কর্পোরেট সংবাদ
ব্র্যাক ব্যাংককে আবারও দেশসেরা ক্রেডিট রেটিং দিলো এসঅ্যান্ডপি
আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংস ব্র্যাক ব্যাংককে আবারও দেশসেরা ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে। সংস্থাটি ব্র্যাক ব্যাংককে ‘স্থিতিশীল’ আউটলুকের সাথে দীর্ঘমেয়াদে ‘বি+’ ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে, যা বাংলাদেশের সার্বভৌম রেটিংয়ের সমান। নয় বছর ধরে এই ধারাবাহিক স্বীকৃতি ব্যাংকটির টেকসইতার প্রতিফলন।
ব্যাংকিং খাতে নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতি আস্থা বজায় রেখেছে এসঅ্যান্ডপি। গত ২৬ নভেম্বর প্রকাশিত এক রিপোর্টে সংস্থাটি বলেছে, “চ্যালেঞ্জিং অপারেটিং পরিবেশের মধ্যেও ব্র্যাক ব্যাংক নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা বজায় রাখবে। ব্যাংকের লক্ষণীয় মুনাফা, আয় ধরে রাখার ক্ষমতা এবং পরিমিত ঋণ প্রবৃদ্ধি আগামী দুই বছর রিস্ক অ্যাডজাস্টেড ক্যাপিটাল (আরএসি) রেশিও বজায় রাখতে সহায়তা করবে।”
এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংস আরও উল্লেখ করেছে, “আমাদের দৃষ্টিতে ব্র্যাক ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল প্রোফাইল ‘স্থিতিশীল’ থাকবে। ব্যাংকটির দক্ষ ও বিচক্ষণ ম্যানেজমেন্ট ব্যাংকের ধারাবাহিক সাফল্য বজায় রাখার পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের অস্থির সময় অতিক্রম করতে সহায়তা করবে। ব্যাংকের নন-পারফর্মিং লোনের অনুপাত আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসে ৩.১% থেকে ৩.৫%-এর মধ্যে থাকবে বলে আমরা আশা করছি। এই হার বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে বিদ্যমান গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ব্যালেন্সড লোন পোর্টফোলিও এবং প্রোঅ্যাকটিভ রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ব্যাংকের অ্যাসেট কোয়্যালিটি ঠিক রাখবে।”
ব্র্যাক ব্যাংকের ‘স্থিতিশীল’ আউটলুক সম্পর্কে এসঅ্যান্ডপি মন্তব্য করেছে, “বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জিং অপারেটিং পরিস্থিতি স্থিতিশীলভাবে মোকাবেলা করতে পারবে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংকটির বর্তমান এই শক্তিশালী আর্থিক অবস্থান আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসও বজায় থাকবে।”
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংস থেকে প্রাপ্ত এই রেটিং সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমাদের টেকসই মূলধন কাঠামো, সম্পদের গুণগত মান, সুশাসন ও শক্তিশালী তারল্য অবস্থানের প্রতিফলন। স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে এমন মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি শুধু ব্র্যাক ব্যাংকের জন্যই বড় অর্জন নয়, বরং বৈশ্বিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্যও এক শক্তিশালী বার্তা।”
তিনি আরও বলেন, “এই সাফল্যে আমরা গর্বিত ও সম্মানিত। এই অর্জনে আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার, সহকর্মী এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের প্রতি। সকলের অবিচল আস্থাই আমাদের এগিয়ে চলার প্রেরণা।”
উল্লেখ্য, এসঅ্যান্ডপি ছাড়াও সিআরএবি থেকে ‘এএএ’ এবং মুডি’স থেকে ‘বি২’ রেটিং নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত ব্যাংক।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পরিষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. জুবায়দুর রহমান।
সভায় এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ব্যাংকের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. জুবায়দুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, এফসিএ, এফসিএস ও শরীআহ সুপারভাইজরি কাউন্সিলের চেয়ারম্যন মুফতি শামসুদ্দিন জিয়া।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন। সম্মেলনে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসিমসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, ১৬টি জোনের প্রধান এবং ৪০০টি শাখার ব্যবস্থাপকগণ অংশ নেন।
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রম উদ্বোধন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নতুন কলেবরে শুরু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর প্রধান অতিথি হিসেবে দেশের প্রথম ইসলামিক মোবাইল ব্যাংকিং ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আরিফ হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন। ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও ব্যাংকের সকল জোনপ্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ইসলামী ব্যাংকের একটি শক্তিশালী গ্রাহক ভিত্তি রয়েছে। ৩ কোটির অধিক গ্রাহক এ ব্যাংকের সাথে সম্পৃক্ত। ইসলামী ব্যাংকের ৪০০টি শাখা, ২৭১টি উপশাখা, প্রায় ২৮০০টি এজেন্ট আউটলেট-এর বৃহৎ নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে এমক্যাশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স প্রবাহেও এমক্যাশকে কাজে লাগাতে হবে। ক্যাশলেস সোসাইটি গঠনে এমক্যাশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, এমক্যাশকে শক্তিশালী করতে হলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন এবং গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করতে হবে। গ্রাহকদের প্রণোদনা ও ক্যাশব্যাক দিয়ে উৎসাহিত করতে হবে। এমক্যাশকে রিটেইল মার্কেট ও এসএমই সেক্টরে ফোকাস করে তাদেরকে কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনে অন্তুর্ভুক্ত করার চেষ্টা করতে হবে। ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটের পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেনের জন্য সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে। ডিজিটাল লেনদেন হলে দেশে দুর্নীতি কমে আসবে, ২ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনীতিতে স্বচ্ছলতা আসবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস-এর মার্কেটটা এককেন্দ্রিক না থেকে আরও প্রসারিত হোক। যা দেশের অর্থনীতি ও গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক।’ তিনি এমক্যাশের পুনর্যাত্রার সাফল্য কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ৩ কোটি গ্রাহক নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে। তিনি এমক্যাশ লেনদেনে সবাইকে উৎসাহিত করার আহবান জানান। তিনি এমক্যাশের রিব্র্যান্ডিংয়ে গভর্নর মহোদয়ের উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ জানান।
