Connect with us

অর্থনীতি

বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ ছুঁয়েছে ৪০ বিলিয়ন ডলার

Published

on

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছে। টানা রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ে চলা এই রিজার্ভ বৃহস্পতিবার ৪০ বিলিয়ন ডলার বা ৪ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। গেল বুধবার যা ছিল ৩ হাজার ৯৭৮ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র বলছে, বিভিন্ন দেশে থেকে প্রবাসীদের পাঠানো প্রচুর পরিমাণ রেমিটেন্স, রফতানি আয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঋণ আসার ফলে বাংলাদেশের রিজার্ভ এখন ৪০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী সাইদুর রহমান বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য- সরকারের প্রণোদনা ঘোষণায় বৈধপথে প্রচুর পরিমাণ প্রবাসীদের রেমিটেন্স আসা, আমদানি ব্যয়ের চাপ কম থাকা, দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক, এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি, আইএমএফ ও জাইকার বৈদেশিক ঋণ সহায়তা এবং বিশ্ব সংস্থার অনুদানের কারণে রিজার্ভ বেড়েছে।

Nogod-22-10-2022

এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৩৯.৪০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে রেমিটেন্সে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ৬৭১ কোটি ৩১ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৮.৫৭ শতাংশ বেশি। প্রবাসীরা গত সেপ্টেম্বর মাসে ২১৫ কোটি ১০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিটেন্স।

এর আগে প্রবাসীরা গত জুলাইয়ে ২৬০ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন দেশে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে এক মাসে এত রেমিটেন্স কখনো আসেনি। এর আগে এক মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছিল গত জুনে। ওই মাসে ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছিল।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ অর্থপাচার কি না অনুসন্ধানের নির্দেশ

Published

on

ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপসহ পৃথক চারটি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার ঘটনায় অর্থপাচার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে দুদক ও বিএফআইইউ সংশ্লিষ্টদের অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

অনুসন্ধান শেষে চার মাসের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়া জন্য বলা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ লোপাটের ঘটনায় কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। একই সঙ্গে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

Nogod-22-10-2022

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

আরও বেড়েছে চালের দাম

Published

on

এক সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন করে বেড়েছে মোটা চালসহ প্রায় সব ধরনের চালের দাম। মোটা চাল ন্যূনতম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২ টাকা। আর মাঝারি ও চিকন চালের দাম বেড়েছে ২-৫ টাকা পর্যন্ত।

অন্যদিকে বাজারে কমেছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। কিছুটা কমতি সবজির দামও। তেল, চিনি, আটা, ডাল ও অন্যান্য মুদি উপকরণের দাম আগের মতোই রয়েছে।

বাজারে মোটা পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৬০ টাকা। মাঝারি মানের মিনিকেট ৭০-৭২ টাকা ও সরু নাজির চাল ৭৫-৮৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এরমধ্যে পাইজাম চালের দাম বেড়েছে ২ টাকা, মিনিকেট ২ টাকা ও ভালো মানের নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে ৫ টাকা। চিকন চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে ৬৮ টাকা, মাঝারি বা পাইজাম চাল ২ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা এবং মোটা চাল কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বাজারে গত এক মাসে তিন দফা বেড়ে আটার দাম প্রতি কেজি ৭৫ টাকায় ঠেকেছে। বাজারে দুই কেজি ওজনের প্যাকেটজাত আটা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। খোলা আটা নিলে পাওয়া যাচ্ছে ৫-১০ টাকা কমে।

Nogod-22-10-2022

অন্যদিকে বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে দুই সপ্তাহ আগে বেড়ে যাওয়া তেল ও চিনির দাম। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯০ টাকা এবং চিনির দাম ১০৭ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। তবে চিনি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা আর ১৯০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে তেল-চিনি।

