Connect with us

আন্তর্জাতিক

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বেড়েছে কর্মসংস্থান

Published

on

পুঁজিবাজার

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ২০২২ সালে কর্মসংস্থান বেড়ে ১ কোটি ৩৭ লাখে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালের তুলনায় ৮ শতাংশ বেড়েছে কর্মীসংখ্যা। উচ্চ বিনিয়োগ, সরকারি পর্যায়ে ভর্তুকি ও কার্যক্ষমতা বাড়ার কারণে সম্প্রসারণ হয়েছে খাতটি। নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সি (আইআরইএনএ) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আইআরইএনএর প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২১ সালে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর্মসংস্থান ছিল ১ কোটি ২৭ লাখ। তবে ২০২২ সালে উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান বাড়লেও এখন পর্যন্ত তা কয়েকটি দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সবার আগে রয়েছে চীন। বৈশ্বিকভাবে খাতটিতে মোট কর্মসংস্থানের ৪১ শতাংশ চীনের দখলে। তার পরই রয়েছে যথাক্রমে ব্রাজিল, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র।

আইআরইএনএ পরিচালক ফ্রান্সিসকো লা ক্যামেরা বলেছেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ২০২৩ ছিল দুর্দান্ত বছর। জ্বালানি প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে থাকলে আরো লাখ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি করা সম্ভব।’

সোলার পিভি (ফটোভোলটাইকস) ছিল কর্মসংস্থান তৈরির সবচেয়ে বড় উপখাত। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের মোট কর্মসংস্থানের এক-তৃতীয়াংশই এ উপখাতের, যেখানে মোট কর্মীসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ লাখ। জলবিদ্যুৎ ও জৈবজ্বালানিতে ২০২১ সালে কর্মসংস্থানের সংখ্যা ছিল ২৫ লাখ করে। বায়ুবিদ্যুৎ খাতে কর্মসংস্থান ছিল ১৪ লাখের মতো। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) প্রধান পরিচালক গিলবার্ট হুংবো বলেছেন, ‘‌এ মুহূর্তে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কিছু নীতিমালা বাস্তবায়ন করা জরুরি। তাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, টেকসই ব্যবসা, দক্ষ জনশক্তি, সক্রিয় বাজার, সামাজিক ও পেশাগত নিরাপত্তা তৈরি হবে। আলোচনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশের অধিকার। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সম্প্রসারণের জন্য মজুরি, নিরাপত্তা, শ্রমিকদের অধিকার ও সামাজিক বিষয়াবলি নিয়েও মনোযোগ দিতে হবে।’

আইআরইএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‌অনেক দেশই সরবরাহ চেইন স্থানীয়করণের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। দেশীয়ভাবে কর্মসংস্থান তৈরিতে মনোযোগী হয়ে পড়ছে। সে অনুসারে তাদের শিল্পনীতি গ্রহণ করা উচিত। তার পরও দেশগুলোর উচিত স্থানীয়করণের এ প্রচেষ্টার পাশাপাশি বৈশ্বিক সহযোগিতার দিকে গুরুত্ব দেয়া। কেবল এর মাধ্যমেই সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরাপদ জ্বালানির সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বাড়ানো প্রয়োজন, যেন তরুণ, সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সুযোগ তৈরি হয়।

আবুধাবিভিত্তিক সংস্থা বিশ্ব জ্বালানি ট্রানজিশন আউটলুকে দাবি করা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বার্ষিক বিদ্যুৎ সক্ষমতা ১০০০ গিগাওয়াটে পৌঁছাতে হবে। এটাই প্যারিস চুক্তিতে ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা। গত বছর বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৩০০ গিগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য এখনো অনেক পথ বাকি।

দেশগুলোর মধ্যে এখনো বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। শূন্য কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা ২০৫০ সালের মধ্যেই সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে কাজ করছে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যথাক্রমে ২০৬০ ও ২০৫০ সালের মধ্যে লক্ষ্যে পৌঁছার পরিকল্পনা করেছে। বাকি দেশগুলোকেও এ অগ্রযাত্রায় অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আন্তর্জাতিক

ঘুরে দাঁড়াবে বিশ্ব অর্থনীতি

Published

on

পুঁজিবাজার

২০২৪ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি মন্থর থাকবে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ক্রমাগতভাবে চাপ তৈরি করবে। চলতি বছর বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করলেও আগামীতে তা থাকবে না। আগামী বছর বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে বলে অর্থনীতিবিদরা আশা প্রকাশ করেছেন।

আগামী বছর সুদহার কমতে শুরু করবে, যা প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করবে। নতুন পুঁজি বিনিয়োগে আস্থা পাবেন বিনিয়োগকারীরা। ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বৈশ্বিক ঋণের পরিমাণ ক্রমাগত বাড়তে থাকবে। অর্থনীতিবিদরা জানান, এর কারণ চিহ্নিত করা প্রয়োজন।

