Connect with us

জাতীয়

এনআইডি সেবা পুরোদমে চালু

Published

on

লোকসানে

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত সেবা আজ বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে পুরোদমে চালু হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রক্ষণাবেক্ষণের কারণ দেখিয়ে এনআইডি সার্ভার বন্ধ করে দেয় সংস্থাটি। ফলে ব্যাংক-বিমার মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ ১৭১টি প্রতিষ্ঠানে সেবা ব্যাহত হয়।

এছাড়া ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি সংশোধন, স্থানান্তর সংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সেবাগ্রহীতা ভোগান্তিতে পড়লে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয় বুধবার দুপুর ২টায় সার্ভার চালু করা হবে।

তবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সার্ভার পুরোপুরি চালু হয়নি। কেবল মাত্র ইসির সঙ্গে চুক্তিভুক্ত ১৭১টি পার্টনার সার্ভিসদের সংযোগগুলো সচল করা হয়।

এ ব্যাপারে ইসির এনআইডি শাখার সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফুল হোসেন বলেন, পার্টনার সার্ভিসদের সংযোগ চালু হয়েছে। রাতেও রক্ষাণাবেক্ষণের কাজ চলবে। আশাকরি, বৃহস্পতিবার পুরোপুরি চালু হবে।

উল্লেখ্য, এনআইডি সার্ভারে ১১ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ৪৪০ ভোটারের তথ্য রয়েছে। এছাড়া রয়েছে ১০ লাখ রোহিঙ্গার তথ্য। এসব তথ্য থেকেই সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সেবাগ্রহীতাদের পরিচিতি নিশ্চিত করে নেয়।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসসহ আটক ৩৫

Published

on

লোকসানে

প্রথম ধাপের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব কায়দায় তৈরি মাস্টারকার্ডের মধ্যে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সংযুক্ত করে জালিয়াতির সময় চক্রের পাঁচ মূলহোতা ও ৩০ পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৩)।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) গাইবান্ধা সদরের বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন থেকে তাদের আটক করা হয়।

এসময় তাদের কাছ থেকে ২২টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস সংযুক্ত মাস্টারকার্ড, ১৯টি ব্লুটুথ ডিভাইস ও ১৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব সদরদপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান গণমাধ্যমকে জানান, প্রথম ধাপের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন অভিনব উপায়ে তৈরি মাস্টারকার্ডের মধ্যে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সংযুক্ত করে জালিয়াতির সময় চক্রের পাঁচ হোতা ও ৩০ পরীক্ষার্থীসহ মোট ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এক ঘণ্টার এ পরীক্ষা (এমসিকিউ) চলে বেলা ১১টা পর্যন্ত। প্রথম ধাপে রংপুর, সিলেট, বরিশাল বিভাগের ১৮ জেলায় একযোগে পরীক্ষার হলে বসেন চাকরিপ্রার্থীরা।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

আপিলকারীরা শতভাগ ন্যায়বিচার পাবেন

Published

on

লোকসানে

দলীয় মনোনয়ন পেলেও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) শর্ত পূরণ করতে না পারায় মনোনয়নপ্রার্থী অনেকের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি রিটার্নিং কর্মকর্তার দেয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করারও সুযোগ পাচ্ছেন প্রার্থীরা। তবে যারা আপিল করেছেন তারা শতভাগ ন্যায় বিচার পাবেন বলেন জানিয়েছেন ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) আপিল কার্যক্রমের চতুর্থ দিনে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ছোটখাটো ভুল-ত্রুটি সমাধান করে প্রার্থিতা ফেরত পাওয়ার আবেদন করলে কমিশন বিবেচনা করবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটা কমিশন বিবেচনা করবে, অ্যাডভান্স তো বলতে পারি না। কমিশন অবশ্যই ন্যায়বিচার করে তাদের আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

মনোনয়ন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কিছু আপিল হয়েছে। সেগুলোর বিরুদ্ধে যদি প্রমাণ পান, বাতিল করবেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই। আইনে আছে, দেখুন এবার আরপিও সংশোধন হয়েছে। আগে ছিল রিটার্নিং অফিসারের রিজেকশনের বিরুদ্ধে আপিল। আরপিওতে আছে, শুধু রিটার্নিং অফিসারের রিজেকশন না, রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। অ্যাকসেপ্টেন্সের বিরুদ্ধেও আপিল হবে, রিজেকশনের বিরুদ্ধে আপীল হবে। যেহেতু আইনে আছে, কমিশন যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবে।

