Connect with us

অর্থনীতি

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহায়তার অঙ্গীকার নরওয়ের

Published

on

শেয়ারবাজার

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সহায়তা করার জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে নরওয়ে। সোমবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীতে একটি সেমিনারে এমন অঙ্গীকারের কথা ব্যক্ত করে নরওয়ে। বাংলাদেশে জলবায়ু বিনিয়োগ তহবিলের (সিআইএফ) যাত্রা শুরু করার লক্ষ্যে ঢাকাস্থ নরওয়েজিয়ান দূতাবাস, নরফান্ড এবং দ্যা নর্ডিক চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন বাংলাদেশ (এনসিসিআই) এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বর্ধিত বিনিয়োগ, গ্রিন এনার্জিতে বিনিয়োগের সুবিধার জন্য সহায়ক নীতির উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির আর্থিক বাধাগুলো অপসারণের বিষয় আলোচিত হয়।

এছাড়া এক্ষেত্রে অর্থায়ন ত্বরান্বিত করার জন্য প্রযুক্তিগত ও অন্যান্য সহায়তার জন্য উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতাসহ বাংলাদেশের গ্রিন এনার্জি উত্তরণের ওপর আলোকপাত করা হয়।

এসময় নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিক্টার-সেভেন্ডসেন বলেন, পুঁজির অ্যাক্সেস নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তি শিল্পের বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্ভরযোগ্য ও অভিজ্ঞ আর্থিক অংশীদার নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ও উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।

রাষ্ট্রদূত প্রতিবন্ধকতাগুলো অপসারণ, শাসন ও স্বচ্ছতা, সু-নিয়ন্ত্রিত বাজার, স্মার্ট ইনসেন্টিভ বাস্তবায়ন ও সঠিক ধরনের বিনিয়োগের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য একটি গতিশীল ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ দূত সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে দেশটি তার মোট দেশজ উৎপাদনের দুই পার্সেন্ট হারাতে চলেছে। বাংলাদেশের শুধু জলবায়ু প্রভাব মোকাবিলায় বিনিয়োগের প্রয়োজনই নয়, জ্ঞান ও সক্ষমতা তৈরিতে প্রযুক্তিগত সহায়তাও প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে নরফান্ডের ক্লাইমেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড একটি বড় সহায়ক হতে পারে।

এনসিসিআই-এর সভাপতি তাহরিন আমান বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত একটি গভীর পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে, যা ঐতিহ্যগত জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসে স্থানান্তরিত হচ্ছে৷ এই পরিবর্তন কেবল আমাদের জ্বালানি শক্তির উৎসের পরিবর্তন নয়; এটি একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য আমাদের সংকল্পের প্রমাণ।

তিনি বলেন, মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা সবুজ, সমৃদ্ধ এবং টেকসই ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের দেশের অবিচল
অঙ্গীকার প্রতিফলিত করে। বছরের পর বছর ধরে, এনজিও, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন অংশীজনরা গ্রিন এনার্জির এজেন্ডাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তাদের গভীর একনিষ্ঠতা, আবেগ ও সম্মিলিত দৃষ্টি আমাদের গ্রিন এনার্জিতে উত্তরণের পেছনে চালিকা শক্তি।

প্রসঙ্গত, নরফান্ড দ্বারা পরিচালিত ক্লাইমেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (সিআইএফ) বৈশ্বিক জ্বালানি সংরক্ষণে নরওয়ের একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। ২০২২ থেকে ২০২৭ সালের জন্য সিআইএফ ১০ বিলিয়ন নরওয়েজিয়ান ক্রোনার বরাদ্দ করেছে, যেন উন্নয়নশীল দেশগুলি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং স্বল্প-কার্বন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করে কয়লা এবং অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানি শক্তি থেকে কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনতে পারে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

রপ্তানি বন্ধের খবরে বাড়লো পেঁয়াজের দাম

Published

on

শেয়ারবাজার

২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ভারত— এমন খবর গণমাধ্যমে আসতে না আসতেই দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দেওয়া এক আদেশে রপ্তানি বন্ধের খবর জানায় ভারত। তবে এই সিদ্ধান্ত আসার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই এক লাফে কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে পেঁয়াজের।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাড্ডা এলাকার বাজার ঘুরে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির খবর জানা গেছে।

