Connect with us

অর্থনীতি

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ গাড়িচালক নেবে কাতার

Published

on

মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশ কাতার সরকার আর বাংলাদেশ থেকে অদক্ষ কর্মী নেবে না। তবে দক্ষ শ্রমিকের কোটা বাড়াবে। এ মুহূর্তে দেড় হাজার দক্ষ বাংলাদেশি গাড়িচালক নিতে আগ্রহী দেশটি। তবে তাদের হতে হবে অনলাইনে নিবন্ধিত। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব সেলিম রেজা।

তিনি জানান, গত ৩-৪ ফেব্রুয়ারি দোহায় দুই দেশের যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয় কাতার। দেশটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়েছে, তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিতে চায়। তবে অনলাইন নিবন্ধন ছাড়া কোনও কর্মী নেবে না কাতার।

সেলিম রেজা বলেন, কাতার সরকার বাংলাদেশ থেকে দেড় হাজার দক্ষ গাড়িচালক নিতে আগ্রহী। এর পাশাপাশি অন্য পেশার দক্ষ কর্মীও নেবে বলে জানিয়েছে তারা। আমরা কাতার সরকারকে এবছর বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক দক্ষ ও আধা দক্ষ কর্মী নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি।

তিনি বলেন , কাতারে অনুষ্ঠিতব্য ‘ফিফা ২০২২’ এবং কাতারের ‘ভিশন ২০৩০’ উপলক্ষে সিকিউরিটি সার্ভিস, সেবা খাত ও অন্যান্য খাতে দেশটিতে ব্যাপক কর্মী চাহিদা রয়েছে। দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের সুনাম ও চাহিদাও ব্যাপক।

Nogod-22-10-2022

যৌথ কমিটির বৈঠকের পাশাপাশি কাতার সফরকালে প্রবাসীকল্যাণ সচিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল কাতারের বিভিন্ন কোম্পানি ও বাংলাদেশি কর্মীদের ক্যাম্প ও কর্মস্থল পরিদর্শন করেন বলে জানান তিনি।

সেলিম রেজা বলেন, আমরা তাদের জানিয়েছি, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই কর্মীদের নাম নিবন্ধন শুরু করেছে। মাঠ পর্যায়ে দক্ষতা দেখতে শিগগিরই কাতারের একটি টিম বাংলাদেশ সফর করবে। আমরা পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ঢাকা জেলায় বিদেশ যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন শুরু করেছি। সেখানে এখন পর্যন্ত ২৩ হাজার কর্মী নিবন্ধন করেছেন। আগামী মাস থেকে সারাদেশে কর্মীদের নিবন্ধন শুরু হবে।

কাতার নিজ খরচে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী উল্লেখ করে সচিব বলেন, কোনও কোনও কোম্পানি কর্মীর যাবতীয় খরচ বহন করবে। তবে যেসব কোম্পানি খরচ বহন করবে না, সেখানে সরকার নির্ধারিত ১ লাখ ৭০ টাকায় কর্মী পাঠাতে হবে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে।

যৌথ কমিটির সভায় বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি এবং তাদের স্বার্থ ও অধিকার সংরক্ষণে দুদেশ একমত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অর্থনীতি

কমেছে সবজির দাম, চাল-চিনি-তেলে এখনো অস্বস্তি

Published

on

শীতের সবজির ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে। বাজারেও শীতের সব ধরনের সবজির সরবরাহ বেড়েছে। সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দাম। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, আটা, তেল, চিনি ও ডাল বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই চড়া দামে।

এক সপ্তাহ আগের তুলনায় কিছু সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সবজির দাম কমায় স্বস্তি মিলেছে ক্রেতাদের।

খুচরা বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কম। তবে অনেক নিত্যপণ্যের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বিশেষ করে আমনের নতুন ধান বাজারে এলেও চালের দাম না কমায় অস্বস্তির কথা বলছেন ভোক্তারা।

মোটা চালের দামও এখনো আকাশছোঁয়া। তেল, চিনি, ডালের দামও বাড়ার পর আর কমছে না। আমাদের মতো নিম্নবিত্তের মানুষেরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি।

