পুঁজিবাজার
সিডিবিএলের সফটওয়্যার সমস্যায় বিও হিসাব খোলা বন্ধ, ভোগান্তিতে ব্রোকার-বিনিয়োগকারীরা
কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) সফটওয়্যার সমস্যার কারণে নতুন বেনিফিশিয়ারি ওনার্স বা বিও অ্যাকাউন্ট খোলা বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সপ্তাহের শুরু থেকেই নতুন করে কোনো বিও হিসাব খুলতে পাচ্ছে না। এমনকি সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য চাইলেও মিলছে না, ভুল তথ্য আসছে বলে অভিযোগ করছে একাধিক ব্রোকারেজ হাউজ। এতে ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে হিসাব খুলতে এসেও ফিরে যাচ্ছে নতুন বিনিয়োগকারীরা।
তবে, এবিষয়ে সিডিবিএল থেকে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। সিডিবিএলে বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করছে বলে অভিয়োগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের প্রথম ও অপরিহার্য ধাপ বিও হিসাব খোলা। ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে সিডিবিএলে অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা তাদের শেয়ার ইলেকট্রনিকভাবে জমা রাখে। তবে গত রবিবার থেকে সিডিবিএলের সফটওয়্যারে কারিগরি ত্রুটির কারণে নতুন করে কোনো হিসাব খোলা যাচ্ছে না। এতে নতুন বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে আসতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পরার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সিডিবিএল থেকে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
এবিষয়ে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ফার্স্ট ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কাউসার আল মামুন অর্থসংবাদকে বলেন, গত বরিবার থেকে সিডিবিএলের সফটওয়্যারে ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। একটিও বিও হিসাব খোলা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও, সিডিবিএলের সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য চাইলেও মিলছে না, ভুল তথ্য আসছে। এতে নতুন বিনিয়োগকারীরা চেক-টাকা নিয়ে আসলেও হিসাব খোলা সম্ভব না হওয়ায় তারা ফিরে যাচ্ছে। আমরা আরও কয়েকটা হাউজে খবর নিয়ে দেখেছি, তারাও হিসাব খুতে পারছে না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ব্রোকারেজ হাউজ থেকে সিডিবিএল কর্মকর্তাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পরোক্ষণে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তারা সাড়া দেননি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও মো. আবদুল মোতালেব অর্থসংবাদকে বলেন, এবিষয়ে কোনো বিনিয়োগকারী বা ব্রোকারেজ হাউজ থেকে অভিযোগ পাইনি। সব কিছু ঠিক আছে। কোনো ব্যাপারে আমরা অভিযোগ পেলে সেটা যাচাই করে দেখি।
সবকিছু ঠিক থাকলে গত কয়েকদিনে নতুন করে বিও হিসাবের সংখ্যা বাড়ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন বিও হিসাব আসছে। তবে কতটা হিসাব খোলা হয়েছে, কি হারে আসছে এমডি হিসাবে এটা আমার জানা হয় না।
এসএম
পুঁজিবাজার
ন্যাশনাল ফিডের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ০৯ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সভায় ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রতিবেদনটি পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড
বিদায়ী সপ্তাহে (০১ ফেব্রুযারি-০৫ ফেব্রুযারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর সপ্তাহজুড়ে কমেছে ২১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।
শনিবার (০৭ ফেব্রুযারি) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, পতনের শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর কমেছে ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ। সপ্তাহের পতনের শীর্ষ তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর কমেছে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
এছাড়া, সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর হচ্ছে- রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ৮.০৮ শতাংশ, রহিম টেক্সটাইল মিলস ৭.৭৩ শতাংশ, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ৭.৪১ শতাংশ, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স মিউচুয়াল ফান্ডের ৬.৬৭ শতাংশ, প্রাইম ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ৬.৩২ শতাংশ, প্রাইম ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ৬.২৮ শতাংশ এবং মেঘনা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ৬.২১ শতাংশ দর কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং
বিদায়ী সপ্তাহে (০১ ফেব্রুযারি-০৫ ফেব্রুযারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৪৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
শনিবার (০৭ ফেব্রুযারি) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর বেড়েছে ৪৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। তালিকার তৃতীয় স্থানে ৪১ দশমিক ৯৪ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে অবস্থান করছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
এছাড়া, সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনান্স ৪০.৩২ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি ৪০.০০ শতাংশ, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ৩৭.৬৯ শতাংশ, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স ২৯.৪১ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ২৮.৩৬ শতাংশ, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস ২৮.০০ শতাংশ এবং প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ২৬.৬৭ শতাংশ দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক
বিদায়ী সপ্তাহে (০১ ফেব্রুযারি-০৫ ফেব্রুযারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৩৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.২০ শতাংশ।
শনিবার (০৭ ফেব্রুযারি) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ২০ কোটি ৩৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.০৫ শতাংশ।
লেনদেনের তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির ১৯ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.৯৯ শতাংশ।
এছাড়া, সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- ডোমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, সিটি ব্যাংক পিএলসি, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি, ফাইন ফুডস লিমিটেড, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি এবং ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
এমএন
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো আরও ৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ বা ৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮১ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৮০.০৭ পয়েন্ট বা ১.৫৫ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ১৫.৩১ পয়েন্ট বা ০.৭৭ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৩৭.৬৪ পয়েন্ট বা ৩.৬৪ শতাংশ।
ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৭২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৮৯৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ২২৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৮৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বা ১৫.৩২ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৬৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৫৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩১টি কোম্পানির, কমেছে ১৪১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ১.৮১ শতাংশ ও ১.৭৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭৩১.৪৬ পয়েন্টে ও ৯১২২.২৬ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক বেড়েছে ২.০৮ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১৪৭.০৬ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ১.৯৪ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ২.৯৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩৩৩৩.৯১ পয়েন্টে ও ৯০৬.২৫ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৪৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ১৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৬৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬০টির, কমেছে ৮৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টির কোম্পানির শেয়ার দর।
নাইম



