টেলিকম ও প্রযুক্তি
১৫ মিনিটের চার্জে ১৫০ কিলোমিটার চলবে টাটার নতুন গাড়ি
নতুন বৈদ্যুতিক গাড়ি আনলো টাটা মোটরস। শুধু দারুণ রেঞ্জ নয়, নতুন এ গাড়িতে সংযুক্ত করা হয়েছে আধুনিক ডিজাইন এবং বৈশিষ্ট্য। সানরুফ থেকে শুরু করে বড় টাচস্ক্রিন, সেফটি ফিচার্স সবই রয়েছে এই গাড়িতে।
গাড়িটির নাম রাখা হয়েছে টাটা কার্ভ ইভি। এতে রয়েছে এলইডি টেল লাইট, যা গাড়িজুড়ে দেখা যাবে। ভেতরে রয়েছে ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এবং টাচস্ক্রিন ইনফোটেনমেন্ট সিস্টেম। তার সঙ্গে রয়েছে প্যানারমিক সানরুফ, ওয়্যারলেস চার্জিং, অ্যাডজাস্টেবেল ড্রাইভার সিট, ইলেক্ট্রনিক পার্কিং ব্রেক ইত্যাদি।
সুরক্ষার জন্য গাড়িটিতে দেওয়া হয়েছে ৬টি এয়ারব্যাগ, লেভেল ২ অ্যাডভান্স ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্ট সিস্টেম, ডিস্ক ব্রেক, অটো-হোল্ড, এমার্জেন্সি ব্রেকিং-সহ একাধিক ফিচার্স।
টাটা কার্ভ গাড়ির একাধিক ভ্যারিয়েন্ট লঞ্চ করেছে কোম্পানি। বেস মডেলে আছে ৪৫ কিলোয়াট আওয়ার ব্যাটারি, যা ফুল চার্জে ৫০২ কিলোমিটার রেঞ্জ দিতে সক্ষম। আর টপ মডেলে রয়েছে ৫৫ কিলোওয়াট আওয়ার ব্যাটারি, যা ফুল চার্জে নন-স্টপ ৫৮৫ কিলোমিটার নিয়ে যাবে। এটি টাটা মোটরসের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে লং রেঞ্জ ইলেকট্রিক গাড়ি।
কোম্পানির দাবি, কার্ভ ইভিতে রয়েছে আলট্রা-ফাস্ট চার্জিংয়ের ব্যবস্থাও। ডিসি চার্জিং প্রযুক্তির মাধ্যমে মাত্র ১৫ মিনিট প্লাগ-ইন রাখলেই গাড়ি চলবে ১৫০ কিলোমিটার। অর্থাৎ মাত্র ১৫ মিনিটের চার্জেই গাড়িটি ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চালানো যাবে।
টাটা মোটরসের নতুন এই ইলেকট্রিক গাড়িটি ভারতীয় বাজারে পাওয়া যাবে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার থেকে ২১ লাখ ৯৯ হাজার রুপিতে। নতুন টাটা কার্ভ ইলেকট্রিক ছাড়াও পেট্রল মডেলেও পাওয়া যাবে।
টেলিকম ও প্রযুক্তি
১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
দেশের ১৬ বছরের নিচে শিশু-কিশোরদের ফেসবুক, টিকটক, ইনস্টাগ্রামসহ সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। শিশুদের মানসিক, শারীরিক ও নৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার স্বার্থে এ নোটিশ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) লিগ্যাল ভয়েজ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সানাউল্লাহ নূরী ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান বরাবর এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বলা হয়, বর্তমানে শিশু-কিশোরদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। অনেক শিশু দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোনে ব্যস্ত থাকায় পড়াশোনা, খেলাধুলা এবং সামাজিক কার্যক্রম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এতে তাদের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে শিশুদের মধ্যে খিটখিটে মেজাজ, অনিদ্রা, উদ্বেগ ও বিষণ্ণতার মতো মানসিক সমস্যা বাড়ছে। পাশাপাশি অনলাইনে ছড়িয়ে থাকা সহিংস ভিডিও, ক্ষতিকর গেম এবং নেতিবাচক কনটেন্ট শিশুদের অপরাধপ্রবণ করে তুলতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহজেই গুজব, ভুয়া তথ্য এবং অশ্লীল কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়ছে, যা শিশুদের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১৬ বছরের নিচে শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে কার্যকর নীতিমালা বা নিষেধাজ্ঞা আরোপে সরকারের পদক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, নোটিশ পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া না হলে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে।
টেলিকম ও প্রযুক্তি
এআই অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছে মেটা
কয়েক হাজার কর্মী ছাঁটাই করতে যাচ্ছে মেটা। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগামী মাসের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি চলতি বছরের প্রথম ধাপের বড় আকারের ছাঁটাই ২০ মে থেকে শুরু করতে যাচ্ছে। পরবর্তীতে আরও কর্মীদের ছাঁটাই করতে পারে। একটি সূত্র জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মালিকানায় থাকা প্রতিষ্ঠানটি প্রথম ধাপে তাদের বৈশ্বিক কর্মীবাহিনীর প্রায় ১০ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৮,০০০ কর্মী ছাঁটাই করবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে আরও ছাঁটাই হতে পারে। যদিও এর তারিখ ও পরিমাণ এখনো নির্ধারিত হয়নি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে। এর আগে রয়টার্স জানিয়েছিল, মেটা তাদের মোট কর্মীর ২০ শতাংশ বা তারও বেশি ছাঁটাই করতে পারে।