Nogod-22-10-2022

শিম ও নতুন আলু কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গেল কয়েক সপ্তাহ যা ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে। কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগেও যা ছিল ৬০ টাকার ওপরে। এছাড়া শীতকালীন শালগম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে এ সবজির দাম ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। বাঁধাকপি ও ফুলকপির দামও কমেছে। বড় সাইজের একেকটি বাঁধাকপি বা ফুলকপি পাওয়া যাচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে।

শীতকালীন সবজির দাম এখন কমতির দিকে। শীতের সবজির দাম কমার কারণে সারা বছর পাওয়া যায় এমন সবজিগুলোর দামও ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে নেমেছে। যা গত সপ্তাহেও ৬০ থেকে ৮০ টাকা ছিল। সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম আরও কমতে পারে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহে চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত। বেড়েছে আটার দামও। খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং প্যাকেটজাত আটার কেজি ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। চিনির বাজারে অস্থিরতা এখনো কাটেনি। বেশিরভাগ দোকানে প্যাকেটজাত চিনি মিলছে না। কিছু দোকানে খোলা চিনি পাওয়া গেলেও বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা লিটার আর মসুর ডাল মানভেদে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি।

তবে ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি ফিরেছে ডিমের দামে। প্রতি ডজন ডিম এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ছিল ১৫০ টাকা পর্যন্ত।

ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে। সোনালী মুরগির কেজি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংসের দাম। বাজারভেদে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। একইভাবে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের মাছের দামও অপরিবর্তিত থাকতে দেখা গেছে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ডলার সংকটে কাঁচামাল আমদানি আরও নিম্নমুখী

Published

on

ডলার সংকট, টাকার অবমূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে ছোট ও মাঝারি শিল্পের কাঁচামাল আমদানির এলসি খোলা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। আগে খোলা এলসির পণ্য দেশে আসতে শুরু করায় এ খাতে আমদানি কিছুটা বেড়েছে।

তবে নতুন করে এলসি খোলা কমে যাওয়ায় পর্যায়ক্রমে এ খাতের কাঁচামাল আমদানিও কমে যেতে পারে। ডলার আয়কারী রপ্তানিমুখী বড় শিল্পের জন্য এখনো ডলারের সংস্থান রয়েছে। যে কারণে ভালো রপ্তানিকারকদের কাঁচামাল আমদানিতে এখনো তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তবে আমদানি ব্যয় বেড়েছে অনেক। যে কারণে আগের চেয়ে বেশি দামে কম পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে।

এদিকে নতুন রপ্তানির অর্ডার কম আসায় কাঁচামাল আমদানির ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলা কমে গেছে। প্রয়োজনীয় ডলারের সংস্থান করতে না পারায় কাঁচামাল আমদানি নির্ভর শিল্পগুলো এলসি খুলতে পারছে না। অনেক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন সক্ষমতাও কমে গেছে।

সূত্র জানায়, বিশেষ করে ডলার সংকট মোকাবিলায় অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার থেকে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এতে আমদানিতে লাগাম পড়েছে। বর্তমানে ডলার সংকট এতটাই প্রকট হয়েছে যে, উদ্যোক্তাদের মধ্যে যারা ডলার আয় করে না, তারা এখন কোনো এলসি খুলতে পারছেন না। টাকায় শতভাগ মার্জিন দিয়েও এলসি খোলা যাচ্ছে না শুধু ডলারের অভাবে।

Nogod-22-10-2022

এতে কাঁচামাল আমদানিনির্ভর শিল্পগুলো সংকটে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা এলসি খুলতে না পেরে চড়া সুদে বায়ার্স ক্রেডিট বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে ঋণ নিয়ে এলসি খোলার চেষ্টা করছেন। এ চেষ্টায় অনেকে সফল হচ্ছেন না। ফলে বাধ্য হয়ে খোলা বাজার থেকে বাণিজ্যিকভাবে আমদানি করা কাঁচামাল চড়া দামে সংগ্রহ করে কারখানা চালু রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী আমদানির জন্য শতভাগ টাকা দেওয়া হলেও ব্যাংক ডলার দিতে পারছে না। এছাড়া গ্যাস সংকট তো আছেই। গ্যাসে যেসব কারখানার বয়লার চালাতে হয় তারা পড়েছে বড় সংকটে। গ্যাসের অভাবে উৎপাদন কাজ চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় উদ্যোক্তারা চড়া দাম দিয়েও গ্যাস-বিদ্যুৎ নিতে আগ্রহী।

