পাট খাত টিকিয়ে রাখা নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১০-০৩ ১২:৪০:০৪

গত মঙ্গলবার দেশের গুরুত্বপূর্ণ পাটশিল্প রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে এ খাতের উদ্যোক্তারা পৃথক চিঠি দিয়েছে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে।সংশ্নিষ্ট সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে,দেশের পাট খাত টিকিয়ে রাখা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। মৌসুমেই এখন কাঁচা পাটের অভাব। কৃষকের হাতছাড়া হওয়ার পর দাম এখন গত বছরের প্রায় দ্বিগুণ। অস্বাভাবিক বেশি দামের কারণে পাটপণ্য উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। বাড়তি দামেও মিলছে না কাঁচা পাট। কাঁচা পাটের অবৈধ মজুদ এবং অস্বাভাবিক রপ্তানির কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাটের অভাবে আর কয়েক মাস পর মিলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তারা। এতে আগামী মৌসুমে দেশে পাটের চাহিদা থাকবে না। চাহিদা না থাকলে দাম পড়ে যাবে। ফলে আগামীতে পাটের আবাদ কমে যাবে। পাট খাতে এখন প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে চার কোটি মানুষের জীবিকা চলছে। ফলে গোটা অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে পাটপণ্যের উদ্যোক্তাদের দুই সংগঠন জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএমএ) এবং জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএসএ) এ চিঠি দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে পৃথক চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠিতে বলা হয়, দফায় দফায় বন্যাসহ এবার পাট উৎপাদন কম হয়েছে ২০ লাখ টন। এ কারণে মণপ্রতি দাম বেড়ে হয়েছে তিন হাজার টাকা, যা গত মৌসুমের প্রায় দ্বিগুণ। এর মধ্যে কাঁচা পাট রপ্তানি বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে। চিঠিতে গত জুলাই মাসের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ওই মাসে রপ্তানি বেশি হয়েছে ৫৯ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য থেকে জানা যায়, দ্বিতীয় মাসেও রপ্তানিতে গতি অব্যাহত আছে।

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।