দিনাজপুর জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ২৯ মিনিটে অসুস্থ অবস্থায় তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে তিনি সকালে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে কারাগার থেকে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে নেওয়া হয়।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট ঠাকুরগাঁও থানা পুলিশ তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠায়।
সেখান থেকে ১৭ আগস্ট তাকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি হত্যাসহ ৩টি মামলায় কারাগারে ছিলেন। আজ শনিবার সকালে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতাল নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেলার মো. ফরহাদ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
রমেশ চন্দ্র সেন ১৯৪০ সালের ৩০ এপ্রিল ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের কশালগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ক্ষিতীন্দ্র মোহন সেন এবং মাতার নাম বালাশ্বরী সেন। তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজে পড়ালেখা করেন। পাঁচবারের এমপি ছিলেন তিনি।
সর্বশেষ ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন।
এমএন
সারাদেশ
বন্দরের ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদের তদন্তে দুদককে চিঠি
চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্তদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদনের এবং তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) অনুরোধ জানানো হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং দুদকের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
অভিযুক্ত ১৫ কর্মচারী হলেন—মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ ইব্রাহিম খোকন, মোহাম্মদ ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির (২), মোহাম্মদ শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মোহাম্মদ শামসু মিয়া, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল, মোহাম্মদ রাব্বানী।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ১৫ কর্মচারী বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বদলি হয়ে মোংলা ও পায়রা বন্দরে সংযুক্ত রয়েছেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উক্ত কর্মচারীরা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে লিপ্ত ছিলেন এবং বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত কার্যক্রম চলমান। তদন্ত চলাকালীন তারা যেন দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন, সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।
দুদক চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ কলাম যুক্ত করে জানিয়েছে, অভিযুক্তদের অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ও উৎস নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। তাই তাদের নামে-বেনামে থাকা সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উল্লেখ্য, এই কর্মচারীরা প্রকৌশল, ট্রাফিক, মেরিন ও ইলেকট্রিক্যালসহ বন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও প্রশাসনিক কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই কঠোর অবস্থান নিল কর্তৃপক্ষ।
এমএন
সারাদেশ
শরীয়তপুরে অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের শীতবস্ত্র বিতরণ
শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নে অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। শরীয়তপুর জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদ-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এলাকার প্রায় ১৫০ জন শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কিরণ নগর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কম্বল বিতরণ কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।
শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিটির আয়োজন করে শরীয়তপুর জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদ। আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মো. ইব্রাহিম মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরে আলম খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর মালসহ জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া কিরণ নগরের শিক্ষকবৃন্দ ও সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিরণ নগর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সংগঠনের সভাপতি মো. ইব্রাহিম মৃধা বলেন, তীব্র শীতে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাগবে মানবিক দিক বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমাজের বিত্তবানদেরও এই সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত।
আরও জানান, এটি কেবল একটি সাময়িক কর্মসূচি নয়, বরং ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের কল্যাণে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।
এমএন
সারাদেশ
সখিপুরে আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও বাহারি পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানাধীন আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে ২০২৬ সালের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও ৮৭ নং আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি দিনভর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পদচারণায় মুখরিত ছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে. এম. রাফসান রাব্বি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস. এম. গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আ. সোবহান মুন্সি এবং প্যানেল চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন আসামি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাওসার আহমেদ। ৮৭ নং আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলী আসাদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আল আমিন সুমন মাঝী, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য মামুন সরকার এবং সাবেক সভাপতি ইমরান সরকার।
এ অনুষ্ঠান আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী ও বাহারি পিঠা উৎসব। এর মধ্যে নজর কেড়েছে বিবিখানা পিঠা, কফির পুডিং, রোল পিঠা, কাপ কেক, বাহারি পাটিসাপটা, ডিম সুন্দরী, ইলিশ পিঠা, নকশি পিঠা, মিষ্টি কুমড়া পিঠা, ঝিকুর পিঠা, জামাই পিঠা, শিমের ফুল পিঠা, চাঁদ পিঠা, মিলন পিঠা, ক্ষীর মালাই ও শালুক পিঠা। দেশীয় ঐতিহ্যের এমন সমাহার দেখতে উৎসবে ভিড় জমায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকরা।
দিনব্যাপী আয়োজনে শিক্ষার্থীরা দৌড়, দীর্ঘ লাফ, উচ্চ লাফসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। বিকেলে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক পর্বে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে শেষ হয়।
এমএন
সারাদেশ
দীর্ঘ এক মাস পর উৎপাদনে ফিরেছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দীর্ঘ এক মাসের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে পুনরায় চালু হয়েছে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে (৬৬০ মেগাওয়াট) পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সহকারী ব্যবস্থাপক (তদন্ত) শাহ মনি জিকো গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে শুক্রবার বিকেল থেকে প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় চালু করা হয়েছে।
এর আগে গত ১ জানুয়ারি থেকে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকেই পূর্ণ সক্ষমতায় মোট ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
এমএন