এমক্যাশের সুবিধাসমূহ:
প্রযুক্তি এবং আধুনিক ব্যাংকিংয়ের সমন্বয়ে ‘এমক্যাশ’ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে নিরাপদ, দ্রুত এবং সহজ করেছে। এমক্যাশ থেকে এমক্যাশ-এ সেন্ডমানির ক্ষেত্রে কোন ফি নেই এবং ক্যাশআউট চার্জ প্রতি হাজারে মাত্র ১৩.৯০ টাকা। ইসলামী ব্যাংকের যেকোন শাখা, উপ-শাখা ও এটিএম থেকে উত্তোলনের ক্ষেত্রে ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে মাত্র ৭ টাকা। বিদেশ থেকে রেমিট্যান্সের টাকা সরাসরি এমক্যাশে সরাসরি পাঠানো যায় যা সাথে সাথে জমা হয়ে যায়। রেমিট্যান্সের ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে মাত্র ৭ টাকা। যেকোন ভিসা/মাস্টারকার্ড থেকে হাজারে মাত্র ৫ টাকা খরচে অ্যাড মানি করা যায়।
এছাড়াও এমক্যাশের মাধ্যমে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিলসহ বিভিন্ন বিল ও মেট্রোরেলের র্যাপিড পাসের রিফিল করা যায়। এমক্যাশের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন ভাতা যেমন বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, শিক্ষা উপবৃত্তি ও বিধাব ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা গ্রহণ করা যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এমক্যাশের মাধ্যমে সরাসরি পৌঁছে দিচ্ছে। গ্রাহকরা দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এমক্যাশ এজেন্ট পয়েন্ট, ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা, উপ-শাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ব্যাংকের নিজস্ব এটিএম ও সিআরএম বুথ থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টাকা জমা ও উত্তোলন করতে পারছেন।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়
কঠোর অভিবাসন নীতি ও বাড়তি ভিসা প্রত্যাখ্যানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একাধিক ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, নতুন ভিসা নিয়মে উচ্চ প্রত্যাখ্যানের হার থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্পনসর লাইসেন্স ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এর ফলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা এড়াতে কিছু প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে শিক্ষার্থী নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত বা সীমিত করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নয়, বরং হোম অফিসের কঠোর কমপ্লায়েন্স ও নজরদারির কারণে এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে তারা। তবে শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জোগান দিয়ে থাকেন। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ভিসানীতির এই কঠোরতা দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাজ্যের বৈশ্বিক শিক্ষাগন্তব্য হিসেবে সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার বলছে, শিক্ষার্থী ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতেই এই সংস্কার। সরকারের দাবি, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হচ্ছে।
কর্পোরেট সংবাদ
দু’দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং কনফারেন্সের উদ্বোধন
সেন্ট্রাল শরী’আহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট এর উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং কনফারেন্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে এটি উদ্বোধন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, পিএইচডি, সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনী সেশনে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কবির হাসান ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিযাল ইনস্টিটিউশনস (আআওফি) এর বোর্ড অব গভরন্যান্স অ্যান্ড এথিকসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফররুখ রেজা।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ. এম. মোশাররফ হোসেন ও সেন্ট্রাল শরী’আহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশ এর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ বাকী আন-নাদভী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের শরীআহ অ্যাডভাইজরি বোডের্র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু বকর রফিক, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। এছাড়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্কলার মুফতি মুহাম্মদ ত¦কী উসমানী, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনসের (আআওফি) সেক্রেটারি জেনারেল ওমর মোস্থফা আনসারি ভিডিও বার্তা প্রদান করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সম্মেলনের কনভেনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক ড. মো. সাকিদুল ইসলাম।
সম্মেলনের প্রথম দিনে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক স্কলারদের একাধিক কী-নোট সেশন অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি “বাংলাদেশে ইসলামী ফাইন্যান্স শিক্ষা” শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনায় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন, গবেষণা ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
“টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ইসলামিক ফাইন্যান্স” এই প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে ব্যাংক নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ইসলামিক ফাইন্যান্স পেশাজীবী, শরী’আহ বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টা, নীতিনির্ধারক, আর্থিক উদ্ভাবক এবং দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা গবেষক ও শিক্ষাবিদরা অংশগ্রহণ করেছেন।
সম্মেলনের ২য় দিনে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।