এতসব বাড়তির মধ্যে শুধু কমেছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম। পাইকারিতে প্রতি ডজন বাদামি রঙের ডিমের দাম ১১০ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীরা হালিপ্রতি ডিমের দাম রাখছেন এখন ৪০ টাকা। এতে প্রতি ডজনের দাম দাঁড়ায় ১২০ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে কমেছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।

অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগি এখন প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এর প্রভাবে কিছুটা কমেছে সোনালি মুরগির দামও। কেজিপ্রতি সোনালি মুরগির দাম পড়ছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা। যা গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২০ টাকা কম।

এছাড়া বাজারে শীতকালীন সবজি প্রচুর থাকলেও সে অনুযায়ী দাম কমেনি।

খুচরা বাজারে পেঁপে ৩০ আর মুলা ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। শীতকালীন অন্যান্য সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় কেনাবেচা চলছে। কিছু সবজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হচ্ছে, যেগুলো গ্রীষ্মের। এরমধ্যে শিম, পটলের তুলনায় অন্য সবজির দাম বেশি। পাকা বা আমদানি করা টমেটোর কেজি ১১০ থেকে ১২০, গাজর ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

পোশাক রপ্তানিতে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ

Published

on

পোশাক রপ্তানির বাজারে ফের দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ২০২০ সালে বাংলাদেশকে সরিয়ে দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নেয় ভিয়েতনাম।  এবার তাদের সরিয়ে আবারও দ্বিতীয় অবস্থানে জায়গা করে নেয় লাল-সবুজের দেশটি।

বুধবার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) প্রকাশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা-২০২২ এ দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে ভিয়েতনামের অংশ ২০২০ সালের ৬.৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫.৮০ শতাংশে নেমে গেছে।

বৈশ্বিক আরএমজি বাজারে বাংলাদেশের অংশ অবশ্য ২০২০ সালে ৬.৩০ শতাংশ থেকে গত বছর ৬.৪০ শতাংশে উন্নীত হয়। এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬.৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬.৪০ শতাংশ।

ডব্লিউটিওর পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে আরএমজি রপ্তানি দৃঢ়ভাবে বেড়েছে এবং বার্ষিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে। ২০২০ সালে, এই রপ্তানি একটি বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল এবং ভিয়েতনামের আরএমজি রপ্তানির ৭ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

Nogod-22-10-2022

বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে ২০১০ সালে বাংলাদেশের অংশ ছিল ৪.২০ শতাংশ, তখন ভিয়েতনামের অংশ ছিল ২.৯০ শতাংশ।
চীন ২০২০ সালে বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে দেশটির অংশ ৩১.৬০ শতাংশ থেকে গত বছরে ৩২.৮০ শতাংশে উন্নীত করে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে।

ডব্লিউটিওর প্রকাশনা অনুসারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরএমজির দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব রপ্তানিকারক। সুতরাং, প্রযুক্তিগতভাবে, বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম বিশ্ব আরএমজি রপ্তানিকারক দেশ এবং ভিয়েতনাম চতুর্থ।

ইইউ-এর সম্মিলিত রপ্তানি পরিসংখ্যান দেশভিত্তিক আলাদা করা হলে, বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনাম দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক হবে। তুরস্ক ও ভারত পঞ্চম এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এরপরে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং পাকিস্তান।

ডব্লিউটিওর পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, শীর্ষ ১০ পোশাক রপ্তানিকারকের বার্ষিক মোট রপ্তানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৬০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালের ৩৭৮ বিলিয়ন থেকে একটি বড় উত্থান। এ মূল্য ২০১৯ সালে ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেকর্ড করা হয়েছিল।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