সূত্র জানায়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবস্থা আরও করুণ। বিশেষ করে ছোট আকারের শিল্পগুলো সরাসরি কাঁচামাল আমদানি করে না। বাণিজ্যিকভাবে যেসব উদ্যোক্তা কাঁচামাল আমদানি করেন তাদের কাছ থেকে কিনে তারা নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে থাকেন।

কিন্তু এখন বাণিজ্যিক আমদানিকারকরা ডলারের অভাবে এলসি খুলতে পারছেন না। ফলে বাজারে আগে আমদানি করা কাঁচামাল বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে বাণিজ্যিকভাবে শিল্পের কাঁচামাল আমদানির এলসি খোলা কমেছে ৫ শতাংশ। আমদানি বেড়েছে ২৩ শতাংশ। চড়া দামের কারণে আমদানি ব্যয় বেশি হয়েছে। কিন্তু কাঁচামাল এসেছে কম।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

৪ লাখ প্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায়, নতুন সাড়ে ৮০ হাজার

Published

on

দেশের চার লাখের বেশি প্রতিষ্ঠান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীনে মূসক বা ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় এসেছে। এর মধ্যে গত এক বছরে ৮০ হাজার ৫৬৫টি নতুন প্রতিষ্ঠান মূসক নিবন্ধন নিয়েছে। যাদের মধ্যে ৭৮ দশমিক ২১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দিচ্ছে।

এনবিআরের ভ্যাট বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন ও রিটার্ন দাখিলপত্র কার্যক্রম চালু করার পর ১৪টি মডিউলের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন করদাতারা অনলাইনে সহজে সেবা গ্রহণ করতে পারছেন, অপরদিকে মূসক কর্মকর্তারা অনলাইনের মাধ্যমে মনিটরিং কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারছেন।

তিনি আরও বলেন, ভ্যাট অটোমেশনের কার্যক্রম অনেকাংশে সম্পন্ন হয়েছে। এরইমধ্যে ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন, রিটার্ন, রিফান্ড, কেস ম্যানেজমেন্ট, বকেয়া ব্যবস্থাপনা, ডকুমেনটেশন অটোমেশনের আওতায় এসেছে। সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো দাখিল করা মোট ভ্যাট রিটার্নের মধ্যে ৮৩.৬৬ শতাংশ অনলাইনে দাখিল করছে। অর্থ্যাৎ অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা বেড়েছে।

Nogod-22-10-2022

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, বর্তমান অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য মূসকের নেট বৃদ্ধি করার কার্যক্রম জোরদার করার অংশ হিসেবে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত ৪ লাখের বেশি প্রতিষ্ঠান মূসক নিবন্ধনের আওতায় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময় পর্যন্ত মূসক নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫১টি। গত ১২ বার মাসে ৮০ হাজার ৫৬৫টি নতুন প্রতিষ্ঠানকে মূসক নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে।

২০১৯ সালের জুলাই মাসে নতুন ভ্যাট আইন চালু হওয়ার পর ইলেকট্রনিক বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর (ই-বিআইএন) নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। ওই নিবন্ধন ছাড়া ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়া যায় না। নিবন্ধন নিয়ে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বর্তমানে এনবিআরের অধীন সারা দেশে ভ্যাট কমিশনারেট অফিস রয়েছে ১২টি। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় পাঁচটি। রাজস্ব আদায় বাড়াতে নিবন্ধিত সব ভ্যাটযোগ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলক অনলাইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

আগে প্রচলিত প্রথায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিবন্ধন দেওয়া হতো। যার অংক বা ডিজিট ছিল ১১। তিন বছর আগে অনলাইনে যে ভ্যাট নিবন্ধন চালু করা হয় তার ডিজিট ৯। এখন ৯ ডিজিটের নম্বরকে বলা হয় বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর বা ই-বিআইএন। মাসিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে হলে ৯ ডিজিটের ই-বিআইএন অবশ্যই উল্লেখ করতে হয়। তা না হলে রিটার্ন গ্রহণ করা হয় না। রিটার্নের ওপর ভিত্তি করেই ভ্যাট আদায় করা হয়। রিটার্নে প্রতিষ্ঠানের বিক্রি বা লেনদেনের তথ্য উল্লেখ করা হয়।

