করোনাকালে ভারতে সর্বনিম্ন অবস্থানে স্বর্ণের চাহিদা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১১-১৯ ১৩:২৫:৪৪

কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারী ভাইরাসের বিরুদ্ধে তুমুল লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। সংক্রমণের দিক দিয়ে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। লকডাউন দিয়েও খুব একটা লাভবান হয়নি জনবহুল এ দেশটির। উল্টো লকডাউনে ভারতীয়দের আয় কমেছে। স্থবির হয়ে এসেছে দেশটির সামগ্রিক অর্থনীতি।

লকডাউনের কারণে স্বর্ণ কেনাও কমিয়ে দিয়েছেন ভারতীয়রা। এর জের ধরে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (এপ্রিল-অক্টোবর) দেশটিতে মূল্যবান ধাতুটির আমদানি ব্যয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৭ শতাংশ কমে গেছে। খবর বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১ এপ্রিল নতুন অর্থবছর শুরু হয়। ২০২০-২১ অর্থবছরের এপ্রিল-অক্টোবর সময়ে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্বর্ণ আমদানিতে ভারতীয় আমদানিকারকদের সব মিলিয়ে ৯২৮ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে এ ব্যয়ের পরিমাণ কমেছে ৪৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে ভারতীয়রা ১ হাজার ৭৬৪ কোটি ডলারের স্বর্ণ আমদানি করেছিলেন।

ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের এপ্রিল-অক্টোবর সময়ে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ভারতে রুপা আমদানিতে সম্মিলিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৭৪ কোটি ২০ লাখ ডলারে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ কম।

মহামারীকালে অনেক ভারতীয় জীবিকা হারিয়েছেন। অনেকেরই আয় কমেছে। এ কারণে চলতি বছর উৎসবের মৌসুসেও দেশটিতে স্বর্ণের চাহিদা খুব একটা বাড়েনি। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের (ডব্লিউজিসি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জানুয়ারি-অক্টোবর সময়ে ভারতে স্বর্ণের চাহিদা ছিল সাকল্যে ২৫২ টন। আগের বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৪৯৬ টন।

এদিকে ২০২০-২১ অর্থবছরের এপ্রিল-অক্টোবর সময়ে ভারত থেকে ১ হাজার ১৬১ কোটি ডলারের মূল্যবান রত্নপাথর ও জুয়েলারি রফতানি হয়েছে। করোনার কারণে এক বছরের ব্যবধানে এ খাত থেকে দেশটির রফতানি আয় কমেছে প্রায় ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

অর্থসংবাদ/এসএ/১৩:১৫/১১.১৯.২০২০

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।