আজারবাইজান-আর্মেনিয়া যুদ্ধ: প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১০-০৫ ১৪:৩৮:২৭

আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়ার লড়াইয়ে ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক শহর। প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। রেডক্রস থেকে জাতিসংঘ, সকলেই অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের আবেদন জানালেও, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের সরকার কোনভাবেই তাতে রাজি নয়।

আজারবাইজানের প্রশাসন জানিয়েছে, ককেশাস পর্বতের দক্ষিণে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর গ্যাঞ্জা আর্মেনিয়ার শেলিংয়ে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এই নিয়ে আজারবাইজানের দ্বিতীয় শহর আর্মেনিয়ার বোমা ও গোলাবর্ষণে বিধ্বস্ত হলো। এরিমধ্যে ২৩০ জনের বেশি প্রাণ হারিয়েছেন৷

রোববার আজারবাইজান তাদের দ্বিতীয় বৃহৎ শহর গ্যাঞ্জেতে আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে৷ পাশপাশি নাগর্নো-কারাবাখ এর সীমান্তবর্তী তাদের আরো দুটি শহরে গোলা বর্ষণের অভিযোগ করেছেন আজেরি প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷ এতে দুই দেশের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ দিকে মোড় নেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷

আজারবাইজানের এই দাবি অস্বীকার করেছে আর্মেনিয়া৷ তবে নাগর্নো-কারাবাখে তাদের সমর্থিত আর্মেনিয়ানদের প্রধান আরাইক হারুতিউনইয়ান গ্যাঞ্জেতে একটি বিমান ঘাঁটিতে হামলার কথা স্বীকার করেছেন৷ আজারবাইজানের সামরিক বাহিনী নাগর্নো-কারাবাখ এর প্রধান শহর স্টেপানকিয়ার্টে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালিয়েছে বলে পালটা অভিযোগ করেন তিনি৷

এর আগে বিতর্কিত অঞ্চলটির একটি শহর ও সাতটি গ্রাম দখলে নেওয়ার দাবি করে আজারবাইজন৷ অন্যদিকে নাগর্নো-কারাবাখে বসবাসরত আর্মেনিয়দের সুরক্ষায় সব ধরনের উপায় ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে আর্মেনিয়া৷ আজারবাইজানের তিনটি বিমান ভূপাতিত করার দাবিও করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সুশান স্টেপানিয়ান, যদিও এই তথ্য অস্বীকার করেছে বাকু৷

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।