Connect with us

আন্তর্জাতিক

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

Published

on

দরপতনের

ভেনেজুয়েলার তেল বেচা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটা পুরোনো খবর। এই খবরের পরবর্তী অধ্যায় হচ্ছে, এই তেল বিক্রির অর্থ কাতারের ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা হচ্ছে।

সিএনএনের সংবাদে বলা হচ্ছে, হতে পারে, এই অর্থ দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে ভেনেজুয়েলায় নিয়ে যাওয়ার জন্য তা কাতারের ব্যাংকে রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে আবার প্রশ্ন ওঠে, এভাবে কাতারের ব্যাংকে টাকা রাখা কতটা নৈতিক।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে তুলে আনার কারণ যে দেশটির তেলসম্পদের অধিকার নেওয়া, তা নিয়ে রাখঢাক নেই যুক্তরাষ্ট্রের। একাধিকবার ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার তেল যুক্তরাষ্ট্রের অধীন থাকবে। ইতিমধ্যে ৫০ কোটি ডলারের তেল যুক্তরাষ্ট্র বিক্রিও করেছে। সেই তেল বিক্রির অর্থ কাতারের ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটা তো কেবল শুরু, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি করে আরও অনেক অর্থ আসবে। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। যদিও তেল কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা চাইছে। তা না পেলে তারা ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিএনএন–এ বলেন, এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকে রাখা হয়নি বা সরাসরি ভেনেজুয়েলাতেও পাঠানো হয়নি; বরং সেগুলো কাতারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট নিউজম্যাক্সকে বলেন, তেল বিক্রির নগদ অর্থ গত বৃহস্পতিবার থেকেই ভেনেজুয়েলায় পাঠানো শুরু হবে। ভেনেজুয়েলার আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত দুই সূত্রের ভাষ্য, দেশটির ব্যাংকগুলো ইতিমধ্যে নগদ অর্থের বিজ্ঞাপন দিতে শুরু করেছে। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, তেল বিক্রির আয় দেশে পৌঁছেছে।

ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন পশ্চিমা সরকারের নিষেধাজ্ঞার মুখে আছে। ফলে দেশটি কার্যত বৈশ্বিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ছিটকে পড়েছে। গত কয়েক দশকে দেশটির বিভিন্ন সরকার বিদেশি তেল কোম্পানি জব্দ করেছে—যার ক্ষতিপূরণ দাবি করে আসছে বিদেশি জ্বালানি কোম্পানিগুলো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের তেলসম্পদ ‘চুরি’ করছে। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, তেল বিক্রির অর্থ যেন সরাসরি ভেনেজুয়েলার উপকারে আসে। তিনি যেটা নিশ্চিত করতে চাইছেন, সেটি হলো ভেনেজুয়েলার তেল আয়ের ওপর যাদের দাবি আছে, তারা যেন এই অর্থের নাগাল না পায়।

এই লক্ষ্যে ট্রাম্প শুক্রবার নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। আদেশে বলা হয়, ওই অর্থের ওপর কোনো ধরনের লিয়েন বা অন্য কোনো আইনি দাবি আরোপের চেষ্টা করা হলে তা অবরুদ্ধ থাকবে। আদেশে আরও সতর্ক করে বলা হয়, যদি এসব অর্থ আইনি জটিলতা থেকে মুক্ত না থাকে, তাহলে তা ভেনেজুয়েলায় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় গুরুতর বাধা সৃষ্টি করবে।

এই পরিপ্রেক্ষিতে তেল বিক্রির অর্থ পশ্চিমা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পাওনাদারদের নাগালের বাইরে রাখতেই কাতারের ব্যাংক হিসাবে রাখা হচ্ছে।

ভেনেজুয়েলার পাওনাদারেরা এই অর্থপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তা যেমন দেশটির জন্য সমস্যাজনক হবে, তেমনি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভেনেজুয়েলা ও পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক এক বিশেষজ্ঞ সিএনএনকে বলেন, এটা প্রকৃতই বড় সমস্যা; ভেনেজুয়েলার কাছে সবারই টাকা পাওনা।

সেই বিশেষজ্ঞ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা সরকারের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার দীর্ঘদিন ধরেই ভূমিকা পালন করে আসছে। নিকোলা মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর কাতারের ভূমিকা আরও বেড়েছে। বাস্তবতা হলো কাতার তারও অনেক আগে থেকে দুই দেশের মধ্যকার যোগাযোগে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

