কর্পোরেট সংবাদ
মুহূর্তেই পদ্মাসেতুর টোল পরিশোধ করা যাচ্ছে নগদের মাধ্যমে
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের সাথে সাথে নগদের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন মানুষকে আরো বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন উপহার দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার পদ্মাসেতু পারাপারে যাত্রীরা টোল পরিশোধ করতে পারবেন নগদের মাধ্যমে।
এখন থেকে নগদ গ্রাহকেরা তাদের নগদ ওয়ালেট দিয়ে নিমিষেই পদ্মাসেতুর টোল পরিশোধ করতে পারবেন। সম্প্রতি অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের ‘এক পে’ (ঊশচধু) প্ল্যাটফর্মের ইন্টারঅপারেবল টোল পেমেন্ট সিস্টেম ডি-টোলের সাথে নগদ যুক্ত হয়ে গ্রাহকদের জন্য এই সুবিধা নিয়ে এসেছে।
নগদের মাধ্যমে টোল পরিশোধ করতে গ্রাহককে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। প্রথমে একজন নগদ গ্রাহককে নগদ অ্যাপের টোল অপশনে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করতে নগদ অ্যাপে লগইন করে টোল অপশন বাছাই করতে হবে। এরপর ট্যাপ টু ইউজ অপশন বাছাই করে রেজিস্টার অপশনে ক্লিক করে নিজের নাম লিখতে হবে এবং টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন্স-এ ক্লিক করে সাবমিট করতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে গ্রাহককে নগদ ওয়ালেট অ্যাটাচ অপশন ক্লিক করে অ্যাকসেপ্ট অপশনে ক্লিক করতে হবে এবং নিজের নগদ ওয়ালেট নম্বর প্রদান করতে হবে। এরপর গ্রাহক একটি ওটিপি পাবেন, যা প্রদান করতে হবে এবং নগদ পাসওয়ার্ড প্রদান করে ওয়ালেট অ্যাটাচ সম্পন্ন করতে হবে। তৃতীয় ধাপে টপ আপ অপশনে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত অঙ্ক বসিয়ে টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন্স-এ ক্লিক করে সাবমিট করলে টপ আপ সম্পন্ন হবে।
টোল প্রদানে নিজের যানবাহন নগদ ওয়ালেটে যুক্ত করতে যানবাহনের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে এবং ইয়েস (হ্যাঁ) অপশনে ট্যাপ করে ওটিপি প্রদান করতে হবে এবং সাবমিট করতে হবে। এসব প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে এরপর থেকে খুব সহজে নগদের মাধ্যমে পদ্মাসেতুর টোল প্রদান করা যাবে।
পাশাপাশি গ্রাহকেরা তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর মাওয়া টোল প্লাজায় বিআরটিএ অনুমোদিত আরএফআইডি ট্যাগ যাচাই করে নিতে হবে। নতুন বা প্রথম নিবন্ধন করা গ্রাহকদের একবার এই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করতে হবে। এরপর পদ্মাসেতুর ইটিসি লেন ব্যবহার করে পারাপারের সময় নির্ধারিত গতিসীমা অনুসরণ করে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরা।
নগদের এই সেবার মাধ্যমে যাতায়াত এখন আরো দ্রুত, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং কোনো ধরনের অপেক্ষা ছাড়া পদ্মাসেতু পারাপার করা যাবে। এরফলে আগে যে ছোটখাটো যানজটে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হতো, এখন আর সেই সমস্যাও থাকবে না নগদের মাধ্যমে টোল পরিশোধ করার মাধ্যমে। এবিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য নগদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ বা ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
নগদের ক্যাম্পেইনের মেগা পুরস্কার রয়েল এনফিল্ড জিতলেন কুমিল্লার নোমান
‘আসা আর ফেরা, সারপ্রাইজ সেরা’ ক্যাম্পেইনের মেগা পুরস্কার হিসেবে রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল জিতে নিয়েছেন কুমিল্লার এ এস এম নোমান সরকার। এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে নগদের সকল শর্ত অনুসরণ করে লেনদেন করার পর তিনি এই মেগা পুরস্কার জিতলেন।
ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি) মাঠে দুদিনব্যাপী নগদ কার্নিভালে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নগদের প্রশাসক মো: মোতাছিম বিল্লাহ বিজয়ীর হাতে মেগা পুরস্কারটি তুলে দেন। এ সময় নগদের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্যামল বি দাস, নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন।
