মাস্ক বিপণনে প্রেরণা-স্বপ্নের চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১০-০৩ ১৪:৫১:১০

সুপারশপ ‘স্বপ্ন’ বিক্রি করবে প্রেরণা ফাউন্ডেশনের ‘আমরা শিখি, আমরা পারি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সমাজের বিশেষ সক্ষম ব্যক্তিদের প্রস্তুতকৃত উন্নতমানের ফেস-মাস্ক । সম্প্রতি রাজধানীর মহাখালীতে প্রেরণা ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে দেশের অন্যতম চেইনশপ ‘স্বপ্ন’-এর সঙ্গে এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি সম্পন্ন করে ফাউন্ডেশনটি।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অটিজম অ্যান্ড এনডিডি সেলের প্রধান সমন্বয়কারী ড. এ. এম পারভেজ রহিম, দৈনিক সমকালের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, প্রেরণা ফাউন্ডেশনের গভর্নিং বডির পরিচালক মুবিনা আসাফ, পিএফডিএ ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাজিদা রহমান ড্যানি, এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেডের বিজনেস হেড অব কমোডিটি অ্যান্ড জিএম খালিদ হুসাইন, প্রেরণা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ারুল আমিন, পার্টনারশিপস অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স ম্যানেজার তাসনিম তৈয়বসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এসিআই লজিস্টিক লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির অনুষ্ঠানটিতে অনলাইনে যোগ দেন।

প্রেরণা ফাউন্ডেশন ও পিএফডিএ-ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত একটি প্রকল্প ‘আমরা শিখি, আমরা পারি’। করোনাকালে দেশের অসংখ্য সাধারণ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়ে জীবন ও জীবিকার সংকটে পড়েছেন, এবং বহু বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিও এর অন্তর্ভুক্ত আছেন। এই প্রকল্পের আওতায় পিছিয়ে পড়া এমন কিছু মানুষকে প্রেরণা ফাউন্ডেশন ও পিএফডিএ-ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার যৌথ উদ্যোগে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে, যার ভিত্তিতে তারা উন্নত মানের মাস্ক তৈরি করে সর্বসাধারণের স্বাস্থ্যসুরক্ষা উপকরণ সরবরাহের মহৎ দায়িত্বে অংশ নিতে সক্ষম হয়েছেন।

তাদের তৈরি মাস্কগুলো ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ও বাংলাদেশের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সকল স্বাস্থ্যসুরক্ষা শর্ত পূরণ করে বানানো হয়েছে। সমাজের চিরায়ত দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টে দিয়ে নিপুণতার সঙ্গে এই বিশেষ-মেধার অধিকারীরা যে সার্জিক্যাল ও ফ্যাব্রিক মাস্ক তৈরি করছেন, সেগুলো বিভিন্ন আকর্ষণীয় ডিজাইনে ২২০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত খুচরা মূল্যে পাওয়া যাবে স্বপ্ন’র আউটলেটগুলোতে। মাস্কগুলো ধোয়া যাবে এবং নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে সর্বোচ্চ ২০ বার পর্যন্ত।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রেরণা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ারুল আমিন বলেন, ‘করোনাকালে আমাদের চারপাশে অসংখ্য মানুষ তাদের আয়-উপার্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর শঙ্কায় ডুবে আছেন। আমরা প্রেরণা ফাউন্ডেশন থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এই কঠিন সময়ে সমাজের গতানুগতিক ধারার চেয়ে একটু পিছিয়ে থাকা মানুষদেরকে নিয়ে কাজ করতে, তাদের কর্মদক্ষতা বাড়িয়ে অর্থসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের এসডিজি লক্ষ্যমাত্রাকেও আমরা এই প্রকল্পে বিবেচনায় রেখেছি। ‘স্বপ্ন’কে অশেষ ধন্যবাদ, বিশেষভাবে সক্ষম মানুষগুলোকে তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু যথাযথভাবে প্রদান করার জন্য।’

স্বপ্নের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, ‘স্বপ্নই দেশের প্রথম রিটেইল চেইনশপ যারা আউটলেটে বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে। তাই তাদের নিজ হাতে প্রস্তুতকৃত ফেস মাস্ক বিক্রি করার বিষয়ে আমরা সবসময়ই পাশে আছি এবং থাকব।’

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।