পুঁজিবাজার
৩১ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষিত প্রতিবেদনে অনিয়ম, ব্যবস্থা চায় বিএসইসি
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩১টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতিকূল ও শর্তযুক্ত মতামত, বিষয়বস্তুর ওপর বিশেষ জোর, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা নিয়ে সন্দেহ এবং গুরুত্বপূর্ণ অনিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নিরীক্ষকরা। এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
আর্থিক প্রতিবেদনে নিরীক্ষকদের দেওয়া মতামতের ভিত্তিতে ওইসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছে বিএসইসি।
কমিশন মনে করে, নিরীক্ষকদের এসব পর্যবেক্ষণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ, বাজারে স্বচ্ছতা এবং সামগ্রিকভাবে পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই, ব্যাংকিং খাতের প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩১টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৯টি ব্যাংক ও ১২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বরাবর বিএসইসির করপোরেট রিপোর্টিং ডিপার্টমেন্ট থেকে এ বিষয়ে একটি চিঠি দিওয়ে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
যেসব ব্যাংক চিহ্নিত করেছে বিএসইসি
এবি ব্যাংক পিএলসি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা ব্যাংক পিএলসি, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড, আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, এনআরবি ব্যাংক পিএলসি, এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি, ওয়ান ব্যাংক পিএলসি, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, পূবালী ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি, এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি (এসআইবিএল), স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)।
যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছে বিএসইসি
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পিএলসি, মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড।
৩১টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষকরা আর্থিক প্রতিবেদন যাচাই করে কিছু গুরুতর বিষয় উল্লেখ করেছেন। এসবের মধ্যে আছে—প্রতিকূল মতামত অর্থাৎ আর্থিক প্রতিবেদনে বড় ধরনের ভুল। শর্তযুক্ত মতামত অর্থাৎ কিছু অংশ ঠিক নেই, সন্দেহ রয়েছে। বিষয়বস্তুর ওপর বিশেষ জোর অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা নিয়ে সন্দেহ অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে চলতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ। গুরুত্বপূর্ণ অনিশ্চয়তা অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ অবস্থায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে, এমন অনিশ্চয়তা।
বিএসইসি জানায়, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্তবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী পরীক্ষা করে তারা দেখতে পায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিরীক্ষকরা এমন মতামত দিয়েছেন, যা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বাস্থ্য ও সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এ ধরনের প্রতিকূল বা শর্তযুক্ত নিরীক্ষা মতামত বিনিয়োগকারীদের আস্থা হ্রাসের সবচেয়ে বড় কারণ। কোনো কোম্পানির গোয়িং কনসার্ন ঝুঁকি থাকলে, সেটি বিশেষ নজর দেওয়ার বিষয়। পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল রাখতে আর্থিক প্রতিবেদনগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে সামগ্রিক আর্থিক সুশাসন আরো শক্তিশালী হবে।
বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক হিসেবে বিএসইসি তালিকাভুক্ত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করছে। লক্ষ করেছে যে, নিরীক্ষকরা তালিকাভুক্ত ৩১টি ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের বার্ষিক নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে মতামতের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে জোর দিয়েছে। কমিশন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন যে, নিরীক্ষকদের উপরোক্ত পর্যবেক্ষণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ, তথ্য প্রকাশের স্বচ্ছতা এবং পুঁজিবাজারের সামগ্রিক আস্থার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। আর্থিক প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের অখণ্ডতা রক্ষা করার জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া অতি জরুরি।
তাই, উপরোক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন প্রযোজ্য বিধিমালা অনুসারে উপরোক্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যথাযথ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে জানিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম জানান, আর্থিক প্রতিবেদনে এমন সমস্যা থাকলে তা শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো বাজারকেই ঝুঁকিতে ফেলে। তাই, বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককে বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানিয়েছি।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চিঠি আসেনি বলে জানান তিনি।
এমকে
পুঁজিবাজার
সিডিবিএলের সফটওয়্যার সমস্যায় বিও হিসাব খোলা বন্ধ, ভোগান্তিতে ব্রোকার-বিনিয়োগকারীরা
কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) সফটওয়্যার সমস্যার কারণে নতুন বেনিফিশিয়ারি ওনার্স বা বিও অ্যাকাউন্ট খোলা বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সপ্তাহের শুরু থেকেই নতুন করে কোনো বিও হিসাব খুলতে পাচ্ছে না। এমনকি সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য চাইলেও মিলছে না, ভুল তথ্য আসছে বলে অভিযোগ করছে একাধিক ব্রোকারেজ হাউজ। এতে ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে হিসাব খুলতে এসেও ফিরে যাচ্ছে নতুন বিনিয়োগকারীরা।
তবে, এবিষয়ে সিডিবিএল থেকে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। সিডিবিএলে বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করছে বলে অভিয়োগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের প্রথম ও অপরিহার্য ধাপ বিও হিসাব খোলা। ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে সিডিবিএলে অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা তাদের শেয়ার ইলেকট্রনিকভাবে জমা রাখে। তবে গত রবিবার থেকে সিডিবিএলের সফটওয়্যারে কারিগরি ত্রুটির কারণে নতুন করে কোনো হিসাব খোলা যাচ্ছে না। এতে নতুন বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে আসতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পরার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সিডিবিএল থেকে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