নতুন ভ্যাট আইনে কোনো প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক লেনদেন ৫০ লাখ টাকার কম হলে ভ্যাট দিতে হয় না। তাই তাদের নিবন্ধনও নেওয়ার দরকার নেই। তবে বার্ষিক লেনদেন ৫০ লাখ টাকা থেকে ৩ কোটি টাকা হলে ৪ শতাংশ টার্নওভার কর দিতে হয়। বাকিদের ক্ষেত্রে নিয়মিত ভ্যাটহার প্রযোজ্য। টার্নওভার কর ও নিয়মিত ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ই-বিআইএন নিতে হয়। কোনো প্রতিষ্ঠান ই-বিআইএন না নিলে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে নতুন ভ্যাট আইনে। এছাড়া নিবন্ধন সনদ যথাযথভাবে প্রদর্শন না করলেও ১০ হাজার টাকা জরিমানার কথা বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পুরোনো আইনের আওতায় সবমিলিয়ে সাড়ে আট লাখ প্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছিল। যাদের অধিকাংশই ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতো না বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

প্রণোদনা সত্ত্বেও প্রত্যাশিত হারে রেমিট্যান্স আসছে না

Published

on

সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা দেওয়া সত্ত্বেও প্রত্যাশিত হারে রেমিট্যান্স আসছে না।

প্রবাসী কর্মীদের কর্মস্থল থেকে ব্যাংকগুলোর দূরত্ব বেশি এবং হুন্ডি ব্যবসায়ীদের থেকে নানা ধরনের সুবিধা পাওয়ার কারণেই প্রবাসী কর্মীরা এখনো হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

এ কারণে সরকারের পক্ষ থেকে আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া সত্ত্বেও প্রত্যাশিত হারে রেমিট্যান্স বাড়ছে না। এ অবস্থায় সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে হুন্ডি ব্যবসা বন্ধ ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধির জন্য ইনসেনটিভসহ প্রবাসীদের অন্যান্য সুবিধা প্রদানে একটি প্রস্তাবনা বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়েছে। বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে রেমিট্যান্স বাড়ানো নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে কমিটির আমন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সভাপতিত্ব করেন। এ সময় কমিটির সদস্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, মৃণাল কান্তি দাস, পংকজ দেবনাথ এবং হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের কার্যপত্রে দেখা গেছে, এর আগের বৈঠকে রেমিট্যান্স প্রবাহ না বাড়ার কারণ নিয়ে আলোচনা করে সংসদীয় কমিটি। ওই বৈঠকে বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক শহীদুল আলম বলেছিলেন-ইউক্রেন যুদ্ধ, ব্যাংক রেট ও হুন্ডির রেটের ব্যাপক ব্যবধানের কারণে বৈধপথে টাকা আসার পরিমাণ কমে গেছে। সে সময় কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশের স্থলে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছিলেন। ওই বৈঠকের সুপারিশ অনুযায়ী, বুধবারের বৈঠকে হুন্ডি ব্যবসা বন্ধ এবং রেমিট্যান্স বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি চ্যানেলে টাকা পাঠানোর সুবিধার জন্য প্রবাসীদের ইনসেনটিভসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়। পরে কমিটির পক্ষ থেকে হুন্ডি ব্যবসা বন্ধ এবং রেমিট্যান্স বাড়াতে সরকারি চ্যানেলে টাকা পাঠানোর সুবিধার জন্য প্রবাসীদের ইনসেনটিভসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদানের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়। এছাড়া বৈঠকে প্রবাসীদের বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর জন্য উৎসাহীকরণ এবং তাদের কর্মস্থলের কাছাকাছি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মানি এক্সচেঞ্জ স্থাপন করা যায় কিনা সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

Nogod-22-10-2022

কার্যপত্রে দেখা গেছে, বৈঠকে বৈধ চ্যানেলে টাকা কম আসার কারণ তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, ব্যাংকগুলো প্রবাসী কর্মীদের কর্মস্থল থেকে অনেক দূরে হওয়ায় তারা সময় ও টাকা খরচ করে ব্যাংকে গিয়ে টাকা পাঠাতে আগ্রহ কম দেখায়। অপরদিকে হুন্ডির সঙ্গে যারা জড়িত তারা উলটো প্রবাসী কর্মীদের বাসা বা কর্মস্থলে গিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাসের বেতন না হওয়ার আগেই নিজেদের থেকে টাকা পাঠিয়ে দেয়। বেতন পেলে কর্মীরা তা পরিশোধ করেন। হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো তাদের জন্য ‘সহজ’ হওয়ায় তারা বৈধ চ্যানেলের পরিবর্তে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বেশি আগ্রহী হন। বাংলাদেশি কর্মীরা কাজ করেন এমন অনেক দেশের দোকানে দোকানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বাংলাদেশি) আড়ালে হুন্ডি ব্যবসা করা হয় বলে বৈঠকে অভিযোগ করা হয়।

পাঁচ মাসে ৭০ থেকে ৯০ হাজার কর্মী বিদেশে গেছেন : বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৭০ থেকে ৯০ হাজার কর্মী বিদেশে গেছেন। মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ে ৭৩ হাজার ৯৭১ জন, আগস্টে ৯১ হাজার ৩৮৮ জন, সেপ্টেম্বরে ৮৮ হাজার ৩০৪ জন, অক্টোবরে ৭৫ হাজার দুজন এবং নভেম্বরে (২৪ নভেম্বর পর্যন্ত) ৬৩ হাজার ৬০৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। এদিকে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেলের মাধ্যমে জুলাইয়ে এক হাজার ২১৯ জন, আগস্টে এক হাজার ৪৫৯ জন, সেপ্টেম্বরে এক হাজার ১৭৩ জন, অক্টোবরে এক হাজার ১১৬ জন ও নভেম্বরে এক হাজার ২৪৮ জন বিদেশে গেছেন।

মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের ধীরগতির কারণ : বৈঠকে মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের ধীরগতির কারণ তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়-মালয়েশিয়া হাইকমিশন থেকে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার ১৩৬ জনের সত্যায়ন করা হয়। ২৪ জুলাই থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক লাখ ৩৫ হাজার ২২৯ জন কর্মীর সত্যায়ন করা হয়েছে। এছাড়া সত্যায়নের অপেক্ষায় আছে ২৬ হাজার ৫৯১ জন। রিক্রুটিং এজেন্টের আবেদনের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগ অনুমতি দেওয়া হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ৩৬৯ জনের। বর্তমানে ১১টি আবেদনের বিপরীতে এক হাজার ৮১২ জনের নিয়োগ অনুমতি অপেক্ষায় আছে। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএমইটি থেকে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়েছে ৩০ হাজার ৯৮৬ জনের। বিএমইটিতে কোনো অনিষ্পন্ন আবেদন নেই। ধারণা করা হচ্ছে, এজেন্ট ও মালয়েশিয়া প্রান্তের কারণে কর্মী যাওয়ার ধীরগতির প্রধান কারণ। মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীদের কাছ থেকে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির অর্থ গ্রহণের পরিমাণ কমাতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করে সংসদীয় কমিটি।

কমিটির আগের বৈঠকে জানানো হয়েছিল, মালয়েশিয়ার অভিবাসন ব্যয় ৩ লাখ ৮০ হাজার থেকে ৪ লাখ পর্যন্ত। অভিবাসন ব্যয় অত্যধিক হওয়ার জন্য বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে খারাপ প্রভাব পড়বে। মধ্যপ্রাচ্যে অভিবাসন ব্যয় বাড়তে শুরু করবে। কমিটি মালয়েশিয়া কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচনে নির্দিষ্ট মানদণ্ড দরকার বলে প্রস্তাব করে। কিন্তু সেটা না করে কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে অসাধু পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় বলে অভিযোগ।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হলেন আহমদ কায়কাউস

Published

on

বিশ্বব্যাংকের ওয়াশিংটনের প্রধান কার্যালয়ে বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার উপসচিব মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ​প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত কর্মকর্তা ড. আহমদ কায়কাউসের সঙ্গে সরকারের সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ৯ ডিসেম্বর থেকে বাতিলপূর্বক যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর মেয়াদে তাকে বিশ্বব্যাংকের ওয়াশিংটনস্থ প্রধান কার্যালয়ে ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক পদে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এর পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।

এদিকে একই দিন আরেক প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়াকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নতুন মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

Nogod-22-10-2022

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ শাখার উপসচিব এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে অবিলম্বের এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