অন্যান্য বিশেষজ্ঞ সিএনএনকে বলেন, বাইডেন প্রশাসনের সময়ও কাতারের ব্যাংকগুলো একই ধরনের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। সে সময় ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করা হলে তেল বিক্রির কিছু অর্থ ইরানে পাঠাতে দেওয়া হয়।

লাতিন আমেরিকার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইকোঅ্যানালিটিকার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলেহান্দ্রো গ্রিসান্তির মতে, কাতারের যে ব্যাংকগুলোতে এই অর্থ রাখা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার ব্যাংকগুলোর কাছে সেই অর্থ নিলামের মাধ্যমে ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে খাদ্য, ওষুধ ও ছোট ব্যবসাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

গ্রিসান্তি আরও বলেন, এই অর্থ ভেনেজুয়েলার কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংগ্রহ করবে এবং যুক্তরাষ্ট্র যে শর্ত নির্ধারণ করে দেবে, সে অনুযায়ী বণ্টন করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট নিউজম্যাক্সকে বলেন, এই অর্থ ভেনেজুয়েলা সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রম, নিরাপত্তা ও খাদ্য সরবরাহে ব্যয় করা হবে।

ভেনেজুয়েলায় পাঠানোর আগে কাতারের ব্যাংকে কেন অর্থ রাখা হচ্ছে—এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস সরাসরি মন্তব্য করতে চায়নি।

মার্কিন এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, ‘মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, ভেনেজুয়েলা অনেক বছর ধরে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে প্রশাসন দ্রুত কাজ করছে। সেই সঙ্গে আমরা বিদ্যমান আইনি কাঠামো ও সীমাবদ্ধতা পর্যালোচনা করে দেখছি।’

স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ
সেই বিশেষজ্ঞের মতে, ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের ফলে পাওনাদারদের পক্ষে ভেনেজুয়েলায় প্রয়োজনীয় অর্থপ্রবাহে বাধা দেওয়া সম্ভব ছিল না। বিষয়টি হলো অর্থ কাতারে রাখা হলে তা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের আইনি চ্যালেঞ্জের আওতার আরও বাইরে চলে যায় না; বরং অর্থ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বচ্ছতাও কমে যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘যদি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রকাশ্যে জানা না যায়, যেখানে বলা থাকবে, এই অর্থের তহবিল কীভাবে পরিচালিত হবে, কারা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, কী ধরনের দুর্নীতিবিরোধী ও অর্থ পাচার রোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাহলে পুরো ব্যবস্থা কার্যত “গোপন তহবিলের” মতো হয়ে যাচ্ছে। এটা খুবই উদ্বেগজনক।’

বিশেষজ্ঞের মত, এই অর্থ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে, এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে বাস্তব উদ্বেগ আছে। সেটি হলো ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এই অর্থ ব্যবহার করে সরকারের দুর্নীতিগ্রস্ত অংশ, আধা সামরিক গোষ্ঠী ও মাদক কার্টেলকে তোষণ করে যেতে পারেন।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু সমালোচক প্রশ্ন তুলছেন—এই অর্থ কাতারে পাঠানোর পেছনে ট্রাম্পের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী।

ম্যাসাচুসেটসের ডেমোক্রেটিক পার্টির সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন, ‘মার্কিন সামরিক বাহিনীর জব্দ করা সম্পদ বিক্রি করে প্রেসিডেন্ট নিজের নিয়ন্ত্রণে অফশোর হিসাব খুলবেন, এর আইনি ভিত্তি নেই। এ ধরনের সিদ্ধান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকদের আকৃষ্ট করার মতো।’

কেন ভেনেজুয়েলার তেল
একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক—এই ক্ষেত্রে অন্য সবার চেয়ে তারা অনেকটাই এগিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র যে তেল উৎপাদন করে, তা মূলত হালকা ও অপরিশোধিত ধরনের; কিন্তু তাদের বেশির ভাগ তেল পরিশোধনাগারের যে সক্ষমতা, তাতে তাদের ভারী ও অপরিশোধিত তেল প্রয়োজন।

অন্য কথায়, নিজের দেশের চাহিদা মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রকে এই থিকথিকে ও ভারী অপরিশোধিত তেলের ওপর নির্ভর করতে হবে। খবর স্কাই নিউজ