এবিষয়ে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ফার্স্ট ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কাউসার আল মামুন অর্থসংবাদকে বলেন, গত বরিবার থেকে সিডিবিএলের সফটওয়্যারে ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। একটিও বিও হিসাব খোলা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও, সিডিবিএলের সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য চাইলেও মিলছে না, ভুল তথ্য আসছে। এতে নতুন বিনিয়োগকারীরা চেক-টাকা নিয়ে আসলেও হিসাব খোলা সম্ভব না হওয়ায় তারা ফিরে যাচ্ছে। আমরা আরও কয়েকটা হাউজে খবর নিয়ে দেখেছি, তারাও হিসাব খুতে পারছে না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ব্রোকারেজ হাউজ থেকে সিডিবিএল কর্মকর্তাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পরোক্ষণে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তারা সাড়া দেননি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও মো. আবদুল মোতালেব অর্থসংবাদকে বলেন, এবিষয়ে কোনো বিনিয়োগকারী বা ব্রোকারেজ হাউজ থেকে অভিযোগ পাইনি। সব কিছু ঠিক আছে। কোনো ব্যাপারে আমরা অভিযোগ পেলে সেটা যাচাই করে দেখি।
সবকিছু ঠিক থাকলে গত কয়েকদিনে নতুন করে বিও হিসাবের সংখ্যা বাড়ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন বিও হিসাব আসছে। তবে কতটা হিসাব খোলা হয়েছে, কি হারে আসছে এমডি হিসাবে এটা আমার জানা হয় না।
এসএম
পুঁজিবাজার
বে-মেয়াদি তিন ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন
মিডল্যান্ড ব্যাংক গ্রোথ ফান্ড, মিডল্যান্ড ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড এবং সন্ধানী এএমএল এসএলএফএল শরীয়াহ ফান্ড নামের তিনটি বে-মেয়াদি ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৯৯২তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
সভা শেষে বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সভায় কমিশন বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড মিডল্যান্ড ব্যাংক গ্রোথ ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস ও খসড়া প্রসপেক্টাসের সার-সংক্ষেপ অনুমোদন করেছে। ফান্ডটির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি ২ কোটি ৫ লাখ টাকা প্রদান করেছে এবং বাকি ২২ কোটি ৫ লাখ টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীগণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।
উক্ত ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে মিডল্যান্ড ব্যাংক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। ফান্ডের ট্রাস্টি এবং কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে যথাক্রমে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসি।
একই সভায়, বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড মিডল্যান্ড ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস ও খসড়া প্রসপেক্টাসের সার-সংক্ষেপ অনুমোদন করেছে। ফান্ডটির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি ২ কোটি ৫ লাখ টাকা প্রদান করেছে এবং বাকি ২২ কোটি ৫ লাখ টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীগণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।
উক্ত ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে মিডল্যান্ড ব্যাংক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। ফান্ডের ট্রাস্টি এবং কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে যথাক্রমে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসি।
এছাড়াও, সভায় বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড সন্ধানী এএমএল এসএলএফএল শরীয়াহ ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস ও খসড়া প্রসপেক্টাসের সার-সংক্ষেপ অনুমোদন করেছে। ফান্ডটির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা সন্ধানী লাইফ ফাইন্যান্স লিমিটেড ২ কোটি ৫ লাখ টাকা প্রদান করেছে এবং বাকি ২২ কোটি ৫ লাখ টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীগণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ফান্ডটির ইউনিট প্রতি অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।
উক্ত ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ফান্ডের ট্রাস্টি এবং কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে যথাক্রমে বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসি।
এসএম
পুঁজিবাজার
প্রভিশন সংরক্ষণে বাড়তি সময় পাচ্ছে আরও ১৪ মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান
পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী আরও ১৪ প্রতিষ্ঠানের নেতিবাচক ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লোকসানের প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ে শর্তসাপেক্ষে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে স্টক ব্রোকার-ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংক রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৯৯২তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
সভা শেষে বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ১৪টি প্রতিষ্ঠানের নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়সংক্রান্ত অ্যাকশন প্ল্যান বিবেচনা করে শর্তসাপেক্ষে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো– কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ফার ইস্ট শেয়ার অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ইমতিয়াজ হুসাইন সিকিউরিটিজ লিমিটেড, মোন্ডল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এমএএইচ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, স্কয়ার সিকিউরিটিজ ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, শাকিল রিজভী স্টক লিমিটেড, এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এনওয়াই ট্রেডিং লিমিটেড, মিডওয়ে সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আলহাজ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড স্টকস লিমিটেড, রূপালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
এর আগে গত ২৫ নভেম্বর ৯৮৫তম কমিশন সভায় ৮টি প্রতিষ্ঠান এবং গত ১৪ নভেম্বর ৯৮৪তম কমিশন সভায় ২৮ প্রতিষ্ঠান, ২ ডিসেম্বর ৯৮৬তম কমিশন সভায় ১১ প্রতিষ্ঠান এবং ২৪ ডিসেম্বর ৯৮৯তম কমিশন সভায় ৬ প্রতিষ্ঠানের নেতিবাচক ইক্যুইটি ও অবাস্তব লোকসানের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য শর্তসাপেক্ষে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি।
এসএম
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ২৫ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৮ টি কোম্পানির ২৫ কোটি ৭৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যমতে, কোম্পানিগুলোর মোট ৩৯ লাখ ১৫ হাজার ৬০ টি শেয়ার ৭২ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২৫ কোটি ৭৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি ফাইন ফুডসের ৮ কোটি ৮৯ লাখ ১৪ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে জিকিউ বলপেন ৫ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ৪ কোটি ৫৬ লাখ ১৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
প্রিমিয়ার লিজিংয়ের সর্বোচ্চ দরপতন
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬০ পয়সা বা ১১ দশমিক ১১ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিচ হ্যাচারি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ১০ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্সের শেয়ারদর ৯.০৯ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- আলিফ ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, জিকিউ বলপেন, আল-হাজ্ব টেক্সটাইল, আইসিবি এএমসিএল থার্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-ওয়ান এবং জাহিন স্পিনিং পিএলসি।
এমকে




