কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ থেকে চা-পাট আমদানিতে আগ্রহী ইরান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১০-০১ ১৯:২২:০২

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকাস্থ ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নফর। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসে সাক্ষাৎ করেন রেজা নফর। এসময় তিনি বাংলাদেশ থেকে চা, পাট, আম, মসলাসহ বিভিন্ন ফুড আইটেম ও শাকসবজি আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে বাংলাদেশেও ইরানের খেজুর, গম, পেঁয়াজ, কিসমিস প্রভৃতি রফতানিতে আগ্রহের কথাও জানান তিনি।

এ সময় কৃষি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, এগ্রো ফুড প্রসেসিং ও প্যাকেজিং, জলবায়ু অভিঘাতসহনশীল বিভিন্ন জাত উদ্ভাবন ও গবেষণা, বাণিজ্য নিয়ে দুদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।

ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের নানাবিধ উদ্যোগ এবং কৃষিখাতে প্রণোদনার ফলে কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। বাংলাদেশ দানাদার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। এখন মূল লক্ষ্য হলো কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও আধুনিকীকরণ করা। সেজন্য কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতে বাংলাদেশ সরকার গুরুত্বারোপ করছে। এ সময় কৃষিমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ইরানে আম, আনারসসহ বিভিন্ন ফলমূল ও শাকসবজি রপ্তানির এবং ইরান থেকে গম ও পেঁয়াজ আনার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

কৃষিমন্ত্রী ইরানের রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে অনুরোধ জানান। ইরানের রাষ্ট্রদূত জানান, ইরানে তুলনামূলকভাবে পেঁয়াজের দাম অনেক কম। বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।

ইরানী রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নফর বলেন, বাংলাদেশ সরকারের যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ফলে করোনা পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশ খাদ্য উত্পাদনের ধারা অব্যাহত রেখেছে। যা খুবই প্রশংসনীয়। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশ ও ইরানের কৃষিক্ষেত্রসহ অনেক বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।