এটিই হচ্ছে বাস্তবতা। এ থেকে বেরিয়ে আসতে হলে মার্কিন পরিশোধনাগারগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। সে জন্য প্রয়োজন হবে হাজার হাজার কোটি ডলার। এ কারণে নিকট–ভবিষ্যতে কেউই তা করতে বিশেষ আগ্রহী নয়।

কাগজে-কলমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ভূখণ্ড থেকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করে ঠিক; কিন্তু ভারী তেলের চাহিদা মেটাতে দেশটিকে এখনো পুরোপুরি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে হালকা অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়, তার সিংহভাগ বিদেশে রপ্তানি করা হয়। অথচ টেক্সাস ও লুইজিয়ানার পরিশোধনাগারগুলো চালু রাখতে তাদের প্রতিদিন ছয় হাজার ব্যারেলের বেশি ভারী তেল আমদানি করতে হয়।

এ বাস্তবতা মাথায় রাখলেই সমীকরণ মেলানো সম্ভব। এ সমীকরণ অনিবার্যভাবে ভেনেজুয়েলার দিকেই নিয়ে যায়। কেননা, কানাডা ও রাশিয়ার পাশাপাশি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভারী তেলের মজুত ভেনেজুয়েলায়।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিডে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার

Published

on

দরপতনের

রাশিয়ার বাহিনীর চালানো একাধিক বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ গ্রিড অপারেটর।

প্রায় চার বছর ধরে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনা চললেও সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনজুড়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের অভিযোগ, রাশিয়া পরিকল্পিতভাবে দেশটির জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এর ফলে তীব্র শীতের মধ্যে লাখো মানুষ বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রাষ্ট্রায়ত্ত গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনেরগো শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে জানায়, রাশিয়া ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড স্থাপনাগুলোর ওপর আরেক দফা বৃহৎ হামলা চালাচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, শত্রুপক্ষের হামলাজনিত ক্ষয়ক্ষতির কারণে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হয়েছে। ইউক্রেনেরগো জানায়, বর্তমানে রুশ হামলা অব্যাহত রয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো মেরামত ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করা হবে।

কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, এদিকে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে দুই দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব আলোচনায় বড় পরিসরের বন্দি বিনিময়ে উভয় পক্ষ সম্মত হলেও ভূখণ্ড সংক্রান্ত মূল বিরোধে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

ভূখণ্ডগত দাবি ও দখল নিয়ে দ্বন্দ্বই এখনো দুই পক্ষের আলোচনার সবচেয়ে বড় জটিলতা হিসেবে রয়ে গেছে। এর মধ্যেই মস্কো অভিযোগ করেছে, শুক্রবার রাশিয়ার রাজধানীতে শীর্ষ পর্যায়ের এক সামরিক গোয়েন্দা জেনারেলের ওপর গুলিবর্ষণের পেছনে ইউক্রেন জড়িত। ওই হামলায় জেনারেল আহত হন বলে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কিয়েভ এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ভারতের সংসদে বাংলাদেশকে নিয়ে একাধিক আলোচনা

Published

on

দরপতনের

ভারতের সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যমান সম্পর্ক এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং চীন-পাকিস্তান প্রভাব নিয়ে বিরোধী দলগুলোর করা বিভিন্ন প্রশ্নের লিখিত উত্তর দেন ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।

তাকে প্রশ্ন করা হয় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ মুহূর্তে স্পর্শকাতর সম্পর্ক চলছে কি না এবং পাকিস্তান এটির সুযোগ নিচ্ছে কি না। যা তাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জবাবে কীর্তি বর্ধন বলেন, “প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত গভীর ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সম্পর্ক; এমনকি আমাদের সামাজিক বন্ধনও অভিন্ন। আমাদের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় নিয়মিত বিভিন্ন বৈঠক ও পারস্পরিক মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পাকিস্তান কোনো সুযোগ নিচ্ছে কি না এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অন্য দেশগুলোর থেকে স্বাধীন।”

এছাড়া বাংলাদেশের যেসব জায়গায় ভারতের জাতীয় স্বার্থ রয়েছে সেগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং স্বার্থগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তাকে আরেকটি প্রশ্ন করা হয়— বাংলাদেশে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে (কথিত) প্রকাশ্যে হত্যার ব্যাপারে ভারত সরকার কোনো আলোচনা করেছে কি না।