জানা গেছে, শুক্রবার সকালেই রাজধানীর বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকা কেজি পর্যন্ত, যা গত সপ্তাহেও ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি।

এছাড়াও পাবনার দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৩০ টাকা করে। তবে সন্ধ্যার পরই পাল্টে যায় পেঁয়াজের বাজারের দৃশ্যপট। বর্তমানে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা করে এবং দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি করে।

মূলত দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে ভারত সরকার আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করার খবর সন্ধ্যার মধ্যেই পৌঁছে যায় সাধারণ ব্যবসায়ীদের কানে। এরপরই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেন তারা।

ভারতের রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা খবর পেয়ে পেঁয়াজ কিনতে বাজারে আসেন মধ্য বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টে বসবাসকারী মওদুদ আহমেদ। দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সন্ধ্যার দিকেই দেখেছি ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে, তখনই বুঝতে পারলাম দেশেও দাম বেড়ে যাবে। তাই দ্রুত বাজারে চলে আসলাম, কিন্তু এসে দেখি আমি আসার আগেই দাম বেড়ে গেছে। ভারতীয় পেঁয়াজ দুইদিন আগেও ১০০ টাকা কেজি কিনেছি, আজ কিনতে হয়েছে ১৫০ টাকা করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর ব্যাপারে খুবই দক্ষ। কোন একটা ঘোষণা আসার আগেই অটোমেটিক দাম বেড়ে যায়। ভারত আজ ঘোষণা দিয়েছে, তাই বলে আজই দাম বাড়িয়ে ফেলতে হবে?

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে মো. মানিক নামে এক বিক্রেতা বলেন, ভারত থেকে বেশি দামেই পেঁয়াজ আনতে হচ্ছে। যার কারণে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেশি। আজ আবার শুনেছি ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করেছে, তাহলে তো পেঁয়াজের বাজারে আরও অস্থিরতা তৈরি হবে।

দেশি পেঁয়াজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশি পেঁয়াজের সিজন শেষ, যে কারণে দামটা একটু বেশি। তবে আগামী ১৫ দিন পরই বাজারে নতুন পেঁয়াজ চলে আসবে, আশা করি দেশিটার দাম তখন কমে যাবে।

বিক্রেতা রাকিব মিয়া বলেন, গত দুই দিনের বৃষ্টিতে কৃষকের পেঁয়াজ নষ্ট হয়েছে৷ যার কারণে নতুন পেঁয়াজ এলেও দাম তেমন একটা কমবে না। এছাড়া বাজারে সব জিনিসেরই তো দাম বেশি। পেঁয়াজের দাম কমবে কী করে?

উল্লেখ্য, শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দেওয়া এক আদেশে, ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ভারত। মূলত দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে ভারত সরকার আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করার এ পদক্ষেপ নেয়।

এক বিজ্ঞপ্তিতে ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) জানায়, পেঁয়াজের রপ্তানি নীতি ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে, তবে তা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অনুরোধের পর কেন্দ্রীয় সরকার থেকে দেওয়া প্রদত্ত অনুমতির ভিত্তিতে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

গ্লোবাল ইকোনমিক ফোরামে সালমান এফ রহমানের অংশগ্রহণ

Published

on

শেয়ারবাজার

ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল ইকোনমিক পলিসি ফোরামে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। দুদিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ে বিদ্যমান নানামুখী সংকটের মধ্যে বিশ্বব্যাপী সমৃদ্ধির কৌশল নির্ধারণের প্রতিপাদ্য তুলে ধরা হয়।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (৭ ও ৮ ডিসেম্বর) ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীণ অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগ এবং কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) যৌথ উদ্যোগে এই ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়।

ফোরামটির সভাপতিত্ব করেন ভারতের অর্থমন্ত্রী শ্রীমতি নির্মলা সীতারমন। ফোরামে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিশেষজ্ঞ প্যানেল সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ কীভাবে দ্রুত অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক সমৃদ্ধি অর্জন করেছে সে বিষয়ে আলোচনার জন্য সালমান এফ রহমান এমপিকে ফোরামে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তিনি ‘বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন যাত্রা থেকে অনুপ্রেরণা’ শীর্ষক সেশনে ভাষণ দেন।

