Connect with us

আন্তর্জাতিক

পেঁয়াজ রপ্তানিতে শুল্ক আরোপে নাসিকে ব্যবসা বর্জন অব্যাহত

Published

on

এজিএম

দেশে পেঁয়াজের জোগানের লাগাম টেনে ধরতে রপ্তানিতে শুল্ক আরোপ করেছে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু শুল্ক আরোপ করলে অন্যান্য দেশগুলো পেঁয়াজ কিনতে চাইবে না। তাতে নিজেদের কল্যাণে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলা পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতি পেঁয়াজ ব্যবসা বর্জনের সিদ্ধান্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। তারা বলেছে, সংগঠনের দাবি অনুসারে পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক থাকলে তারা পেঁয়াজ ব্যবসা করবে না। কৃষিপণ্য বিপণন কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

সংগঠনের অন্যান্য দাবি হলো ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল কো–অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন (নাফেদ) ও ন্যাশনাল কো–অপারেটিভ কনজ্যুমারস ফেডারেশন (এনসিএফএফ) যেন পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে না পারে। খবর ইকোনমিক টাইমসের।

ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পিযুশ গয়ালের নেতৃত্বে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত দাবি আমলে নিতে ব্যর্থ হওয়ার পর পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতি পিম্পলগাঁওয়ে এক জরুরি বৈঠক করেন। সেখানেই তাঁরা পরবর্তী কৌশল নির্ধারণ করেন।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি খান্দু দোরে বলেন, এ সমস্যার সমাধান সরকারের হাতে না থাকলে আমাদের কিছুই বলার নেই। বাজার থেকে আমরা মুনাফা না পেলে কৃষকদের মূল্য পরিশোধ করতে পারব না। সে কারণে আমরা ব্যবসা বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তাঁদের সমিতি ২০ সেপ্টেম্বর থেকে পেঁয়াজ ব্যবসা বয়কট করে আসছে।

তবে বয়কটের আহ্বান জানানোর আট দিন পর ভিঞ্চুরের কৃষিপণ্য ব্যবসায়ী সমিতি বৃহস্পতিবার পেঁয়াজের নিলামে অংশ নেয়। তবে জেলার অন্যান্য ১৪টি কমিটি এখনো নিলাম বয়কটের সিদ্ধান্তে অটল আছে।

গত আগস্ট মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর এই শুল্ক বহাল থাকবে। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নাসিকের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা শুরু থেকেই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আন্তর্জাতিক

বৈশ্বিক খাদ্যমূল্য কমার পূর্বাভাস

Published

on

এজিএম

বিশ্ববাজারে ২০২৪ সালে খাদ্যশস্যের দাম ৬ দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও ফিচ সলিউশনের গবেষণা সংস্থা বিএমআই। তবে এল নিনোর প্রভাবে ব্যতিক্রম হতে পারে চালের বাজার। বিশেষ করে শীর্ষ উৎপাদক ভারত চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা রাখায় পণ্যটির দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন।

বিশ্বব্যাংকের কমোডিটি আউটলুক প্রতিবেদন বলছে, চালের সম্ভাব্য উচ্চমূল্যের লাগাম টেনে ধরতে পারে ভুট্টা ও গমের ফলন। আগামী বছর খাদ্যশস্য দুটির ব্যাপক সরবরাহ প্রত্যাশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিএমআইর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) তালিকাভুক্ত দ্বিতীয় মাসে সরবরাহ চুক্তিতে ভুট্টা, সয়াবিন ও গমের গড় বার্ষিক মূল্য যথাক্রমে ৯ দশমিক ৯, ৩ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ৭ শতাংশ কমতে পারে। ফসল তিনটির উৎপাদনের ওপর বার্ষিক গড় মূল্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

কভিড-১৯ মহামারী শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ২০২০ সালে খাদ্যশস্যের দাম ব্যাপক বেড়ে যায়। তবে বছরওয়ারি হিসাবে ২০২৩ সালে বার্ষিক গড় মূল্য ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ কমতে পারে বলে প্রত্যাশা।

