গোলাপী লালে সেজেছে গোলাপ গ্রাম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-০২-১৩ ২০:২৭:৫৩

 

ঢাকার অদূরেই সাভারের আশুলিয়া। গোলাপ গ্রাম। গোলাপী লালে সাজানো গোছানো বিরুলিয়া, শ্যামপুর, আক্রাইন, সাদুল্লাপুর, মৈস্তাপাড়া, বাগ্নিবাড়ি, কালিয়াকৈর, ভবানীপুর, রাজারবাগ, নয়াপাড়া, খাগান, কমলাপুর, সামাইর জুড়ে ফুলে ফুলে অপরূপা বাগান। এখানের স্থানীয়দের কৃষিকাজ বলতে গোলাপসহ বিভিন্ন ফুল চাষ। কয়েকটি ফুলের বাজারও আছে এখানে।

রাত পোহালেই পহেলা ফালগুন ও বিশ্ব ভালবাসা দিবস। লাল হলুদের এমন উৎসব একইদিনে ব্যতিক্রম। এ দিবসকে সামনে রেখেই বিরুলিয়ার গোলাপ চাষীদের গোলাপ ও নানা রকমের ফুল কেন্দ্রীক অর্থনীতি এখন চাঙ্গা।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিরুলিয়া এলাকার বিভিন্ন ফুলচাষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারির জন্য ফুলের চাহিদা অনেক বেশি। এ অঞ্চলের চাষিরা সারা দিন ফুল কাটার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ মৌসুমে চাষিরা গত বছরের তুলনায় অনেকটা ভালো দাম পাচ্ছেন। তাই ফুলের চাহিদা অনুসারে কয়েক কোটি টাকার ফুল বিক্রি হতে পারে বলে জানান ব্যস্ত ফুলচাষীরা।

সাভারে গোলাপ চাষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে গোলাপের হাট। এখানে সন্ধ্যা হলেই গোলাপ চাষি, পাইকারি ক্রেতা, খুচরা ফুল বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের পদচারণে হাটগুলো সরগরম হয়ে ওঠে। হাটগুলোতে দূরদূরান্ত হতে পাইকাররা ছুটে আসেন ফুল কিনতে। গোলাপ হাটে ফুলচাষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ মৌসুমে চাষিরা আগের বছরের তুলনায় ভাল দাম পাচ্ছেন। এ বছর ফুলের চাহিদাও কম নয়, তাই কয়েক কোটি টাকার ফুল বিক্রি হতে পারে বলেও জানান গোলাপ চাষীরা। মূলত নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত গোলাপের ভাল ফলন হয়। এ বছর বিরুলিয়াসহ সাভারের বিভিন্ন এলাকায় গোলাপের আবাদ বেশি হয়েছে। এতে এখানের ফুলচাষীরা লাভবান হয়েছেন।

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।