বিগত দেড় দশকে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশসমূহ কী ধরণের উন্নয়ন পরিকল্পনা করতে পারে, সে সম্পর্কে আলোচনা ছিল সেশনের প্রধান উদ্দেশ্য। সালমান এফ রহমান সেশন সঞ্চালক ও অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

বাংলাদেশকে ৪০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি

Published

on

এডিবির সঙ্গে বাংলাদেশের শত কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ৪০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রতি ডলার ১০৯ টাকা ৮৩ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় ঋণের পরিমাণ ৪ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা।

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বছরে ক্ষতি হয় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) এডিবির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (২০২৩-২০৫০) বাস্তবায়ন ও জলবায়ু কেন্দ্রিক অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন অর্জনে এই ঋণ অবদান রাখবে।

এডিবি জানায়, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি, বার্ষিক গড় ক্ষতি প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। এই ঋণের অর্থে জলবায়ু-টেকসই অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন কর্মসূচির প্রথম উপ-প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করা হবে। যা বাংলাদেশকে জলবায়ু মোকাবিলায় শক্তিশালী করতে, কম কার্বন অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে সহায়তা করবে। গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করতে এবং মূলধারায় লিঙ্গ সমতা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তা করবে।

সংস্থাটির প্রিন্সিপাল পাবলিক ম্যানেজমেন্ট ইকোনমিস্ট আমিনুর রহমান জানান, জলবায়ু ধাক্কা বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। বাংলাদেশ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এডিবিও বাংলাদেশের এই প্রচেষ্টায় সহায়তা করতে প্রস্তুত।

এই কর্মসূচি জলবায়ু অর্থায়নকে একত্রিত করার জন্য একটি সক্ষম প্রাতিষ্ঠানিক এবং নীতিগত পরিবেশ তৈরি করবে। যা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এজেন্ডায় জলবায়ু কর্মকে অগ্রাধিকার দেবে। সরকারকে কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবহন ও অবকাঠামো, নগর উন্নয়নসহ জলবায়ু-সমালোচনামূলক খাতে সংস্কার বাস্তবায়নে সহায়তা করবে এই প্রকল্প।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে অস্বস্তি

Published

on

বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে অস্বস্তি

দেশব্যাপী ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’এর প্রভাবে চলা বৃষ্টিতে সবজির দামে আঁচড় কেটেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় নানান সবজিতে দাম বেড়েছে কয়েক শতাংশ। তাতে বিক্রেতাদের ‘বেপরোয়া’ আচরণের মাঝে প্রয়োজনীয় বাজার করে ঘরে ফিরেছে সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাড্ডা, রামপুরা এলাকার বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজি কম, তাই বেশি দামেই আমাদের কিনে আনতে হয়েছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, বাজারে শসা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, যেখানে দুইদিন আগেও ছিল ৪০ টাকা কেজি। বেগুনও বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৫০-৬০ টাকায়। এদিকে শীতের সময়ে সবচেয়ে কমদামে থাকার কথা যেই সবজির, সেই ফুলকপি-বাঁধাকপিও বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা করে।

এছাড়াও বাজারে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা, সিম ৫০ টাকা, মুলা ২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১২০ কেজি। দুইদিন আগেও এই কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি।

আজকের বাজারে অন্যান্য দিনের তুলনায় শাকের উপস্থিতিও কম দেখা গেছে, ফলেও দামও তুলনামূলক কিছুটা বেশি। এক আঁটি লালশাক বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে, যা অন্যান্য সময়ে ১০-১৫ টাকা করেই পাওয়া যায়। এছাড়া লাউশাক ৫০ টাকা, পালংশাক ২০ টাকা, মুলাশাক ১৫ টাকা আঁটি করে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা মো. কবির হোসেন বলেন, বৃষ্টিতে আমাদেরও সবজি নষ্ট হয়, তাই সব ব্যবসায়ীরাই কম কম কিনে। আবার পাইকারি বাজারেও যে সবজি খুব বেশি তা না। বৃষ্টির কারণে ঢাকায় সবজি ঢুকেই কম। যে কারণে বাধ্য হয়েই দামটা একটু বাড়িয়ে রাখতে হয়।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

