ক্যাটাগরি: কর্পোরেট সংবাদ

গ্রাহকদের সুবিধার্থে মাইজিপি অ্যাপেই খোলা যাচ্ছে বিকাশ অ্যাকাউন্ট

গ্রামীণফোন গ্রাহকরা এখন মাইজিপি অ্যাপ থেকেই সহজে ও নির্বিঘ্নে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারছেন। এলক্ষ্যে, দেশের স্মার্ট কানেক্টিভিটি প্রোভাইডার গ্রামীণফোন পার্টনারশিপ করেছে দেশের বৃহত্তম মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ-এর সাথে।

সহজেই অ্যাকাউন্ট খোলার এই সুবিধা গ্রাহককে আরও সক্ষমতা এবং নির্বিঘ্নে সেবা গ্রহণের অভিজ্ঞতা দিবে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এধরনের একটি সেবা নিয়ে আসার মাধ্যমে গ্রামীণফোন ও বিকাশ নিজ নিজ খাতে তাদের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার প্রমাণ রাখলো।

মাইজিপি অ্যাপের ‘সার্ভিস’ সেকশনে এখন থেকে ‘বিকাশ রেজিস্ট্রেশন’ পেজ নামে একটি ডেডিকেটেড আইকন থাকবে, যেখানে গ্রাহকরা মাত্র এক ক্লিকেই বিকাশ-এর গ্রাহক নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। কিছু ভেরিফিকেশন ও সম্মতির পর গ্রাহকের জন্য বিকাশ নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে ই-কেওয়াইসি (ইলেকট্রনিক নো ইওর কাস্টমার) প্রক্রিয়াটি পূরণ করতে হবে। এভাবেই সহজ ও ঝামেলামুক্ত এই পদ্ধতিতে গ্রাহক মুহূর্তেই বিকাশ-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। প্রাথমিকভাবে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

মাইজিপি অ্যাপে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে নতুন গ্রাহকরা ১২৫ টাকা পর্যন্ত বোনাস পাবেন। এই প্রণোদনা গ্রাহকদের বিকাশ প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন ফিচার ও সেবা ব্যবহারে আরও উত্সাহিত করবে।

এই পার্টনারশিপ নিয়ে উৎসাহ প্রকাশ করে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, গ্রামীণফোনের সব উদ্যোগের কেন্দ্রে থাকেন গ্রাহকরা। আমরা প্রতিনিয়ত তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো সমাধান ও উদ্ভাবনী সেবা নিয়ে আসার চেষ্টা করি যা তাদের সক্ষমতা, সুবিধা ও অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করছে। বিকাশ-এর সাথে আমাদের এই যৌথ যাত্রা এই গ্রাহক-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন যা, আমাদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অভিযাত্রায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং
ডিজিটাল সক্ষমতার আরও প্রসার ঘটাবে।

একই অনুভূতি প্রকাশ করে বিকাশ-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, বিকাশ-এর শুরু থেকেই এর ডিএনএ-তে রয়েছে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা। গ্রামীণফোন ও বিকাশ-এর এই যৌথ উদ্ভাবনী উদ্যোগ বিভিন্ন আর্থিক সেবার ব্যবহার বাড়িয়ে ডিজিটাল ইকোসিস্টেমকে আরও সমৃদ্ধ করবে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের ক্যাশলেস অভিযাত্রায় এই সক্ষমতা গ্রাহকের জন্য আরও সুযোগ এনে দেবে।

শেয়ার করুন:-
শেয়ার