চার দফা দাবিতে আগামীকাল সোমবার (১ ডিসেম্বর) থেকে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। তাদের প্রবেশ পদ সহকারী শিক্ষক পদটি বিসিএস ক্যাডারভুক্ত করাসহ চার দাবিতে কর্মবিরতির অংশ হিসেবে তারা চলমান বার্ষিক পরীক্ষাও বন্ধ রাখবেন। ২৪ নভেম্বর থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন শেষে তারা এ ঘোষণা দেন। বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
শিক্ষকদের চার দাবি হলো—সহকারী শিক্ষক পদকে নবম গ্রেডের বিসিএস (মাধ্যমিক) পদসোপানে অন্তর্ভুক্ত করে স্বতন্ত্র ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ গঠনের গেজেট প্রকাশ; ২০০১-২০১২ ব্যাচের সব শিক্ষকের টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের মঞ্জুরি আদেশ প্রদান; সিনিয়র শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, জেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার পদের শূন্যপদে পদোন্নতি ও পদায়ন; বিএড-এমএড পেশাগত ডিগ্রি অর্জনের জন্য ২-৩টি অগ্রিম বর্ধিত বেতন মঞ্জুরির আদেশ প্রদান।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের অভিযোগ, বহু কম গ্রেডের পদও নবম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে, কিন্তু ন্যায্যতা থাকা সত্ত্বেও সহকারী শিক্ষক পদটির গ্রেড পরিবর্তনে কোনো অগ্রগতি নেই। দীর্ঘদিন ধরে তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) শিক্ষকরা জানান, গ্রেড উন্নীতকরণের দাবি পূরণ না হলে ১ ডিসেম্বর (সোমবার) থেকে তারা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’-এ যাবেন।