ওয়াশিংটনভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক গত অক্টোবরে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ আশা করছে। এটা ২০২২ সালের ৩ দশমিক ৫ শতাংশ সম্প্রসারণের চেয়ে ধীর। একই সঙ্গে এটা গড় প্রবৃদ্ধির চেয়েও কম।

আগামী বছরের জন্য আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে, বৈশ্বিক জিডিপি ২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রসারিত হবে, যা জুলাইয়ের পূর্বাভাস থেকে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট কম।

আইএমএফ জানায়, প্রবৃদ্ধি ধীর ও অসম থাকবে। বিশেষ করে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোয়। উচ্চ সুদহার এবং ক্রমাগত উচ্চ মূল্যস্ফীতি বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ চলতি মাসে একটি বিবৃতিতে জানায়, এ মাসে সুদহার নতুন করে বৃদ্ধি করেনি ফেড। গত বছরের মার্চ থেকে ১১ বার সুদহার বাড়ানোর পর এটা একটা বিরতি। মূল্যস্ফীতি রোধ করার কৌশল হিসেবে সুদহার বৃদ্ধি ২০২২ সালের জুনে চার দশকের উচ্চতায় পৌঁছেছিল। সুদহার এখন ৫ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২২ বছরের সর্বোচ্চ। এটা গত বছরের মার্চে শূন্যের কাছাকাছি ছিল। দ্বিতীয়বারের মতো ফেড ৫ দশমিক ২৫ থেকে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশের মধ্যে সুদহার অপরিবর্তিত রেখেছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি অব্যাহত। দেশটিতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম তৃতীয় প্রান্তিকে দ্রুতগতিতে প্রসারিত হয়েছে। চাকরির বাজার এখনো শক্তিশালী। মূল্যস্ফীতি গত বছরের ৫ দশমিক ৬ থেকে বর্তমানে ৩ দশমিক ৭ শতাংশে নামিয়ে আনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থা রকফেলার ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান রুচির শর্মা বলেন, ‌বৈশ্বিক অর্থনীতি আগামী বছর ধীরগতিতে বাড়বে। ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা থাকবে। মন্দা হওয়ার আশঙ্কা নেই। উচ্চ সুদহারের প্রভাব বজায় থাকবে। তবে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হবে না।

চারটি গ্রন্থের লেখক রুচির শর্মা জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে গড়ে বিশ্ব অর্থনীতি প্রায় ৪ শতাংশ বেড়েছিল। ২০০৮ সালে আর্থিক সংকটের সময় প্রায় ২ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসে। কারণ ঋণ খুব বেশি বেড়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, ‌আমি সে সময়টি দেখেছি। দুটোর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পরে এখন মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেশি।

বাহরাইনভিত্তিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টকর্পের নির্বাহী চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলারধি বলেন, ‌আমি ২০২৪ সালের জন্য আশাবাদী। আমি মনে করি, আগামী বছর আমরা সুদহার কমতে দেখব। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসতে দেখব। বিনিয়োগকারীরা অর্থ বিনিয়োগে আত্মবিশ্বাসী হতে শুরু করবে। এরই মধ্যে আমরা আর্থিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোর সবচেয়ে খারাপ অবস্থা দেখেছি।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বিশ্ববাজারে ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে সোনা

Published

on

পুঁজিবাজার

বিশ্ববাজারে ইতিহাসে সর্বোচ্চ বেড়েছে মূল্যবান ধাতু সোনার দাম। এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো পূর্বের রেকর্ড ভেঙেছে সোনা। অন্য যেকোনো কিছুর তুলনায় সোনা সুরক্ষিত হওয়ায় এটির প্রতি ঝুঁকেছেন বিনিয়োগকারীরা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান সোমবার (৪ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এদিন প্রতি আউন্স সোনার দাম বেড়ে ২ হাজার ১১১ ডলার হয়। এরমাধ্যমে গত শুক্রবার হওয়া নতুন রেকর্ডটিও ভেঙে গেছে।

২০২০ সালের আগস্টে একবার সোনার বাজার এমন চড়া হয়েছিল। তখন তৈরি হয়েছিল নতুন রেকর্ড। তবে সেবার সোনার দাম যা হয়েছিল সেটি থেকে নতুন দামে অনেক পার্থক্য রয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস অবশ্য জানিয়েছে, সর্বোচ্চ দাম স্পর্শ করার পর এটি ২ হাজার ৬৪ ডলার প্রতি আউন্সে নেমে আসে।

বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডসহ আগামী বছর বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ঋণের সুদহার কমাবে। আর এই আশা থেকেই বেড়েছে সোনার দাম। সোনার মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্বল হয়েছে ডলারের দাম।

মার্কিন-ব্রিটিশ অর্থনৈতিক তথ্য প্রদানকারী সংস্থা রিফিনিটিভ জানিয়েছে, এ বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের শুরুর সপ্তাহ পর্যন্ত দ্রুত গতিতে সোনার দাম বেড়েছে। অক্টোবরে যেখানে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ১ হাজার ৮২০ ডলার। সেখানে ডিসেম্বরে এসে এটি ২ হাজার ১১১ ডলার স্পর্শ করেছে। যদিও দাম আবার কিছুটা কমে গেছে।

সোনার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ক্রিপ্টো কারেন্সির দামও। সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বিটকয়েনের দাম এ বছর প্রথমবারের মতো ৪০ হাজার ডলার পার করেছে। এদিন বিটকয়েন ৪২ হাজার ডলারে লেনদেন হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

থাই ও ভিয়েতনামি চালের দাম তিন মাসের সর্বোচ্চে

Published

on

পুঁজিবাজার

এশিয়ার বাজারে চলতি সপ্তাহে বেড়েছে চালের চাহিদা। এতে তিন মাসের সর্বোচ্চে উঠেছে থাই ও ভিয়েতনামি চালের দাম। একই সময়ে বেড়েছে ভারতীয় চালের সরবরাহ।

ব্যাংককভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেছেন, থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ ভাঙা চালের দাম গত সপ্তাহের ৬০০ ডলার থেকে বেড়ে প্রতি টনের মূল্য উঠেছে ৬৫০ ডলারে। মূলত ফিলিপাইন ও অন্যান্য দেশ থেকে ব্যাপক চাহিদা বাড়ায় এ দাম বেড়েছে। সরবরাহকারীরা বিক্রি করতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল। দাম আরো বাড়ার প্রত্যাশায় অনেকেই এখন বিক্রি না করে মজুদ করে রেখেছেন।

ভিয়েতনামের ৫ শতাংশ ভাঙা চাল গত সপ্তাহেও টনপ্রতি বিক্রি হয়েছে ৬৫০-৬৫৫ ডলারে। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫৫-৬৬৫ ডলারে।

হো চি মিন শহরভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেছেন, চলতি সপ্তাহে চালের বাজার নিয়ে ফিচ সলিউশনের শাখা বিএমআইর একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর এশিয়ার বাজারগুলোয় চালের দাম বেড়েছে। ওই প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, আগামী বছর এল নিনোর প্রভাবে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সরবরাহ কমায় রফতানি সীমিত করবে শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশগুলো, যা খাদ্যশস্যটির দাম বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

প্রাথমিক শিপিং ডেটা বলছে, নভেম্বরে হো চি মিন সিটি বন্দরে থাকা জাহাজগুলোয় ৩ লাখ ২৫ হাজার ৩১৭ টন চাল লোড করা হয়েছে। এসব চালের বেশির ভাগেরই গন্তব্য আফ্রিকা, কিউবা, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়া। আরো ৫ হাজার ৭০০ টন চালের ক্রয়াদেশ রয়েছে, যেগুলো ১-১০ ডিসেম্বরের মধ্যে পাঠানো হবে।

প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ১১ মাসে ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টন চাল রফতানি করেছে ভিয়েতনাম, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।

তবে শীর্ষ রফতানিকারক ভারতের ৫ শতাংশ ভাঙা-আধা সেদ্ধ চালের বাজার গত সপ্তাহের দামেই অপরিবর্তিত। টনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৫০৭ ডলারে।

দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্র প্রদেশের কাকিনাডার এক রফতানিকারক বলেছেন, অন্যান্য দেশের চালের দাম ভারতের তুলনায় বেশি থাকায় ভারতীয় চালের বিক্রি বেড়েছে। তবে গত মাসে ভারত ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত সেদ্ধ চালের রফতানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করেছে। এতে ক্রেতাদের কাছে ভারতীয় চালের আমদানি খরচও বেড়ে গেছে।

এদিকে ফিচ সলিউশনের প্রতিবেদনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়ার পূর্বাভাসদাতারাও সম্প্রতি জানিয়েছেন, এল নিনোর প্রভাব উত্তর গোলার্ধে ২০২৪ সালের এপ্রিল-জুন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। একই তথ্য জানিয়ে জাপানের আবহাওয়া ব্যুরো বলেছে, উত্তর গোলার্ধে এল নিনোর প্রভাব বাজায় থাকার সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ।

ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকরা বলেছেন, কম চাল উৎপাদন ও খাদ্য মূল্যস্ফীতির ঝুঁকির সঙ্গে ভারত আগামী বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত রফতানি নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখতে পারে। অন্যদিকে থাইল্যান্ডেও রফতানি করার মতো কম উদ্বৃত্ত থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্র প্রদেশের কাকিনাডায় এক রফতানিকারক বলেন, ধান উৎপাদনকারী অনেক রাজ্যে মাটির আর্দ্রতার মাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেছে। আর গত ১০ বছরের গড়ের নিচে নেমেছে পুকুর-জলাশয়ের পানির স্তর।

অন্যদিকে ভালো ফলন ও মজুদ থাকা সত্ত্বেও চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশে চালের অভ্যন্তরীণ মূল্য ঊর্ধ্বমুখী ছিল বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। খাদ্যদ্রব্যের মূল্যস্ফীতির কারণে সরকার ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ১১ পর্বতারোহীর মৃত্যু

Published

on

পুঁজিবাজার

ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে কমপক্ষে ১১ জন পর্বতারোহী বা হাইকারের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে সেখানে অনুসন্ধান অভিযান চালিয়ে আরো তিনজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কর্মকর্তারা সোমবার এ কথা জানিয়েছেন। খবর এএফপি’র।

সুমাত্রা দ্বীপের মাউন্ট মারাপি আগ্নেয়গিরি থেকে ছাইভস্ম আকাশের প্রায় ৩,০০০ মিটার ওপর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে এবং এসব ছাইভস্ম আশপাশের গ্রামগুলোতে পড়ে। সেখানে রোববার এ অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়।

স্থানীয় এবং জাতীয় সংস্থার কর্মকর্তারা সপ্তাহান্তে পর্বতে ভ্রমণকারীর সংখ্যা সংশোধন করে ৭৫ জনের কথা জানিয়েছে। কিন্তু অনুসন্ধান দল সোমবার সকালে অগ্নিমুখের কাছ থেকে ১১ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।

অগ্ন্যুৎপাত শুরু হওয়ার একদিন পর পাদদাং অনুসন্ধান এবং উদ্ধার সংস্থার প্রধান আব্দুল মালিক বলেন, ‘সেখানে থাকা ২৬ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি। আমরা তাদের মধ্যে ১৪ জনকে খুঁজে পেয়েছি। এদের মধ্যে তিনজনকে জীবিত এবং ১১ জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।’

তিনি বলেন, ২৬ জনের মধ্যে ১২ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া ৪৯ জন পাহাড় থেকে নেমে এসেছে। তাদের কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জীবিত অবস্থায় তিন ব্যক্তিকে অগ্নিমুখের কাছে পাওয়া যায়। তাদের অবস্থা দুর্বল ছিল এবং শরীরের কিছু অংশ পুড়ে গেছে।’

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

এলএনজি রফতানিতে রেকর্ড গড়ার পথে যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

পুঁজিবাজার

যুক্তরাষ্ট্র প্রতি মাসেই তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রফতানি বাড়াচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিলে দেশটি ইতিহাসের সর্বোচ্চ পরিমাণ এলএনজি রফতানি করে। গত মাসেও রফতানির পরিমাণ ছিল প্রায় কাছাকাছি। শীতের তীব্রতা বাড়লে আবারো রফতানি নতুন রেকর্ড স্পর্শ করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর রয়টার্স।

ইউরোপের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী চাহিদা যুক্তরাষ্ট্রকে রফতানি বাড়াতে সহায়তা করছে। ইউরোপের এলএনজি আমদানির সবচেয়ে বড় উৎস ছিল রাশিয়া। কিন্তু ইউক্রেন সংঘাতের কারণে রাশিয়া থেকে আমদানি কমিয়ে দেয়া হয়েছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাড়ানো হচ্ছে সরবরাহ।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান এলএসইজি প্রকাশিত এলএনজিবাহী ট্যাংকারের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের তথ্যমতে, নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ৭৯ লাখ ৯০ হাজার টন এলএনজি রফতানি করে। এটি এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রফতানি।

এনার্জি ইনফরমেশন এজেন্সি (ইআইএ) জানায়, চলতি বছরের প্রথমার্ধে যুক্তরাষ্ট্র ছিল বিশ্বের শীর্ষ এলএনজি রফতানিকারক। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল কাতার ও অস্ট্রেলিয়া। আগামী বছর নতুন কিছু এলএনজি প্লান্ট উৎপাদনে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র রফতানিতে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এলএসইজি জানায়, চলতি বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৮০ লাখ ১০ হাজার টন এলএনজি রফতানি করেছিল। নভেম্বরে এর চেয়ে কিছুটা কম রফতানি হয়েছে। তবে অক্টোবরের চেয়ে রফতানি বেড়েছে ৭০ হাজার টন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
Advertisement IBBL_AD_300 x 250

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

December 2023
S M T W T F S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31