এনডিটিভি জানিয়েছে, এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি মেটা।
কোম্পানির কার্যক্রমকে নতুনভাবে সাজাতে প্রতিষ্ঠানটির সিইও মার্ক জাকারবার্গ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ব্যাপক বিনিয়োগ করছেন। প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বড় কোম্পানিগুলোর মধ্যেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
উদাহরণ হিসেবে, অ্যামাজন সম্প্রতি প্রায় ৩০ হাজার করপোরেট কর্মী ছাঁটাই করেছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে ফিনটেক কোম্পানি ব্লক, আইএনসি তাদের প্রায় অর্ধেক কর্মী ছাঁটাই করেছে। এই দুই ক্ষেত্রেই এআইনির্ভর দক্ষতা বৃদ্ধিকে কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
চাকরি ছাঁটাই পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট লেঅফ.এওয়াইআই জানিয়েছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজার ২১২ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার। ২০২২ সালের শেষে ইয়ার অব ইফিশিয়েন্সি পুনর্গঠনের পর এটিই সবচেয়ে বড় ছাঁটাই হতে যাচ্ছে। ওই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছিল। বর্তমানে কোম্পানির আর্থিক অবস্থা আগের তুলনায় ভালো হলেও, ব্যবস্থাপনা স্তর কমানো এবং এআইনির্ভর দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্ক-ভিত্তিক এই কোম্পানিতে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৭৯,০০০ কর্মী কাজ করছেন। সম্প্রতি মেটা তাদের রিয়েলিটি ল্যাবস বিভাগে পুনর্গঠন করেছে এবং বিভিন্ন দল থেকে ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে ‘অ্যাপ্লায়েড এআই’ নামে নতুন একটি ইউনিট গঠন করেছে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোড লিখতে ও জটিল কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম এআই এজেন্ট তৈরিতে কাজ করবে।
টেলিকম ও প্রযুক্তি
সংশোধন হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের করা টেলিকম নীতিমালা
অংশীজনদের নানা আপত্তির মধ্যেই গেল বছরের ২২ সেপ্টেম্বর টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা-২০২৫ প্রণয়ন করে অন্তর্বর্তী সরকার। যেখানে টেলিকম খাতের সব লাইসেন্সকে তিন স্তরে নামিয়ে আনা হয়। তবে এই নীতিমালা প্রণয়ন নিয়ে আপত্তি তুলে সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নীতিমালাটি পর্যালোচনার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অংশীজনদের আপত্তি এবং দেশীয় বিনিয়োগকারীদের অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ার আশঙ্কার কারণে এই সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার এই নীতিমালা প্রণয়ন করে, যেখানে টেলিকম খাতের সব লাইসেন্সকে তিন স্তরে নামিয়ে আনা হয়। তবে এটি নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। পর্যালোচনায় দেখা গেছে—নীতিমালায় ৬৫ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগ থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সব স্তরে ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে মোবাইল অপারেটররা চাইলে টাওয়ার বা ফাইবার নেটওয়ার্কের ব্যবসায়ও যুক্ত হতে পারবে।
বিপরীতে টাওয়ার বা এনটিটিএন লাইসেন্সধারী দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাবমেরিন কেবল বা আন্তর্জাতিক পরিষেবার লাইসেন্স না দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া বর্তমানে টেলিকম খাতের ৮০ শতাংশ রাজস্বই মোবাইল অপারেটরদের দখলে। নতুন নীতিমালায় বাকি ২০ শতাংশ রাজস্বের ভাগীদার ছোট ব্রডব্যান্ড ও অবকাঠামো প্রতিষ্ঠানগুলো অস্তিত্বসংকটে পড়ার আশঙ্কা করছে।
নির্বাচনের আগেই বিএনপি এই নীতিমালার বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিল। গত ৩ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, ‘একতরফা এই নীতিতে বড় কম্পানিগুলো ছোটদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে। প্রযুক্তির স্পষ্ট ব্যাখ্যা না থাকায় ছোট কম্পানিগুলো টিকে থাকতে পারবে না।’ বর্তমান সরকার সেই উদ্বেগকেই আমলে নিয়ে সংশোধনের কাজ শুরু করেছে।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আমিনুল হক দাবি করেন, নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে যে ফাইবার আউটপুট দেওয়ার একচ্ছত্র অধিকার যেন ইন্টারনেট সেবাদাতাদের হাতে থাকে।
ফাইবার অ্যাট হোমের চিফ ইনফরমেশন অফিসার সুমন আহমেদ সাবির মনে করেন, বড় অপারেটররা সরাসরি না এসে ভিন্ন নামে অবকাঠামো ব্যবসায় ঢুকে পড়ার সুযোগ রয়েছে, যা রোধ করা জরুরি।
সামিট কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আল ইসলামের মতে, মোবাইল অপারেটররা যদি ফাইবার ব্যবসায় ঢুকে পড়ে, তবে ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড কানেক্টিভিটি সার্ভিস প্রোভাইডারদের (এনআইসিএসপি) ব্যবসা বলে কিছু থাকবে না।