জবাবে তিনি বলেন, “ভারত ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠকসহ সকল প্রাসঙ্গিক পরিবেশে উত্থাপন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই বিষয়টি তুলেছেন এবং গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সাথে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বিষয়টি আলোচনা করেছেন।”

তাকে আলাদা অপর এক প্রশ্নে জিজ্ঞেস করা হয় ‘বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান জোটের’ বিষয়টি ভারত সরকার আমলে নিয়েছে কি না। কারণ এই দেশগুলোর সঙ্গেই ভারতের সবচেয়ে বেশি সীমানা রয়েছে। যদি এটি আমলে নেওয়া হয়েও থাকে তাহলে এ থেকে উদ্ভূত সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কে সরকার কী করছে?

জবাবে ভারতীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ভারত সরকার ভারতের নিরাপত্তা ও অর্থনীতি সংক্রান্ত স্বার্থের ওপর সার্বক্ষণিক নজর এবং এগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। যার মধ্যে ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর বিষয়ও আছে।”

‘সবার আগে প্রতিবেশি’ এ নীতি অনুযায়ী ভারত সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া নিজস্ব নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি এই অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ভারত সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরানের সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে, বললেন ট্রাম্প

Published

on

দরপতনের

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও চরম উত্তেজনার মধ্যেই ওমানের রাজধানী মাস্কাটে এক পরোক্ষ সংলাপে বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় ইরানের সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত কয়েকদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক শক্তি জড়ো করেছে মার্কিনিরা। এরমধ্যেই আলোচনা হয়েছে। এ আলোচনার লক্ষ্য ছিল উত্তেজনা বৃদ্ধি আটকানো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভালো আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ট্রাম্প তার সরকারি বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের বলেন, “ইরান নিয়ে আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে ইরান চুক্তি করতে মরিয়া। আমরা আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠকে বসতে যাচ্ছি।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আলোচনার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

ওমানে আলোচনা চলার মধ্যেই দেশটিকে নিয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরমাধ্যমে তেহরানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প এই আদেশে বলেছেন, যেসব দেশ ইরান থেকে পণ্য কিনবে সেসব দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র সেকেন্ডারি শুল্ক আরোপ করবে।

এদিকে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গতকাল ইরানি ও মার্কিন প্রতিনিধি দলের মধ্যে মূলত পরমাণু ইস্যু নিয়ে কথা হয়েছে। এতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ইস্যু উত্থাপনই করা হয়নি। ইরান বৈঠকে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী তাদের নিজস্ব ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করবে না। এর বদলে অন্য কিছু বিবেচনা করলে সেখানে তারা ছাড় দিতে পারে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

পুতিনের যে প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে পরমাণু ঝুঁকি বাড়ালেন ট্রাম্প

Published

on

দরপতনের

কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের ক্ষেত্রে সদ্য মেয়াদোত্তীর্ণ সীমা স্বেচ্ছায় বাড়ানোর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্প বলেন, তিনি চান দুই দেশের আলোচকরা বসে একটি নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা করুক। পুরনো চুক্তিটিকে তিনি খারাপভাবে আলোচিত বলে মন্তব্য করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, আগের চুক্তি অর্থাৎ নিউ স্টার্ট (New START)-এর মেয়াদ বাড়ানোর পরিবর্তে পারমাণবিক বিশেষজ্ঞদের দিয়ে একটি নতুন, উন্নত ও আধুনিক চুক্তির ওপর কাজ করা উচিত যুক্তরাষ্ট্রের, যা দীর্ঘদিন কার্যকর থাকবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, নতুন চুক্তিতে তিনি চীনকেও অন্তর্ভুক্ত করতে চান। তবে বেইজিং কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি।

প্রতিবেদন অনুসারে, নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়া বা না থাকা, যা পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে নতুন উদ্বেগজনক এক সময়ে সম্ভাব্য অস্ত্র প্রতিযোগিতা নিয়ে আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।

পুতিন গত বছর বলেছিলেন, ওয়াশিংটন একই প্রতিশ্রুতি দিলে রাশিয়া আরও এক বছরের জন্য চুক্তিটি মেনে চলবে। তবে সেই প্রতিশ্রুতি না মেলা এবং চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার দুঃখ প্রকাশ করেছে মস্কো।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে রাশিয়া স্থিতিশীলতার বিষয়ে দায়িত্বশীল ও সুচিন্তিত অবস্থান বজায় রাখবে।