যারা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির অতিরিক্ত সচিব বলেন, সময়মতো হাজির হয়ে যদি তারা মনোনয়ন জমা দিতে না পারেন, তারা তো হাইকোর্টে গিয়েছিলেন, হাইকোর্ট যদি নিদেশনা দেন তাহলে রিটার্নিং অফিসার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করবেন। হাইকোর্ট থেকে যদি তারা প্রতিকার না পান, সেক্ষেত্রে আমাদের কিছু করণীয় নেই।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

গার্মেন্টস সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে

Published

on

লোকসানে

দেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা গার্মেন্টস খাত থেকে। তবে এই খাতে সম্প্রতি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার গুঞ্জন উঠায় সংশ্লিষ্ট মহলে কিছুটা উদ্বেগও দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি গার্মেন্টস সেক্টর নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, নিজেদের বাণিজ্যিক স্বার্থে একটি মহল শ্রমিকদের ব্যবহারের পাঁয়তারা করছে। আমাদের অর্থনৈতিক স্বার্থে গার্মেন্টসের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রাখতে হবে।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, একটি অবাধ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য আমরা সবার পুরোপুরি সহযোগিতা চাইছি। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় গেছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত করতে ডিসি ও ওসিদের বদলি করা হচ্ছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের অনেক এমপি-মন্ত্রী কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন। যা বিরল।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

এমপি গোলাপের শেয়ারবাজার-বন্ডে বিনিয়োগ দেড় কোটি টাকা

Published

on

লোকসানে

মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুস সোবহান মিয়া। নিজ এলাকায় তিনি গোলাপ নামে পরিচিত। এমপি হওয়ার পর তার নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ। কিনেছেন কোটি টাকার গাড়িও। ২০২৩ সালে তার বন্ড, ঋণপত্র, স্টক একচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকা ভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার রয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬৯২ টাকার।

এদিকে গোলাপের চেয়ে ১২ গুণ বেশি নগদ অর্থ রয়েছে তার স্ত্রী গুলশান আরার।

মাদারীপুর জেলার মাদারীপুর সদরের একাংশ, কালকিনি ও ডাসার উপজেলা নিয়ে গঠিত মাদারীপুর-৩ আসন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রথম এমপি হন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান মিয়া গোলাপ। নির্বাচনী হলফনামায় তিনি ও তার স্ত্রীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণী পেশ করেছেন। তাতে দেখা গেছে, নিজের তুলনায় তার স্ত্রীর নগদ অর্থ ১২ গুণ বেশি রয়েছে। এমপি হওয়ার পর গোলাপ কিনেছেন কোটি টাকার গাড়ি। এমপি হওয়ার আগে তার কোনো গাড়ি ছিল না।

নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে তার নিজের নামে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৫১ লাখ ৯ হাজার ৬৯০ টাকা। বর্তমানে তার জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ৯৩১ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। আবদুস সোবহান গোলাপের নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়েছে ৪ দশমিক ৩১ গুণ।

২০১৮ সালের নির্বাচনী হলফনামায় তার পেশা ব্যবসা ও রাজনীতি উল্লেখ করলেও ২০২৩ সালের নির্বাচনী হলফনামায় তার বর্তমান পেশা উল্লেখ করেছেন রাজনীতি। ২০১৮ সালে তার নগদ টাকা ছিল ৭৯ লাখ ৬৫ হাজার ২৬৬ টাকা এবং স্ত্রীর গুলশান আরার নামে ছিল ১ কোটি ১১ লাখ ১৪ হাজার ১৩১ টাকা। ২০২৩ সালে তার নগদ টাকা কমেছে। বর্তমানে তার নগদ টাকার পরিমাণ ১৫ লাখ ২৮ হাজার ৬১৪। তবে স্ত্রীর টাকা বেড়েছে। তার স্ত্রীর নামে নগদ টাকা রয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৬৫ হাজার ১৩ টাকা। ২০১৮ সালের হলফনামা মোতাবেক তার স্ত্রীর কাছে ৯৮ হাজার ১১৮ ইউএস ডলার থাকলেও চলতি বছরে তার কাছে কোনো বৈদেশিক মুদ্রা নেই বলে জানা গেছে। তবে আবদুস সোবহানা মিয়া গোলাপের আগের হলফনামা মোতাবেক আগে কোনো গাড়ি না থাকলেও বর্তমানে তার একটি টয়োটা হ্যারিয়ার জিপ রয়েছে। যার বাজার মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯০ লাখ ৬৪ হাজার ২৪৭ টাকা।