শীর্ষ উৎপাদক দেশগুলোয় ২০২৩-২৪ মৌসুমে ব্যাপক ফলন হলে বাজারে দামের ওপর নিম্নমুখী প্রভাব পড়তে পারে। চলতি বছর আরো একবার রাশিয়ায় গমের ব্যাপক উৎপাদন প্রত্যাশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারে ব্রাজিলিয়ান ভুট্টা ও সয়াবিন সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিএমআই বলছে, উৎপাদন খরচে বিশেষ করে বর্তমান নিম্ন জ্বালানি ও সার খরচের কারণে খাদ্যশস্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও পরবর্তী ১২ মাসে জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের কমোডিটি আউটলুকে বলা হয়েছে, ভোজ্যতেলের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বিপণন বছরে সয়াবিন তেলের উৎপাদন ৯ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস রয়েছে। এতে ভোজ্যতেলটির দাম নিম্নমুখী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভুট্টার দাম চলতি বছর ২২ শতাংশ কমার প্রাক্কলন ছাড়াও ২০২৪ সালে শস্যটির দাম আরো ৮ শতাংশ কমার পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আর গমের দাম আগামী বছর প্রায় ৩ শতাংশ কমার প্রত্যাশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিএমআই বলছে, ‘খাদ্যশস্য মূল্য কভিড-১৯ স্তর থেকে কমলেও তা প্রাক-কভিড স্তরের চেয়ে বেশি থাকবে। আমাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০১৫ ও ২০১৯ সালের গড় দামের তুলনায় ২০২৪ সালে ভুট্টা, সয়াবিন ও গমের গড় দাম ৩০-৪০ শতাংশ বেশি থাকবে। কারণ নিম্ন মজুদ। কভিডকালীন সময়ে খাদ্যশস্যের মজুদ যে পরিমাণে কমে গেছে তা এখনো পুনরুদ্ধার হয়নি।’

অন্যদিকে বিশ্বব্যাংক বলছে, ‘২০২৪ সালে চালের দাম ৬ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়ায় এল নিনোর প্রভাবসহ শীর্ষ রফতানিকারক দেশগুলোর রফতানি সীমিতকরণ নীতি খাদ্যশস্যটির মূল্যবৃদ্ধিতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে।’

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

চীনের বিআরআই প্রকল্প থেকে সরে গেলো ইতালি

Published

on

এজিএম

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার বেইজিংকে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে চীনের বিআরআই প্রকল্পে ইতালির অংশগ্রহণের সমাপ্তি হলো। খবর বিবিসি।

২০১৯ সালে ইতালি ছিল একমাত্র পশ্চিমা দেশ, যারা এ প্রকল্পে যোগ দিয়েছিল। তখন পদক্ষেপটির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের কাছে বেশ সমালোচিত হয়েছিল ইতালি। ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কর্তৃক চালু করা বিআরআই প্রকল্প এশিয়া ও ইউরোপজুড়ে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্য নিয়েছে। চীনকে অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য রেলপথ ও নৌবন্দর তৈরির মতো কাজ করবে এ প্রকল্পগুলো।

তবে চীনের বিআরআই প্রকল্পকে একটি কূটনৈতিক ঋণের ফাঁদ আখ্যায়িত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর অর্থ বিআরআই প্রকল্পগুলো খুব বড় ও ব্যয়বহুল। দেশগুলোর পক্ষে এ প্রকল্পের জন্য অর্থ দেয়া সম্ভব নয়। সুতরাং তারা শেষ পর্যন্ত চীনের কাছে অর্থ ধার করবে বা চীনের কাছে ঋণগ্রস্ত হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৮ সদস্যের মধ্যে ইতালি বিআরআইতে যোগদানকারী ইউরোপীয় বৃহত্তম দেশ। চীনের এ প্রকল্পে যোগদান করা বেশির ভাগ দেশ পূর্ব ও দক্ষিণ ইউরোপের ছিল।

আগামী বছরের মার্চে ইতালির স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিআরআই সদস্যপদ নবায়নের কথা ছিল। ইতালি তার আগেই নিজেদের সরিয়ে নেয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি এর আগে বিআরআইতে ইতালির যোগদানকে গুরুতর ভুল বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি আগে থেকে চেয়েছিলেন ইতালি এ প্রকল্পের অংশ হওয়া থেকে সরে আসুক। এ প্রকল্পের আওতায় চীন ইতালিতে ২ হাজার কোটি ইউরো বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এর মধ্যে সামান্য একটি অংশ এখন পর্যন্ত বিনিয়োগ করা হয়েছে।

গত বছর ইতালি চীনে ১ হাজার ৬৪০ কোটি ইউরোর রফতানি পণ্য বিক্রি করে, যা ২০১৯ সালে ছিল ১ হাজার ৩০০ কোটি ইউরো। এদিকে চীন গত বছর ইতালির কাছে ৫ হাজার ৭৫০ কোটি ইউরো বিক্রি করেছে এবং ২০১৯ সালে ৩ হাজার ১৭০ কোটি ইউরো পণ্য বিক্রি হয়েছিল।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করল ভারত

