জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশে একটি জাতীয় গণভোট আয়োজন করা হচ্ছে। এ জুলাই সনদকে দেশের জন্য ১০০ বছরের একটি রোডম্যাপ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, গণভোট সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরির জন্য- বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সরকার বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে। সরকারের বহুমুখী কৌশলের এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম জানান, দেশের প্রায় চার লাখ মসজিদ, পাশাপাশি মন্দির ও গির্জার মাধ্যমে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্পৃক্ত করে সাধারণ মানুষের কাছে গণভোট ও জুলাই সনদের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, একসময় দেশে সাক্ষরতার হার কম থাকলেও বর্তমানে তা প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপের মতো প্রত্যন্ত এলাকাতেও ইউটিউব ও টিকটকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক ব্যবহার সচেতনতা কার্যক্রমে কাজে লাগাচ্ছে সরকার।
প্রেস সচিব বলেন, গণভোটের বার্তা আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ প্রচার কাফেলার সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০টিতে উন্নীত করা হচ্ছে। এসব কাফেলা দেশের ৪৯৫টি উপজেলা জুড়ে প্রচার চালাবে, যাতে একজন নাগরিকও তথ্যের বাইরে না থাকেন।
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম- এ দুই ধারার সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে গণভোট প্রচার করা হচ্ছে। এভাবে প্রচারের সরকারি কৌশলের উদ্দেশ্য একটাই- দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে সবচেয়ে সংযুক্ত ডিজিটাল পরিসর পর্যন্ত সর্বত্র জুলাই সনদের বার্তা দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করা।