এদিকে আল জাজিরা বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার জন্য আবুধাবিতে থাকা মার্কিন ও রুশ প্রতিনিধিদল নিউ স্টার্ট চুক্তি ছয় মাস বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করেছে বলে জানা গেছে।

বলা হচ্ছে, চুক্তিটিতে আর কোনো আনুষ্ঠানিক মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ না থাকায় এটি একটি অনানুষ্ঠানিক হ্যান্ডশেক বা সমঝোতা হতে পারে।

সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তানের মতো পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ বিশ্লেষকদের উদ্বিগ্ন করেছে। তাদের আশঙ্কা, সংঘাতে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে যে নিষেধাজ্ঞা ও চুক্তিগুলো ছিল, সেগুলো ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এর আগে পশ্চিমা দেশগুলোর ইউক্রেনকে সমর্থনের জবাবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন পুতিন, যা পর্যবেক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

প্রথম স্টার্ট (START) চুক্তি ১৯৯১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। নিউ স্টার্ট নামের চুক্তিটি ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ স্বাক্ষর করেন। এতে প্রতিটি দেশকে সর্বোচ্চ ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং ৭০০টি মোতায়েনযোগ্য ও ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমানে সীমাবদ্ধ রাখা হয়।

২০২১ সালে পুতিন ও তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে চুক্তিটির মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানো হয়।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ওবামা দম্পতিকে বানররূপে দেখিয়ে ট্রাম্পের ভিডিও পোস্ট

Published

on

দরপতনের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার একটি নির্বাচন-সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রমূলক ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও তার স্ত্রী মিশেল ওবামাকে বানরের রূপে দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় শীর্ষস্থানীয় ডেমোক্র্যাট নেতাদের তীব্র সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।

ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওর শেষের দিকে প্রায় এক সেকেন্ডের জন্য ওবামা দম্পতিকে বানরের রূপে দেখানো হয়েছে। ভিডিওতে তাদের শরীর দেখানো হয়েছে বানরের শরীরের মতো এবং মুখাবয়ব রাখা হয়েছে তাদের চেহারার মতোই।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভিডিওটিতে আবারও ভিত্তিহীন দাবি করা হয়েছে, ব্যালট গণনাকারী প্রতিষ্ঠান ডোমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেমস ২০২০ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের কাছ থেকে বিজয় ‘ছিনিয়ে নিতে’ সহায়তা করেছিল। শুক্রবার ভোর পর্যন্ত ভিডিওটি প্রেসিডেন্টের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক হাজারের বেশিবার লাইক পেয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের কার্যালয় এই পোস্টের তীব্র নিন্দা জানায়। তিনি ২০২৮ সালের ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতার সম্ভাব্য দাবিদার এবং ট্রাম্পের একজন কট্টর সমালোচক।

নিউসমের প্রেস অফিস এক্সে লিখেছে, ‘প্রেসিডেন্টের এই আচরণ জঘন্য। প্রত্যেক রিপাবলিকানকে এখনই এর নিন্দা জানাতে হবে।’ বারাক ওবামার ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং সাবেক শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বেন রোডসও ভিডিওটির দৃশ্যপটের নিন্দা করেন।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

দরপতনের দরপতনের
পুঁজিবাজার20 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

বিদায়ী সপ্তাহে (০১ ফেব্রুযারি-০৫ ফেব্রুযারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল...

দরপতনের দরপতনের
পুঁজিবাজার21 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং

বিদায়ী সপ্তাহে (০১ ফেব্রুযারি-০৫ ফেব্রুযারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে ইন্টারন্যাশনাল...

দরপতনের দরপতনের
পুঁজিবাজার21 hours ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক

বিদায়ী সপ্তাহে (০১ ফেব্রুযারি-০৫ ফেব্রুযারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন...

দরপতনের দরপতনের
পুঁজিবাজার2 days ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো আরও ৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা

দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)...

দরপতনের দরপতনের
পুঁজিবাজার3 days ago

ব্লক মার্কেটে ১৩ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৪টি কোম্পানির ১৩কোটি ৭ লাখ ২১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন...

