ওটিসির চার কোম্পানিকে তালিকাচ্যুতির সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-০৯-৩০ ১৮:২৮:০৮, আপডেট: ২০২০-০৯-৩০ ১৮:২৯:১০

ওভার দ্যা কাউন্টার (ওটিসি) চার কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দিবে। এই জন্য একটি স্বতন্ত্র হিসাব খোলে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সাথে দুটি বন্ডের টাকাও ফেরত দেওয়া হবে। আজ বুধবার বিএসইসির ৭৪২তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানিয়েছেন।

বিএসইসি সূত্র মতে, দোয়েল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ কর্তৃক ইস্যুকৃত ২টি তালিকাভুক্ত ডিবেঞ্চার ও চারটি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের টাকা ফেরত দিবে। ডিবেঞ্চার দুটি হলো বিডি জিপার ১৪ শতাংশ রেট ও বিডি জিপার ১৪ শতাংশ রেট।

কোম্পানি চারটি হলো–বাংলাদেশ ক্যামিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ ডায়িং অ্যান্ড ফিনিসিং ইন্ডাস্ট্রিজ এবং বিডি জিপার। এজন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে ১টি স্ক্রু অ্যাকাউন্ট যৌথভাবে পরিচালনার মাধ্যমে ডিবেঞ্চার ও শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ ও দাবি অভিহিত মূল্যে বা ইস্যু মূল্যে বা সমঝোতার মূল্যে পরিশোধ করা হবে।

বিডি লাগেজ ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজার তালিকাভুক্ত হয়েছে বিবিধ খাতের এ কোম্পানিটি। ওটিসিতে থাকা কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকা। মোট শেয়ারের সংখ্যা ২০ লাখ। ১০০ টাকা ফ্যাস ভ্যালুর কোম্পানিটির ৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তাদের কাছে। বাকী শেয়ারের মধ্যে ২৩ দশমিক ৭০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এবং ২৬ দশমিক ৩০ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।

বিডি জিপার ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজার তালিকাভুক্ত হয়েছে বস্ত্র খাতের এ কোম্পানিটি। ওটিসিতে থাকা কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা। মোট শেয়ারের সংখ্যা ৮ লাখ ৮০ হাজার। ১০০ টাকা ফ্যাস ভ্যালুর কোম্পানিটির ৩৪ দশমিক শূণ্য ৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তাদের কাছে। বাকী শেয়ারের মধ্যে ৩৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এবং ২৮ দশমিক ১৫ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।

বাংলাদেশ ক্যামিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ১৯৯২ সালে পুঁজিবাজার তালিকাভুক্ত হয়েছে বস্ত্র খাতের এ কোম্পানিটি। ওটিসিতে থাকা কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ১১ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের সংখ্যা ৮ লাখ ৮০ হাজার। ১০০ টাকা ফ্যাস ভ্যালুর কোম্পানিটির ৪৩ দশমিক শূণ্য ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তাদের কাছে। বাকী শেয়ারের মধ্যে ২৯ দশমিক ২৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এবং ২৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।

বাংলাদেশ ডায়িং ও ফিশিং ইন্ডাস্ট্রিজ ১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজার তালিকাভুক্ত হয়েছে বস্ত্র খাতের এ কোম্পানিটি। ওটিসিতে থাকা কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ১২ কোটি । মোট শেয়ারের সংখ্যা ১২ লাখ। ১০০ টাকা ফ্যাস ভ্যালুর কোম্পানিটির ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তাদের কাছে। বাকী শেয়ারের মধ্যে ৪১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এবং ১৯ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।

২০০৯ সালে ওটিসি মার্কেটের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এই মার্কেটে ৬৪টি কোম্পানি রয়েছে।

 

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।