নতুন জাতের লাউ উদ্ভাবন করেন ড.আমিনুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১১-১৮ ১৭:০৭:৪১, আপডেট: ২০২০-১১-১৮ ১৭:১১:১৯

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ড. এ. কে. এম. আমিনুল ইসলাম। ৬-৭ বছরের গবেষণা কার্য চালানোর মাধ্যমে ছোট আকারের স্মার্ট জাতের লাউ বিইউ লাউ-২ উদ্ভাবন করেছে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, জাতটির অঙ্গজ বৃদ্ধি কম হওয়ায় স্বল্প জায়গায় এমনকি ছাদ বাগানেও সহজে চাষ করা সম্ভব। তাছাড়া ফল ছোট আকারের হওয়ায় এক বেলার জন্য লাউ কেটে বাকিটা রেখে দিলেও স্বাদ ও গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। জাতটি দেশের সবজির চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, উচ্চ ফলনশীল এই জাতটি উন্মুক্ত পরাগায়িত। জাতটির গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল আগাম জাত হিসাবে জুলাই-আগষ্ট মাস থেকেই এর বীজ বপন করা যায়। দেশীয় লাউয়ের ন্যায় এ জাতটি হালকা সবুজ বর্ণের, গোলাকার, উপবৃত্তাকার, গিঁটে গিঁটে ফল ধরে, ফলের গড় ওজন দেড় থেকে দুই কেজি। এ জাতটি মাচা ছাড়া সমতল ভ’মিতে খড়-কুটা বিছিয়ে দিলেও গাছ ভালভাবে বিস্তার লাভ করে এবং ভাল ফলন দেয়। বীজ বপনের ৪০দিনের মধ্যে ফল ধরতে শুরু করে। এতে উৎপাদন বা চাষাবাদ খরচও কম পড়ে। একটি গাছ থেকে ১৫/২০টির মতো লাউ ধরে এবং তিন-চার মাস ফলন দেয়।

বিইউ লাউ-২ জাতটি বিদেশি মাতা লাউয়ের সঙ্গে দেশি পিতা লাউয়ের সঙ্করায়ণ পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে উদ্ভাবন করা হয়েছে। লাউয়ের জাতটি উদ্ভাবনে ৬-৭ বছর সময় লেগেছে বলেও উল্লেখ করেন এ গবেষক।

উল্লেখ্য যে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ বোর্ড কর্তৃক সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে জাতটি অবমুক্ত হয়েছে

অর্থসংবাদ/এসএ/১৭:০৮/১১:১৮:২০২০

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।