দরপতনের দরপতনের
অন্যান্য3 days ago

দরপতনের শীর্ষে রিজেন্ট টেক্সটাইল

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে রিজেন্ট টেক্সটাইল...

দরপতনের দরপতনের
পুঁজিবাজার3 days ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে ইবিএল ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯২ কোম্পানির মধ্যে ১২৩ টির শেয়ারদর বৃদ্ধি...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
দরপতনের
রাজনীতি4 minutes ago

ঢাকায় আজ ৬ স্থানে তারেক রহমানের জনসভা

দরপতনের
জাতীয়11 minutes ago

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে: প্রধান উপদেষ্টা

দরপতনের
জাতীয়21 minutes ago

আজ মাঠে নামছে ১০৫১ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট

দরপতনের
জাতীয়15 hours ago

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি

দরপতনের
কর্পোরেট সংবাদ15 hours ago

নগদের ক্যাম্পেইনের মেগা পুরস্কার রয়েল এনফিল্ড জিতলেন কুমিল্লার নোমান

দরপতনের
রাজনীতি15 hours ago

বিএনপির ২৭ নেতাকে অব্যাহতি

দরপতনের
জাতীয়15 hours ago

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ‘না’ নিয়ে যা বললেন বায়তুল মোকাররমের খতিব

দরপতনের
বিনোদন15 hours ago

নেদারল্যান্ডসে পুরস্কার জিতল বাংলাদেশি সিনেমা ‘মাস্টার’

দরপতনের
পর্যটন16 hours ago

ভিজিটর ভিসা নিয়ে যে বার্তা দিল মা‌র্কিন দূতাবাস

দরপতনের
জাতীয়16 hours ago

হজের ভিসা দেওয়া শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে

দরপতনের
রাজনীতি4 minutes ago

ঢাকায় আজ ৬ স্থানে তারেক রহমানের জনসভা

দরপতনের
জাতীয়11 minutes ago

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে: প্রধান উপদেষ্টা

দরপতনের
জাতীয়21 minutes ago

আজ মাঠে নামছে ১০৫১ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট

দরপতনের
জাতীয়15 hours ago

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি

দরপতনের
কর্পোরেট সংবাদ15 hours ago

নগদের ক্যাম্পেইনের মেগা পুরস্কার রয়েল এনফিল্ড জিতলেন কুমিল্লার নোমান

দরপতনের
রাজনীতি15 hours ago

বিএনপির ২৭ নেতাকে অব্যাহতি

দরপতনের
জাতীয়15 hours ago

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ‘না’ নিয়ে যা বললেন বায়তুল মোকাররমের খতিব

দরপতনের
বিনোদন15 hours ago

নেদারল্যান্ডসে পুরস্কার জিতল বাংলাদেশি সিনেমা ‘মাস্টার’

দরপতনের
পর্যটন16 hours ago

ভিজিটর ভিসা নিয়ে যে বার্তা দিল মা‌র্কিন দূতাবাস

দরপতনের
জাতীয়16 hours ago

হজের ভিসা দেওয়া শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে

দরপতনের
রাজনীতি4 minutes ago

ঢাকায় আজ ৬ স্থানে তারেক রহমানের জনসভা

দরপতনের
জাতীয়11 minutes ago

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনের প্রচারণা চলছে: প্রধান উপদেষ্টা

দরপতনের
জাতীয়21 minutes ago

আজ মাঠে নামছে ১০৫১ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট

দরপতনের
জাতীয়15 hours ago

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি

দরপতনের
কর্পোরেট সংবাদ15 hours ago

নগদের ক্যাম্পেইনের মেগা পুরস্কার রয়েল এনফিল্ড জিতলেন কুমিল্লার নোমান

দরপতনের
রাজনীতি15 hours ago

বিএনপির ২৭ নেতাকে অব্যাহতি

দরপতনের
জাতীয়15 hours ago

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ‘না’ নিয়ে যা বললেন বায়তুল মোকাররমের খতিব

দরপতনের
বিনোদন15 hours ago

নেদারল্যান্ডসে পুরস্কার জিতল বাংলাদেশি সিনেমা ‘মাস্টার’

দরপতনের
পর্যটন16 hours ago

ভিজিটর ভিসা নিয়ে যে বার্তা দিল মা‌র্কিন দূতাবাস

দরপতনের
জাতীয়16 hours ago

হজের ভিসা দেওয়া শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে