করোনা মহামারীতে ভালো নেই সাভারের গহনা কারিগররা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১১-২১ ১৩:১৫:১৭

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে ভালো নেই সাভারের গহনা কারিগররা। মহামারীকালে কাজ না থাকায় কষ্টে আছেন সাত হাজার কারিগরের প্রায় অনেকাই। অনেকেই ছেড়ে দিয়েছেন বাপ-দাদার এই পেশা।

দোকানের অনেক জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে আছে অলঙ্কার তৈরির সরঞ্জাম। আগুনের ফুলকিগুলো যেন উজ্জ্বল আলোয় উঁকি দিচ্ছে। হাতের চুড়ি, গলার হার, কানের দুল, পায়েল ও নূপুর, ঝুমকা তৈরিতে ব্যস্ত গহনা কারিগররা।

সাভারের হেমায়েতপুরের ভাকুর্তায় কয়েক পুরুষ ধরেই গহনা তৈরি করছেন গ্রামের বাসিন্দারা। শুরুতে স্বর্ণের গহনা তৈরি করলেও এখন রুপা, পিতল, তামাসহ বিভিন্ন ধাতুর গহনা তৈরি করছেন কারিগররা। বর্ণিল নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয় এক একটি গয়না।

কানের দুল, নেকলেস, সিতাহার, চেইন, ঝুমকা, হাতের বালা, চুলের ব্যান্ড, ক্লিপ ও আংটি যাচ্ছে রাজধানীর চাঁদনী চক, নিউমার্কেটসহ সব বড় মার্কেট ও শপিংমলে। তবে এই মহামারীতে ভালো নেই এই গহনা কারিগররা।

কারিগররা জানান, কাজের অভাবেই আমাদের ভাতের কষ্ট। সরকার থেকে এবং কোন ব্যাংক থেকেও আমাদের কোনও লোন দেয়া হয় না। এ শিল্পকে বাঁচাতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ব্যবসায়ীরা।

ভাকুর্তা তামা পিতল গহনা মালিক ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, আমাদের এই ব্যবসাটা অনেক পুরনো। এটি ২ থেকে ৩শ’ বছরের আগের ব্যবসা। এই ব্যবসাটি যাতে আমরা টিকিয়ে রাখতে পারি এজন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম চার মাস বন্ধ ছিলো গহনা তৈরি। এখন আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় ভাকুর্তার গহনা ব্যবসায়ীরা।

অর্থসংবাদ/এসএ/১৩:১৫/১১:২১:২০২০

 

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।