এই ক্যাম্পেইনে স্কুটি, আইফোনসহ ছোটছোট আরো পুরস্কার জিতেছেন অংশগ্রহণকারীরা। এ ছাড়া প্রতি মিনিটে নগদে লেনদেনকারী প্রথম গ্রাহক নগদে রিচার্জ জিতেছেন। এভাবে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের কয়েক হাজার পুরস্কার বিতরণ করেছে নগদ। এই ক্যাম্পেইনে অংশষ নিয়ে বরিশালের সানী ব্যাপারী জিতেছেন আইফোন ও ময়মনসিংহের সোহেল জিতেছেন একটি স্কুটি।
রয়েল এনফিল্ড বিজয়ী বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী এ এস এম নোমান সরকার বলেন, ‘নগদের ফেসবুক পেইজে লাইক দেওয়া ছিল আমার। ওখান থেকে জানতে পারি এই ক্যাম্পেইনের বিষয়ে। এরপর আমার অব্যবহৃত নগদ ওয়ালেট চালু করে লেনদেন শুরু করি।‘ তিনি অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমি আমার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। খুবই আনন্দিত বোধ করছি। এখন থেকে নিয়মিত নগদে লেনদেন করব এবং বন্ধুবান্ধবদেরও উৎসাহিত করব।
গত বছরের ২৬ নভেম্বর থেকে চলা এই ক্যাম্পেইনে গ্রাহকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। এরমাধ্যমে নগদ তার গ্রাহকদের প্রতি যে দায়বদ্ধতা, তা নিয়মিতভাবে পালন করে যাচ্ছে। সামনে এমন আরো দারুণ দারুণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে আরোবেশি সেতুবন্ধ তৈরি করতে কাজ করছে নগদ।
কর্পোরেট সংবাদ
ন্যাশনাল ব্যাংকের রেমিট্যান্স আসবে নগদ ওয়ালেটে
প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে স্বজনদের কাছে দ্রুত ও নিরাপদে পৌঁছে দিতে সহজ মাধ্যম উন্মুক্ত করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। এখন থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থ সরাসরি গ্রাহকের নগদ ওয়ালেট-এর মাধ্যমে পাঠাতে পারছেন।।
চুক্তির আওতায় বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) বা ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে পারবেন। বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স ন্যাশনাল ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি সুবিধাভোগীর নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে দেবে। ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেকোনো স্থান থেকে সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট খরচে ২৪ ঘণ্টা এ রেমিট্যান্স গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।
পাশাপাশি রেমিট্যান্স গ্রহীতারা সরকারের দেওয়া দুই দশমিক পাঁচ শতাংশ প্রণোদনাও উপভোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া ৬০টিরও বেশি মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) এবং তিন লাখেরও বেশি নগদ উদ্যোক্তা পয়েন্টের মাধ্যমে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
সম্প্রতি বনানীতে নগদের প্রধান কার্যালয়ে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি ও নগদের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদিল চৌধুরী ও নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইনচার্জ) মো. মেশকাত-উল-আনোয়ার খান, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মিল্টন রায়, নগদের সিনিয়র সহযোগী প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান ও মো. আবু তালেব, সহযোগী প্রশাসক আনোয়ার উল্লাহ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মুহম্মদ শাহীন সারোয়ার ভূঁইয়া, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে রেমিট্যান্স সেবার আওতাভুক্ত করতে এটিকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসাবে উল্লেখ করেন ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদিল চৌধুরী ও নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই চুক্তির মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ডিএনসিসির সব ফি দেওয়া যাবে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে: কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)-এর মধ্যে গ্রাহক সেবা সহজীকরণের একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের সকল পরিষেবার ফি এখন থেকে ইসলামী ব্যাংকের সকল শাখা, উপশাখা এবং ডিজিটাল পেমেন্ট প্লাটফর্ম সেলফিন, এমক্যাশ ও আই ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে প্রদান করা যাবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন