মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তারাই একদিন দেশ পরিচালনা করবে। মানিকগঞ্জের এনপিআই ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে পরিচালিত হচ্ছে যেখানে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা স্বল্প ব্যয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নর্থ প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল (এনপিআই) ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এনপিআইইউবি)-এর প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, মানিকগঞ্জে ভাষা সৈনিক রফিক থেকে শুরু করে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত অমর্ত্য সেন পর্যন্ত বহু গুণী মানুষের জন্ম হয়েছে। তিনি মানিকগঞ্জকে ‘সূফি–দরবেশদের জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা বলেন, এনপিআই ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তন বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, ‘তোমরা নতুন বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছো। দেশের জন্য নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে তোমাদের।’ তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালুর ফলে কর্মজীবীরা বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
সাভার সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ কো-অর্ডিনেটর ড. ভ্যালেরি অ্যান টেইলর, থিম স্পিকার শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, গেস্ট অব অনার বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ, ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনেয়ার হোসেন, বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি ড. মো. সবুর খান ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ইঞ্জি. মো. শামসুর রহমান সমাবর্তনে বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মীর মাহফুজুল হক।
সমাবর্তনে এনপিআই ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ৪৬৭ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এছাড়া, চারজনকে চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড, একজনকে বিওটি চেয়ারম্যান গোল্ড মেডেল, সাতজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড, ছয়জনকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং দুইজনকে একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি সদস্য, সিন্ডিকেট, একাডেমিক কাউন্সিল, অর্থ কমিটির সদস্যসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
এমকে