গোলাপ ও তার স্ত্রী গুলশান আরার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমার পরিমাণও বেড়েছে। ২০১৮ সালে তার নিজের নামে জমা ছিল ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৫১ লাখ ৯ হাজার ৬৯০ টাকা। বর্তমানে তার জমা অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ৯৩১ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। অপরদিকে তার নামে ২০১৮ সালে বন্ড, ঋণপত্র, স্টক একচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকা ভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার ছিল ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬৯ হাজার ৩৭২ টাকার এবং স্ত্রীর নামে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকার।

২০২৩ সালে রয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬৯২ টাকার এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকার। এছাড়া মিরপুর এবং উত্তরাতে তার দুটি ভবন রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থসংবাদ/কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

মমতাজের শেয়ার-সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ৪ কোটি টাকা

Published

on

লোকসানে

মধু উজালা কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের শেয়ার এবং জাতীয় সঞ্চয়পত্রে প্রায় ৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর, হরিরামপুর ও সদর) আসনের এমপি কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা হলফনামা ও তার আয়-ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য বিবরণী বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

তথ্য মতে, মধু উজালা কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের ৩ কোটি ৫০ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের শেয়ার আছে মমতাজ বেগমের। সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগ আছে ৪৫ লাখ টাকা। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার জমা অর্থের পরিমাণ ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ২১৮ টাকা। এসব থেকে মমতাজ বেগম বার্ষিক ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৯১ টাকা আয় করেন।

হলফনামা সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ বেগম সংসদ সদস্য ভাতা ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও আনুষঙ্গিক পারিতোষিক বাবদ তিনি বছরে আয় করেন ১৬ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পত্তি হিসাবে মমতাজ বেগমের হাতে আছে নগদ ৫ লাখ টাকা। মমতাজ বেগমের নামে গাড়ি আছে তিনটি। ল্যান্ডক্রুজার নামে একটি গাড়ির দাম ১ কোটি ৩ লাখ ১২ হাজর ৫০০ টাকা। এছাড়া ল্যান্ডক্রুজার ভি-৮ মডেলের গাড়ির দাম ৪৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ২৮ লাখ টাকা মূল্যের টয়োটা হাইয়েস আছে তার। এসব থেকে মমতাজ বেগমের পাঁচ বছরে আয় বেড়েছে প্রায় ২৮ শতাংশ।

২০১৮ সালে তার বাৎসরিক আয় ছিল ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার ২৭৬ টাকা। বর্তমানে তার আয় দেখানো হয়েছে ৪৯ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৮ টাকা। এর মধ্যে তার পেশা থেকে আয় বছরে ৭ লাখ টাকা। বাকিটা কৃষি খাত থেকে ৩ লাখ, বাড়ি এপার্টমেন্ট অথবা দোকান ভাড়া থেকে ১০ লাখ ৮২ হাজার ৯৯৭ টাকা এবং শেয়ার সঞ্চয়পত্র অথবা ব্যাংক আমানত থেকে আসে ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৯১ টাকা।

৫ বছরে প্রায় ৫২ লাখ ৫৩ হাজার টাকার ঋণের পরিমাণ কমেছে মমতাজের। ২০১৮ সালে মমতাজের ব্যাংক ঋণ ছিল ৩ কোটি ৩৪ লাখ ১১ হাজার ৪৬৪ টাকা। ২০২৩ সালের হলফনামায় ব্যাংক ঋণ দেখানো হয়েছে ২ কোটি ৮১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। ভারতের বহরমপুর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতে এবং কলকাতার হাইকোর্টে মমতাজের বিরুদ্ধে দুটি ফৌজদারি মামলা চলমান আছে।

কৃষি জমি না বাড়লেও পাঁচ বছরে মমতাজের ৭০০ শতাংশ অকৃষি জমি কমেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে হলফনামা অনুযায়ী তার অকৃষি জমি ছিল ১২০০ শতাংশ। ২০২৩ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫০০ শতাংশে। মহাখালীতে পাঁচতলা বিশিষ্ট এবং সিংগাইরের জয়মন্টপ এলাকায় দ্বিতীয় তলা বিশিষ্ট একটি বাড়ি আছে মমতাজের। যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৫৭ লাখ ৫ হাজার ৪৪০ টাকা।

হলফনামায় নিজের পরিচয়ে মৃত বাবার নাম উল্লেখ থাকলেও মমতাজের স্বামীর নামে নগদ ৫ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১৮ লাখ টাকা এবং ১৩০০ সিসি ফান কার্গো নামে একটি গাড়ি দেখানো হয়েছে। গাড়িটির মূল্য ৮ লাখ টাকা।

অর্থসংবাদ/এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

December 2023
S M T W T F S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31