বিসিএসের নন-ক্যাডার সুপারিশপ্রাপ্ত ৩৭ প্রার্থীকে আবেদনপত্র দেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১১-১৪ ১৪:৩৯:৩৪

৩৮তম বিসিএসের নন-ক্যাডার হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত ৫৪১ মধ্যে ৩৭ জন আবেদনপত্রের (অ্যাপ্লিকেন্ট কপি) জমা দেননি। ২০ নভেম্বরের মধ্যে তাঁদের এই কপি জমা দিতে বলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) নূর মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে যাঁরা নন-ক্যাডার আবেদনপত্রের (Applicant copy) জমা দেননি, তাঁদের ২০ নভেম্বরের মধ্যে নন-ক্যাডার আবেদনের (Applicant copy) দুই কপি কমিশনের শেরেবাংলা নগরের প্রধান কার্যালয়ে জমা দিতে পুনরায় অনুরোধ করা হলো।

এর আগে গত ২০ অক্টোবর ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলে উত্তীর্ণ হয়েও যাঁরা ক্যাডার পাননি, তাঁদের মধ্য থেকে ৫৪১ জনকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমাজসেবা কর্মকর্তা/সমমান পদে ১১১ জন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট পদে ৬২ জন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার পদে ৩৩ জন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী (পুর) পদে ৮৫ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক পদে ১৯ জনসহ ৫৩টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫৪১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পিএসসি।

৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি। চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যাঁরা ক্যাডার পান না, তাঁদের মধ্য থেকে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় ৩১তম বিসিএস থেকে। বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে (যাঁরা ক্যাডার পাননি) দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে ২০১৪ সালের ১৬ জুন নন-ক্যাডার পদের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে সরকার।

অর্থসংবাদ/এসএ

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।