আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিরোধ মীমাংসায় সর্বোত্তম পন্থা :বিশেষজ্ঞরা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১১-১৬ ১৪:২১:৫০, আপডেট: ২০২০-১১-১৬ ১৪:২৪:১৯

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতি এলসি বা ঋণপত্রসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিরোধ মীমাংসার সর্বোত্তম পন্থা বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, এলসি থেকে উদ্ভূত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিরোধ সমাধানে যেসব বিষয় উঠে আসতে পারে, সেসবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রচলিত আদালত ব্যবস্থায় প্রতিকার চাওয়ার চেয়ে এডিআর পদ্ধতির অনুসরণ সহজতর, অর্থ ও সময় সাশ্রয়ী হতে পারে। গত শনিবার বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশাল আরবিট্রেশন সেন্টার (বিয়াক) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে এমনটি জানান আলোচকরা।

গত শনিবার বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টার (বিয়াক) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল ওয়েবিনারের এ বিষয়টি উঠে আসে। ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে ঋণপত্র (এলসি) বিষয়ক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক বিরোধ মীমাংসা’ শীর্ষক এ ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করেন দেশ-বিদেশের এডিআর বিশেষজ্ঞ, ব্যাংকার, আইনজীবী ও ব্যবসায়ীরা।

ওয়েবিনারে ডিসিসিআই সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শামস মাহমুদ ডিসিসিআইর সদস্য প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির বিদ্যমান সমস্যাগুলো তুলে ধরে কথা বলেন।

তিনি বলেন, এডিআর পদ্ধতি অনুসরণ করে এসব নিষ্পত্তি করা গেলে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির তথা দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে ডিসিসিআই ও বিয়াক একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দুপক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঋণচুক্তির অসামঞ্জস্যগুলো দূর করে বাস্তবমুখী ও জনকল্যাণমূলক করা হবে।

বিয়াকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ এ. (রুমি) আলী বলেন, গত প্রায় এক দশক ধরে দেশের একমাত্র নিবন্ধিত এডিআর প্রতিষ্ঠান হিসেবে এডিআর পদ্ধতির মাধ্যমে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিয়াক কাজ করে যাচ্ছে। সালিশি ও মধ্যস্থতা কার্যক্রম দ্বারা এসব বিরোধ নিষ্পত্তি দ্রুততর ও অর্থ সাশ্রয়ী হয়ে থাকে। এগুলো নিষ্পত্তিতে বিয়াক তার নিজস্ব বিধিমালা প্রয়োগে সাফল্য অর্জন করতে শুরু করেছে। ডিসিসিআইয়ের সঙ্গে কাজ করে ঋণচুক্তি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসার ইতিবাচক ফল অর্জন আরও সহজ হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) দুবাইয়ের পরিচালক ও আইসিসি ব্যাংকিং কমিশন প্যারিসের নির্বাহী বোর্ডের সদস্য ভিনসেন্ট ও ব্রায়ান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের গ্রুপ লিগ্যাল-বিষয়ক বিভাগের প্রধান ব্যারিস্টার শাফায়াত উল্লাহ, মিডল্যান্ড ব্যাংকের এমডি আহসান-উজ জামান, ডিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক ব্যারিস্টার সামির সাত্তার, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সিওও খালেদ আজিজ, ডিসিসিআইয়ের এসডিজি-২০২০ বিষয়ক বিশেষ কমিটির আহ্বায়ক এমএস সিদ্দিকী, ডিসিসিআইয়ের সদস্য ব্যারিস্টার শাহেদুল আজম, বিয়াকের কাউন্সেল রুবাইয়া এহসান কারিশমা এবং পরিচালক এমএ আকমল হোসেন আজাদ।

অর্থসংবাদ/এ এইচ আর

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।