বিদেশে জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধের প্রতিশ্রুতি ব্রিটেনের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১২-১৪ ১৩:৫১:৫৯

বিদেশে জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্পের জন্য সরকারি অর্থায়ন বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ব্রিটেন সরকার। শনিবার ব্রিটেন, জাতিসংঘ ও ফ্রান্সের সহ-আয়োজনে আন্তর্জাতিক জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষক সম্মেলন শুরুর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন অপরিশোধিত তেল, গ্যাস ও কয়লা প্রকল্পে নতুন করে অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দেন।

প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জনসন বলেন, আমি আজ একথা বলতে পেরে আনন্দিত যে ব্রিটেন যত দ্রুত সম্ভব বিদেশের জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্পের জন্য করদাতাদের সমর্থন বন্ধ করবে।

অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোয় জীবাশ্ম জ্বালানি উত্তোলন, পরিমার্জন ও বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরিতে সহায়তার জন্য কয়েকশ কোটি পাউন্ড প্রেরণের জন্য সমালোচিত হয়ে আসছে ব্রিটেন। এবার ‘খুব সীমাবদ্ধ ব্যতিক্রম’ ছাড়া এ অর্থায়ন শিগগিরই শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হলো।

জলবায়ু জরুরি অবস্থা, বনজ, সমুদ্রের অভয়ারণ্য ও প্লাস্টিকদূষণের বিরুদ্ধে কাজ করা গ্রিনপিস ইউকের পলিসি ডিরেক্টর ডগ পারার বলেন, বিদেশী জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্পের অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দেয়া সত্যিই একটি স্বাগত পদক্ষেপ।

জনবায়ু সংকট মোকাবেলা খ্রিস্টান এইডের ক্যাম্পেইনের প্রধান ও আইনজীবী পিট মুরি বলেন, আবিষ্কৃত হওয়া ৮০ শতাংশ জীবাশ্ম জ্বালানি মাটিতে ফেলে রাখা দরকার।

যুক্তরাজ্য সরকারের এ সতর্কতা মেনে চলা এবং বিদেশে জীবাশ্ম জ্বালানির প্রতি সমর্থন বন্ধ করার অধিকার রয়েছে। জলবায়ু সংকট সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখা উন্নয়নশীল দেশগুলোয় জীবাশ্ম জ্বালানি বর্জন ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার ত্বরান্বিত করতে প্রচুর বিনিয়োগের প্রয়োজন। এ বিনিয়োগ দেশগুলোর অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে এবং জলবায়ু জরুরি অবস্থা মোকাবেলা করতে পারে।

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।