ক্যাটাগরি: জাতীয়

কৈলাসটিলা-৮ কূপে গ্যাসের সন্ধান

সিলেটের কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ডের কৈলাসটিলা-৮ কূপ খনন করে গ্যাস পাওয়া গিয়েছে। মাটির ৩ হাজার ৪৩৮ থেকে ৩ হাজার ৪৪৭ মিটার গভীরতায় গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। এ কূপ থেকে প্রতিদিন ২১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস গ্রিডে যুক্ত হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে গ্যাদারিং পাইপলাইন নির্মাণ করে এ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল)।

শুক্রবার (২৪ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৈলাসটিলা-৮ কূপে নতুন গ্যাস স্তর হরাইজোন-৪ এ ৩ হাজার ৪৩৮ থেকে ৩ হাজার ৪৪৭ মিটার গভীরতায় এ গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। কূপটিতে ২৫ হাজার ৪০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ রয়েছে। নতুন কূপে পাওয়া গ্যাসের বাজার মূল্য ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের মূল্য ২২ টাকা ৮৭ হিসেব ধরে মজুদকৃত গ্যাসের বাজার মূল্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। তবে পুরো কৈলাসটিলা স্ট্রাকচারে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ রয়েছে ১ হাজার ৯০০ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)।

কৈলাসটিলা-৮ কূপ খননে বিজয় ১২ রিগ ব্যবহার করেন বাপেক্সের কর্মকর্তারা। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি এই কূপ খনন শুরু হয়। প্রায় সাড়ে চার মাস খনন শেষে কূপে গ্যাসের সন্ধান পেলো রাষ্ট্রয়াত্ত্ব কোম্পানিটি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগেই ১৯৬২ কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি আবিস্কৃত হয়। এরপর ১৯৮৩ সালে সেখান থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বর্তমানে সাতটি গ্যাসকূপ রয়েছে। বর্তমানে এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ২৮ মিলিয়ন ঘনফুট হ্যারে গ্যাস উত্তোলন করছে পেট্রোবাংলা।

শেয়ার করুন:-
শেয়ার