যে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ বিনিয়োগ করলে আমেরিকায় তাকে দ্রুত অনুমতি ও পারমিট দিয়ে দেওয়া হবে। এমনকি পরিবেশগত সম্মতির ক্ষেত্রেও তা সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যদিও ট্রাম্প দ্রুত-ট্র্যাক অনুমোদনের জন্য কে যোগ্য হবেন তা নির্দিষ্ট করেননি। তবে প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন, রপ্তানি টার্মিনাল, সৌর খামার এবং অফশোর উইন্ড টারবাইনসহ শক্তি প্রকল্পগুলি বিলিয়ন ডলারের মানদণ্ড পূরণ করতে পারে।
ইউএস ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল পলিসি অ্যাক্ট (এনইপিএ) অনুযায়ী, পাইপলাইন এবং হাইওয়ের মতো কোনো জ্বালানি বা অবকাঠামো প্রকল্প অনুমোদন করার আগে সরকারি সংস্থাগুলিকে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করতে হবে। ট্রাম্পের ঘোষণা এমন কোম্পানিগুলির জন্য একটি আশীর্বাদ হিসাবে আসবে যারা এই জাতীয় মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিলম্বের বিষয়ে দীর্ঘকাল অভিযোগ করেছে। টেক বিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক, যার ইভি কোম্পানি টেসলার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অতীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশগত নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে, তিনি ট্রাম্পের ঘোষণার প্রশংসা করেছেন।
আমেরিকান পরিবেশ সংস্থাগুলি অবশ্য ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, যে এটি এইপিএ বিধি লঙ্ঘন করেছে।
এভারগ্রিন অ্যাকশন, একটি ওয়াশিংটন-ভিত্তিক পরিবেশগত গ্রুপ বলেছে, ‘অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় কারচুপি করা হচ্ছে, যাতে শুধুমাত্র ধনী কর্পোরেশনরাই উপকৃত হয়। ট্রাম্প নির্দ্বিধায় এবং আক্ষরিক অর্থে আমেরিকাকে সর্বোচ্চ কর্পোরেট দরদাতার কাছে বিক্রি করার প্রস্তাব দিচ্ছেন। ‘সংস্থাটির দাবি, ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি স্পষ্টতই বেআইনি, যা আমেরিকান জনগণকে বিপদে ফেলবে।’
এদিকে প্রাকৃতিক সম্পদ প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের প্রধান নীতি বিষয়ক অ্যাডভোকেসি অফিসার আলেকজান্দ্রা অ্যাডামস বলেছেন, ‘ট্রাম্পের সতর্ক হওয়া উচিত যে তিনি কী চান। যদি কেউ মার-এ-লাগোর পাশে একটি বর্জ্য ইনসিনেরেটর বা বেডমিনস্টার গল্ফ কোর্সের পাশে একটি কয়লা খনি তৈরি করতে চায় তাহলে কী হবে?’
কাফি