Published

on

পেঁয়াজ

দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দেওয়া এক আদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে দেশটি।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘পেঁয়াজের রপ্তানি নীতি ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’

ডিজিএফটি’র বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে, তবে তা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অনুরোধের পর কেন্দ্রীয় সরকার থেকে দেওয়া প্রদত্ত অনুমতির ভিত্তিতে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নিম্নলিখিত তিনটি শর্তের যে কোনও একটি পূরণ করে পেঁয়াজের চালান রপ্তানি করার অনুমতি দেওয়া হবে।

প্রথমত, এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার আগেই রপ্তানির জন্য যেসব পেঁয়াজ লোড করা শুরু হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, যেখানে শিপিং বিল জমা দেওয়া করা হয়েছে এবং পেঁয়াজ লোড করার জন্য জাহাজগুলো ইতোমধ্যে বার্থ করেছে বা পৌঁছে গেছে ও ভারতীয় বন্দরে নোঙর করেছে এবং এই বিজ্ঞপ্তির আগে তাদের রোটেশন নম্বর বরাদ্দ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির আগে পেঁয়াজ লোড করার জন্য জাহাজের নোঙর/বার্থিং সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বন্দর কর্তৃপক্ষের নিশ্চিতকরণের পরেই এই ধরনের জাহাজে লোড করার অনুমোদন জারি করা হবে।

তৃতীয়ত, যেখানে এই বিজ্ঞপ্তির আগে পেঁয়াজের চালান কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়েছে / যেখানে পেঁয়াজের চালান এই বিজ্ঞপ্তির আগে রপ্তানির জন্য কাস্টমস স্টেশনে প্রবেশ করেছে এবং কাস্টমস স্টেশনের সংশ্লিষ্ট কাস্টোডিয়ানের ইলেকট্রনিক সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে এই প্রজ্ঞাপন জারি করার আগে শুল্ক স্টেশনে প্রবেশের তারিখ এবং সময় স্ট্যাম্পিংয়ের যাচাইযোগ্য প্রমাণ থাকতে হবে।

এর আগে গত অক্টোবর মাসের শেষের দিকে দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে পেঁয়াজ রপ্তানির সর্বনিম্ন মূল্যসীমা বেঁধে দিয়েছিল ভারত। সেসময় দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি টন পেঁয়াজের সর্বনিম্ন মূল্য ৮০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে দেয়।

নতুন এই মূল্যসীমা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলেও সেসময় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক মহাপরিচালকের দপ্তর (ডিজিএফটি)।

তারও আগে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং রপ্তানির লাগাম টানতে গত আগস্টে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটির সরকার পেঁয়াজের রপ্তানির ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। সেই সময় জানানো হয়, পেঁয়াজের নতুন এই রপ্তানি শুল্ক আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

আর এর মাঝেই এবার আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজের রপ্তানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

নীতি সুদহার বাড়াচ্ছে না ভারত, ঋণগ্রহীতাদের স্বস্তি

Published

on

এজিএম

নতুন বছরের আগে ঋণগ্রহীতাদের জন্য স্বস্তির খবর শোনালেন আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। মনেটারি পলিসি কমিটির বৈঠকের পর আজ রেপো রেট বা নীতি সুদহার নিয়ে অপ্রত্যাশিত ঘোষণা করেছেন রিজার্ভ ব্যাংকের প্রধান। এর ফলে ইএমআই নিয়ে স্বস্তি পেতে পারেন আম জনতা।

শুক্রবার রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া জানিয়ে দিল যে মনেটরি পলিসি কমিটির বৈঠকে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে এই ত্রৈমাসিকে রেপো রেট ৬.৫ শতাংশ থাকবে। উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাস থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতির উদ্বেগের কারণে ধাপে ধাপে রেপো রেট ২৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছিল।

এদিকে আজকে আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ঘোষণা করেন, স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফেসিলিটি রেট থাকবে ৬.২৫ শতাংশ। এছাড়া মার্জিনাল স্ট্যান্ডিং ফেলিসিটি রেট থাকবে ৬.৭৫ শতাংশ। ব্যাংক রেট থাকবে ৬.৭৫ শতাংশ। অপরদিকে ফিক্সড রিভার্স রেপো রেট থাকবে ৩.৩৫ শতাংশ।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করেছিল আরবিআই। তবে গত এপ্রিল মাসে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হয়। পরে জুন ও অগস্ট মাসেও পরিবর্তন করা হয়নি রেপো রেট। উৎসবের মরশুমে অক্টোবরেও অপরিবর্তিত ছিল রেপো রেট। আর আজও আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ঘোষণা করেন, মনেটারি পলিসি কমিটির বৈঠকে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এই কমিটিতে আরবিআই’র তিনজন আছেন এবং সরকারের তরফে আরও তিনজনকে মনোনীত করা হয়ে থাকে এই কমিটিতে।

