যারা ট্যাক্স দেন না তাদের আইনের আওতায় আনা হবে: দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-০২-১৬ ১৮:৫৪:০৭

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, যাদের ট্যাক্স দেয়ার কথা, কিন্তু দেন না তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ট্যাক্সের পরিমাণ কমিয়ে ট্যাক্সদাতার সংখ্যা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে আইন সহজ করতে হবে। আজ রোববার রাজধানীর শান্তিনগর বিসিএস ট্যাক্স একাডেমিতে দুদক কর্মকর্তাদের আয়কর আইন ও বিধানবলী সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে এসব বলেন দুদক চেয়ারম্যান।

দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র ২০লাখ মানুষ ট্যাক্স দেন। এর মতো লজ্জার কিছু নাই। ট্যাক্স না দেওয়া অনেকটা অর্থ আত্মসাতের মতো। যারা ট্যাক্স দেয় না দুদক এদের আইনের আওতায় আনবে বলেও জানান ইকবাল মাহমুদ।

এ সময় রিহ্যাবের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে কত লোক হোল্ডিং ট্যাক্স দেন, কতজনের ট্রেড লাইসেন্স আছে কিংবা গাড়ি মালিকের সংখ্যা বের করে ট্যাক্সদাতার সংখ্যা বাড়ানোর আহবান জানান দুদক চেয়ারম্যান। এগুলোর তথ্য একসাথে না করা হলে, শুধু অটোমেশনে নির্ভর করলে করদাতা বাড়বে না বলেও জানান তিনি।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, যে বিদেশিরা বাংলাদেশে এসে ব্যবসা ও চাকরি করে কর ফাঁকি দিয়ে অর্থ পাচার করছে, তাদেরকে ধরুন। ফাইলগুলো সিজ করুন। কারণ এগুলো জনগণের টাকা। সম্প্রতি টিআইবি এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলেছে, দেশে অন্তত আড়াই লাখ বিদেশি রয়েছে। যারা প্রতি বছরে ২৬ হাজার কোটি টাকা পাচার করছে। পাশাপাশি বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছে।

করের আওতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘ট্রেড লাইসেন্সধারী ও ঢাকা এবং চট্টগ্রামের বাড়িওয়ালাদের নিয়ে ডাটাবেজ তৈরি করুন। তাদেরকে করের আওতায় নিয়ে আসুন। কিন্তু কর নির্ধারণের হার কমান, করের আওতা বাড়ান। রাষ্ট্র কাউকে অবৈধভাবে আয় করার সুযোগ দেবে না। যারা ট্যাক্স ফাঁকি দেবে তাদের ব্যাপারে সক্রিয় থাকবেন। অসৎভাবে অর্থ উপার্জন করেছে কিনা দেখবেন। যারা কর ফাঁকি দেয়, তারা প্রকৃতপক্ষে জনগণের টাকা আত্মসাৎ করছে। যে কর দেয় না সে দুর্নীতিবাজ। এটা জনগণের টাকা।’

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।