ও ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান-এর উপস্থিতিতে ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব আলম ও ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাবিবুল আলম এ সমঝোতা স্মারকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর শেষে জানানো হয়, স্মার্ট ঢাকা ও ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা গড়ার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়াই তাদের সিটি কর্পোরেশন সংক্রান্ত পাওনা পরিশোধ করতে পারবেন, যা গ্রাহক সেবায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মজনুজ্জামান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবুল হাসান ও মো. আব্দুল্লাহেল বাকি এবং সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাইনুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
একমাসে নগদের সর্বোচ্চ লেনদেন ৪০ হাজার কোটি টাকা
নতুন বছরের শুরুতে ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবা নগদ নিজেদের ইতিহাসে একমাসে সর্বোচ্চ লেনদেনে রেকর্ড করেছে। সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসে নগদ ৪০ হাজার ৩০১ কোটি টাকা লেনদেন করেছে, যা এখন পর্যন্ত একমাসে সর্বোচ্চ লেনদেন।
যাত্রা শুরুর সাত বছরের মধ্যেই নগদ বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবা হিসেবে বাজারে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এ সময়ে গ্রাহকসংখ্যা ও লেনদেন—দুটিই উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। রেকর্ড গড়া এই লেনদেনের বড় অংশই এসেছে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, সেন্ড মানি, বিভিন্ন পেমেন্ট, সেবা প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ ও রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় থেকে।
লেনদেনে নতুন মাইলফলক অর্জনের ফলে নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নগদ তার গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে কাজ করেছে এবং গ্রাহকবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ফলে দিনদিন নগদের লেনদেন বাড়ছে।
মো. মোতাছিম বিল্লাহ আরও বলেন, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ বর্তমানে আরও উন্নত সেবার মাধ্যমে গ্রাহকের অর্থের অধিকতর নিশ্চয়তা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে নতুন নতুন গ্রাহক নগদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন এবং বিদ্যমান গ্রাহকেরাও আগের চেয়ে বেশি লেনদেন করছেন। এ ছাড়া সেবার কলেবর বৃদ্ধি ও বিভিন্ন কার্যক্রম নগদের লেনদেন সক্ষমতা দিন দিন বাড়িয়েছে।
গত বছরের অক্টোবর মাসে নগদ সর্বোচ্চ মাসিক লেনদেনের রেকর্ড গড়ে। ওই মাসে ৩৪ হাজার ৭০৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ৩৪ হাজার কোটি টাকার লেনদেন ছাড়ায় নগদ। ২০২৪ সালের জুন মাসে একবার ৩২ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। এ ছাড়া ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এর আগের বছর ২০২৪ সালে লেনদেন হয়েছিল প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
কর্পোরেট সংবাদ
রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সভা অনুষ্ঠিত
রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের (এসএমটি) ৩০তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর দিলকুশাস্থ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের চেয়ারম্যান এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
আয়োজিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আখতার, হাসান তানভীর ও মো. হারুনুর রশীদ। এছাড়া ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, স্থানীয় কার্যালয়, আরবিটিএ, রূপালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক এবং প্রধান কার্যালয়ের বিভাগসমূহের উপ-মহাব্যবস্থাপকসহ এসএমটি কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও প্রধান কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত সদস্যদের পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকগণ ভার্চ্যুয়ালি এই সভায় যুক্ত ছিলেন।
এমএন