শেয়ারবাজার-বন্ডে গোলাপের বিনিয়োগ দেড় কোটি টাকা

Published

on

শেয়ারবাজার

মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুস সোবহান মিয়া। নিজ এলাকায় তিনি গোলাপ নামে পরিচিত। এমপি হওয়ার পর তার নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ। কিনেছেন কোটি টাকার গাড়িও। ২০২৩ সালে তার বন্ড, ঋণপত্র, স্টক একচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকা ভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার রয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬৯২ টাকার।

এদিকে গোলাপের চেয়ে ১২ গুণ বেশি নগদ অর্থ রয়েছে তার স্ত্রী গুলশান আরার।

মাদারীপুর জেলার মাদারীপুর সদরের একাংশ, কালকিনি ও ডাসার উপজেলা নিয়ে গঠিত মাদারীপুর-৩ আসন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রথম এমপি হন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপ। নির্বাচনী হলফনামায় তিনি ও তার স্ত্রীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণী পেশ করেছেন। তাতে দেখা গেছে, নিজের তুলনায় তার স্ত্রীর নগদ অর্থ ১২ গুণ বেশি রয়েছে। এমপি হওয়ার পর গোলাপ কিনেছেন কোটি টাকার গাড়ি। এমপি হওয়ার আগে তার কোনো গাড়ি ছিল না।

নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে তার নিজের নামে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৫১ লাখ ৯ হাজার ৬৯০ টাকা। বর্তমানে তার জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ৯৩১ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। আবদুস সোবহান গোলাপের নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়েছে ৪ দশমিক ৩১ গুণ।

২০১৮ সালের নির্বাচনী হলফনামায় তার পেশা ব্যবসা ও রাজনীতি উল্লেখ করলেও ২০২৩ সালের নির্বাচনী হলফনামায় তার বর্তমান পেশা উল্লেখ করেছেন রাজনীতি। ২০১৮ সালে তার নগদ টাকা ছিল ৭৯ লাখ ৬৫ হাজার ২৬৬ টাকা এবং স্ত্রীর গুলশান আরার নামে ছিল ১ কোটি ১১ লাখ ১৪ হাজার ১৩১ টাকা। ২০২৩ সালে তার নগদ টাকা কমেছে। বর্তমানে তার নগদ টাকার পরিমাণ ১৫ লাখ ২৮ হাজার ৬১৪। তবে স্ত্রীর টাকা বেড়েছে। তার স্ত্রীর নামে নগদ টাকা রয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৬৫ হাজার ১৩ টাকা। ২০১৮ সালের হলফনামা মোতাবেক তার স্ত্রীর কাছে ৯৮ হাজার ১১৮ ইউএস ডলার থাকলেও চলতি বছরে তার কাছে কোনো বৈদেশিক মুদ্রা নেই বলে জানা গেছে। তবে আবদুস সোবহানা মিয়া গোলাপের আগের হলফনামা মোতাবেক আগে কোনো গাড়ি না থাকলেও বর্তমানে তার একটি টয়োটা হ্যারিয়ার জিপ রয়েছে। যার বাজার মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯০ লাখ ৬৪ হাজার ২৪৭ টাকা।

গোলাপ ও তার স্ত্রী গুলশান আরার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমার পরিমাণও বেড়েছে। ২০১৮ সালে তার নিজের নামে জমা ছিল ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৫১ লাখ ৯ হাজার ৬৯০ টাকা। বর্তমানে তার জমা অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ৯৩১ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। অপরদিকে তার নামে ২০১৮ সালে বন্ড, ঋণপত্র, স্টক একচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকা ভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার ছিল ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬৯ হাজার ৩৭২ টাকার এবং স্ত্রীর নামে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকার।

২০২৩ সালে রয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬৯২ টাকার এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকার। এছাড়া মিরপুর এবং উত্তরাতে তার দুটি ভবন রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থসংবাদ/কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

December 2023
S M T W T F S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31