রবির চিফ করপোরেট অফিসার সাহেদ আলম ঢালাও রিভিউর চেয়ে সুনির্দিষ্ট সমস্যাগুলো সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানান, তথ্য এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় মিলে একটি ‘ক্লাস্টার’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বর্তমানে এই নীতিমালার সংশোধনী চূড়ান্ত করার কাজ করছে, যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় থাকে।
জাতীয়
সারা দেশে ইন্টারনেট নিয়ে দুঃসংবাদ দিল বিএসসিসিএল
দেশে তিন দিন ইন্টারসেবা বিঘ্নিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিসিএল)। দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল (SEA-ME-WE-5) রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কারণে সেবা বিঘ্নিত হকে পারে বলে জানানো হয়েছে।
আজ বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিসিএল)। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিএসসিসিএল কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেমের ‘শাট ফল্ট’ মেরামতের কাজ শুরু হবে বৃহস্পতিবার। ওই দিন রাত ১০টা থেকে শুরু হয় মেরামতকাজ চলবে সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোর ৬টা পর্যন্ত। অর্থাৎ, মোট ৩ দিন ৮ ঘণ্টা চলবে এই রক্ষণাবেক্ষণকাজ।
ফলে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত থেকে পরবর্তী তিন দিন সারা দেশে বিঘ্নিত হতে পারে ইন্টারনেট সেবা।
এই সময়ে ইন্টারনেট সেবায় থাকতে পারে ধীরগতি।
বিএসসিসিএলের মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) মোহাম্মদ জাকিরুল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে দ্রুতই সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে মেরামতকাজ। সঠিকভাবে মেরামত শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফের নিশ্চিত করা হবে স্বাভাবিক সেবা।
টেলিকম ও প্রযুক্তি
রাজধানীতে যাত্রা শুরু করেছে আধুনিক পডকাষ্ট স্টুডিও
বর্তমান যুগ ডিজিটাল কন্টেন্টের। এখন ভিডিও প্রোডাকশন ও পডকাস্ট শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং ব্যবসা, ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং এবং যোগাযোগের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। এই ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র নয়াপল্টনে যাত্রা শুরু করেছে একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রোডাকশন সুবিধাসম্পন্ন ‘দেশ সমাচার স্টুডিও’ ।
নয়াপল্টনের চায়না টাউনে অবস্থিত এই স্টুডিওটি অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, করপোরেট প্রতিষ্ঠান এবং মিডিয়া পেশাজীবীদের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। যারা ঢাকায় একটি মানসম্মত এবং প্রফেশনাল পডকাস্ট স্টুডিও খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি এখন প্রথম পছন্দ।
স্টুডিওর সুযোগ-সুবিধা
দেশ সমাচার স্টুডিওতে রয়েছে আধুনিক সব প্রযুক্তি। এখানে মাল্টি-ক্যামেরা সেটআপের মাধ্যমে একই সাথে কয়েক জন মিলে পডকাস্ট বা টক-শো রেকর্ড করা যায়। এছাড়া ব্রডকাস্ট মানের অডিও সিস্টেম এবং সিনেমাটিক লাইটিং সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে, যা প্রতিটি ভিডিওকে দেয় প্রিমিয়াম লুক। শুধু পডকাস্ট নয়, এখানে ইউটিউব কন্টেন্ট, ফেসবুক লাইভ এবং করপোরেট ইন্টারভিউয়ের জন্য রয়েছে আলাদা সেটআপ।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে ভিডিও কন্টেন্টের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে টিকে থাকতে হলে এখন কোয়ালিটির ওপর জোর দিতেই হবে। এই বাস্তবতায় দেশ সমাচার স্টুডিওর মতো আধুনিক স্পেসগুলো নতুন উদ্যোক্তা ও ক্রিয়েটরদের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। এখানে রেডি-টু-শুট সেটআপ থাকায় ক্লায়েন্টরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই খুব দ্রুত শুটিং সম্পন্ন করতে পারেন।
দেশ সমাচার স্টুডিওর কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা সাশ্রয়ী খরচে আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাদের এখানে ভিডিও এডিটিং, কালার গ্রেডিং এবং পোস্ট-প্রোডাকশনের সুবিধাও রয়েছে। অর্থাৎ, আইডিয়া থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ভিডিও আউটপুট পর্যন্ত সব সেবা মিলছে এক ছাদের নিচে।
যোগাযোগের ঠিকানা: আপনার যেকোনো প্রোডাকশন বা বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করুন।
- ফোন নম্বর: 01720210657
- ওয়েবসাইট: https://studio.deshshamachar.com
- ফেসবুক পেইজ: https://www.facebook.com/deshshamacharstudio