আরও পড়ুন: ভারতে ঘৃণাভাষণ বেড়েছে ৪৫ শতাংশ

এদিকে এবারে রেপো রেট বৃদ্ধি না পাওয়ার ফলে গৃহঋণ গ্রাহকদের পকেটে নতুন করে চাপ পড়বে না বলে আশা করা হচ্ছে। এই আবহে অপরিবর্তিত থাকতে পারে ইএমআই এবং ঋণের ওপর সুদের হার। তবে রেপো রেট বৃদ্ধি না হওয়ায় বিভিন্ন ব্যাংকের স্থায়ী আমানতের হারও হয়ত অপরিবর্তিত থাকবে।

এদিকে বিশ্বব্যাপী বিগত কয়েক মাস ধরেই মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে এবং এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত দেশেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু আরবিআই এই মুহূর্তে নিশ্চিত যে সুদের হার কম রাখাই দেশের অর্থনীতির জন্য সঠিক হবে।
আরবিআই’র আর্থিক নীতি সংক্রান্ত কমিটির যুক্তি, নিম্ন সুদের হারের ফলে ব্যবসার জন্য ঋণ নেওয়া সহজ হবে। অর্থনীতির আউটপুট এবং জিডিপি হার বাড়াতে সাহায্য করবে কম সুদের হার। তবে আশঙ্কা, কম সুদের হারে মুদ্রাস্ফীতিও বাড়তে পারে। তবে আরবিআই জানাচ্ছে, ৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেতে পারে প্রকৃত জিডিপি।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

কোরআন পোড়ানো বন্ধে ডেনমার্কে আইন পাস

Published

on

এজিএম

অবশেষে পবিত্র কোরআন অবমাননা বন্ধে আইন পাস করেছে ডেনমার্ক। গতকাল বৃহস্পতিবার ডেনমার্কের পার্লামেন্টে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়। এই আইন ভঙ্গ করলে জরিমানা বা দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন বা অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ পোড়ানোর মতো কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার এ আইনের পক্ষে ডেনমার্কের পার্লামেন্টে ভোট পড়ে ৯৪টি। আর বিপক্ষে ভোট পড়ে ৭৭টি। আর ৭ জন আইনপ্রণেতা এতে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন।

পাস হওয়া আইন অনুসারে, কোনো ধর্মের মানুষের কাছে ধর্মীয় তাৎপর্যপূর্ণ গুরুত্ব রয়েছে এমন কোনো লেখা বা বস্তুর প্রতি প্রকাশ্যে বা বৃহত্তর মানুষের কাছে প্রচারের লক্ষ্যে ‘অনুপযুক্ত আচরণকে’ অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। এ আইন লঙ্ঘন করলে জরিমানা বা দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

চলতি বছর মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন অবমাননার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটে ডেনমার্কে। মত প্রকাশের স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করে দেশটির সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। একের পর এক কোরআন অবমাননার ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে মুসলিম বিশ্ব।

এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে ড্যানিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় আরব দেশগুলো। অবশেষে পবিত্র কোরআন অবমাননা বন্ধে আইন পাস করেছে ডেনমার্ক।

ডেনমার্কের পাশাপাশি সুইডেনও আইনসম্মতভাবে পবিত্র কোরআন অবমাননা ঠেকানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে ডেনমার্কের চেয়ে ভিন্ন পথে এগোচ্ছে দেশটি। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠেকাতে পুলিশের ভূমিকা কেমন হতে পারে সেটা খতিয়ে দেখছে।

এদিকে, এ আইনের সমালোচকদের দাবি, কোরআন পোড়ানো বন্ধসহ ধর্মের সমালোচনা সীমিত করার উদ্যোগ অঞ্চলটির দীর্ঘ লড়াইয়ের মাধ্যমে অর্জিত উদার স্বাধীনতাকে খর্ব করবে। অন্যদিকে, ডেনমার্কের মধ্যপন্থি জোট সরকার বলছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর নতুন আইনের প্রভাব খুব সামান্যই পড়বে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

December 2023
S M T W T F S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31