আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা আগেই দিয়েছেন আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। গুঞ্জন ছিল নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেবেন। তবে শেষ মুহূর্তে ‘আমজনতা’ দল থেকে মনোনয়নপত্র কেনেন।
মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষ দিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দিতে পারায় তার ফরমটি নেয়নি জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা। হিরো আলমের নির্বাচনের অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। তবে হাইকোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে সেই অনিশ্চয়তা কেটে গেছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) হিরো আলম হাইকোর্টের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে স্যোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ হাইকোর্ট থেকে আপিলে রায় পেয়েছি মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার।
এরআগে, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবারের মতো বগুড়া থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে প্রার্থিতা বাতিল হলেও পরে আদালতের আদেশে তা ফিরে পান এবং ‘সিংহ’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে ভোটের দিন কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি নির্বাচন বর্জন করেন।
পরে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনেও অংশ নেন হিরো আলম। সেই নির্বাচনে ভোটের দিন এক কেন্দ্রে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।