তিন ব্যাংকের আর্থিক অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক

Published

on

দেশের বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক অনিয়ম খতিয়ে দেখতে কাজ শুরু করে দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ইসলামী ব্যাংক থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা লেনদেনে অর্থ পাচার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে দুদক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) তদন্ত চেয়ে চিঠি দিয়েছেন পাঁচজন আইনজীবী। এ বিষয়ে দুদকের সচিব বলেন, ‘চিঠি আমার হাতে এখনো এসে পৌঁছায়নি। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংবাদটি পাওয়ার পরে যাতে অনুসন্ধান শুরু করা যায় সেই লক্ষ্যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার কাজ ইতিমধ্যে আমরা শুরু করে দিয়েছি। তথ্য-উপাত্ত আমাদের হাতে আসলে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হবে। আপাতত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে ঋণ দেওয়ায় ব্যাংকগুলোর অনিয়মের খবর উঠে আসে। নানা উপায়ে ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ বের করে নেওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ও বাকি অর্থ সোশ্যাল ইসলামী এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে বের করে নেওয়া হয়। আর যেসব প্রতিষ্ঠানের নামে এসব ঋণ বের করা হয় তার মধ্যে বেশ কয়েকটিই ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে ঋণ নিয়েছে। যেগুলো মূলত নামসর্বস্ব কোম্পানি। এ রকম নামসর্বস্ব দুই কোম্পানির নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে বের করে নেওয়া হয় দুই হাজার কোটি টাকা।

Nogod-22-10-2022

অন্যদিকে, ভুয়া ঠিকানা ও কাগুজে কোম্পানি খুলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়া ও এস আলম গ্রুপের ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার ঘটনায় রিট করার পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

শিগগিরই বিশ্বব্যাংক থেকে ১০ মিলিয়ন ডলার পাচ্ছে বিএসইসি

Published

on

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে শিগগিরই ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ডলার অর্থ পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) একটি অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের বিষয়ে কথা বলেন তিনি। এর প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) বিষয়টি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি অর্থসংবাদকে বলেন, বিএসইসি, সিডিবিএল, ডিএসই এবং সিএসইর মধ্যে আন্ত:সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন প্রকল্পের আওতায় ৮-১০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক। খুব শিগগিরই এ অর্থ পাওয়া যাবে।

এর আগে গতকাল (বুধবার) ডিএসই ট্রেনিং একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপণী দিনে বিএসইসি কমিশনার বলেন, অনেক সময় অডিটরদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷ এই জিনিসগুলো পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে৷ আইপিও প্রসেসটাকে ডিজিটালাইজড করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এজন্য বিএসইসি বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকে ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের চেষ্টা করছে। এজন্য সরকারের ইতিবাচক সম্মতি পাওয়া গিয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ফান্ডটি পাওয়া যাবে। বিএসইসি সে ফান্ড নিয়ে পুরো আইপিও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করবে৷

শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, কোম্পানির পরিচালকদের অন্য কোন কোম্পানি রয়েছে কিনা এবং সে কোম্পানিগুলোকে তারা কিভাবে পরিচালিত করছে। এছাড়াও ইএসজি রিপোর্টিং এর মতো নতুন নতুন নিদেশিকা ও মূল্যায়ন তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কমিশন ডকুমেন্ট কেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। এই ডকুমেন্ট তৈরিতে কমিশনের কোন হাত নেই। কমিশন অডিটরদের অডিট রিপোর্টকে পর্যাপ্ত ধরে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

Nogod-22-10-2022

তিনি আরও বলেন, কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো আইপিওর দালিলিক প্রমাণের দিকে খেয়াল রাখা। আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কমিশন ৪টি বিষয় খেয়াল রাখে। প্রথমটি হলো-ইস্যুয়ার প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা কেমন ও তাদের মানসিকতা কী। দ্বিতীয়টি হলো-যে সকল বিনিয়োগকারী আইপিওতে বিনিয়োগ করেছে, তাদের বিভিন্ন বিষয় জানা। তৃতীয়টি হলো-কোম্পানিটি কোনো রেগুলেটরি ক্রাইসিস তৈরি করবে কিনা সেটি লক্ষ রাখা এবং চতুর্থটি হলো-যে সকল প্রতিষ্ঠান দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেতে পারে, এমন প্রতিষ্ঠান তালিকাভূক্ত না করা।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