Connect with us

টেলিকম ও প্রযুক্তি

প্রযুক্তি খাতে দিনে চাকরি হারাচ্ছেন ১৬০০ কর্মী

Published

on

আনলিমা

বেশ কিছুদিন ধরেই খারাপ সময় পার করছেন প্রযুক্তি খাতের কর্মীরা। বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর প্রায়ই খবরের শিরোনাম হচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এক খবরে বলেছে, চলতি বছরে খাতটি থেকে প্রতিদিন চাকরি হারাচ্ছেন গড়ে ১৬০০ কর্মী। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং মন্দার আশঙ্কার কারণেই প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীদের ছাঁটাই করছে।

আজ মঙ্গলবারের (১৭ জানুয়ারি) প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি ট্র্যাকিং সাইট লেঅফের বরাতে জানায়, গত বছর ১ হাজারের বেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এক লাখ ৫৪ হাজার ৩৩৬ জন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। চলতি বছরেও অব্যাহত রয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রবণতা। মাইক্রোসফট, টুইটার, মেটার মতো বাঘা বাঘা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে তালিকায় রয়েছে ছোট-বড় নানা প্রতিষ্ঠান।

বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলছে, রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে চলমান অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব পড়েছে প্রযুক্তি খাতে। খরচ বাঁচানোর দ্রুততম পথ হিসেবে কর্মী ছাঁটাইকেই বেছে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো। অবশ্য এ ছাঁটাই দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে। বিশেষ করে এ ধরনের প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে অনাস্থা তৈরি করে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

টেলিকম ও প্রযুক্তি

সাইবার সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ বাড়বে ১৩ শতাংশ

Published

on

আনলিমা

ডিজিটালাইজেশনের এ যুগে সাইবার সিকিউরিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রযুক্তি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ক্যানালিসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক সংস্থা ও পরিষেবা খাতে সাইবার সিকিউরিটি ব্যয় দাঁড়াবে ২২ হাজার ৩৮০ কোটি ডলার। গত বছরের তুলনায় তা বাড়বে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে।

ক্যানালিসের ওয়েবসাইটে এ ব্যাপারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে সাইবার সিকিউরিটি পরিষেবা খাতের প্রবৃদ্ধি পণ্য সরবরাহের চেয়ে বেশি হবে। দেশীয়-আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কেনাকাটায়ও এখন অনলাইন লেনদেনের হার বাড়ছে। তবে অনলাইনভিত্তিক লেনদেনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হ্যাকিং থেকে নিরাপদ থাকা। হ্যাকাররা ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের তথ্য চুরি করে বেকায়দায় ফেলে দিচ্ছে। এজন্য সাইবার সিকিউরিটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ক্রমাগত অনলাইন হ্যাকিংয়ের হার বাড়ছে। এজন্য বিভিন্ন কোম্পানি ও সংস্থার অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে সাইবার সিকিউরিটি। প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক বাজেটের ওপর চাপ বাড়ছে। সাইবার সিকিউরিটির জন্য সব পরিকল্পনা হয়তো বাস্তবায়ন হবে না। প্রতিষ্ঠানগুলো এ খাতের ব্যয় পর্যবেক্ষণ করে দেখবে। কেবল সবচেয়ে জরুরি সাইবার সিকিউরিটির ওপর মনোযোগ দেবে যাতে ঝুঁকি কমিয়ে আনা যায়। এক্ষেত্রে সরকার ও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় বাড়বে, কিন্তু অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিম্নমুখী থাকায় ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ কিছুটা কমবে।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ক্যানালিসের প্রধান বিশ্লেষক ম্যাথিউ বল বলেন, সাইবার আক্রমণের হুমকির মুখে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সাইবার সিকিউরিটি বলয় প্রসারিত ও শক্তিশালী করতে এবং শনাক্তকরণ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে। ২০২৩ সালে সাইবার হামলা মোকাবেলা উন্নত করার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে। অপারেশনাল, অর্থনৈতিক ও ব্র্যান্ড বিবেচনায় কোম্পানিগুলোর জন্য র্যানসামওয়্যার সবচেয়ে বড় হুমকি। তবে চ্যাটজিপিটির মতো জেনারেটিভ এআই মডেলের উদ্ভাবন ও অপব্যবহার ২০২৩ সালের সাইবার ঝুঁকিকে অন্য স্তরে নিয়ে যাবে। এ প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্বল ও ক্ষতিকর কোড তৈরি করবে। এতে আক্রমণের ফ্রিকোয়েন্সি ও পরিসর বাড়বে। প্রতিষ্ঠানগুলো এরই মধ্যে বর্তমান ঝুঁকিগুলো মোকাবেলা করতে হিমশিম খাচ্ছে। এর ওপরে আবার সাইবার সিকিউরিটির জন্য আলাদা করে বড় বিনিয়োগ তাদের বেশ ভালোই ভোগাবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্মার্ট বিনিয়োগ করতে চ্যানেল অংশীদারদের সঙ্গে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে।

ক্যানালিসের রিসার্চ অ্যানালিস্ট শ্রীকারা উপাধ্যায় বলেন, কনসাল্টিং, আউটসোর্সিং, ডিপ্লয়মেন্ট, ইন্টিগ্রেশন, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালন পরিষেবাসহ সাইবার সিকিউরিটি পরিষেবার সরবরাহ ২০২৩ সালে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ৪৩০ কোটি ডলার হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ২০২৩ সালে বৈশ্বিক সাইবার সিকিউরিটি সামগ্রিক বাজারের ৬৪ দশমিক ৫ শতাংশ হবে। এ বছর সাইবার সিকিউরিটি সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানগুলো সিকিউরিটি কৌশলগুলো পরিবর্তন করবে। মহামারী শুরুর পর থেকে গত তিন বছরে যে কাঠামোগত দুর্বলতা দেখা গেছে সেগুলো সমাধানে কাজ করবে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোনে বিজয় কি-বোর্ড ব্যবহারের নির্দেশ

Published

on

আনলিমা

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোনে বিজয় অ্যান্ড্রয়েড প্যাকেজ কিট (এপিকে) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আমদানিকরা ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সব মোবাইলফোনেই বিজয় ব্যবহার করতে হবে।

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ মোবাইলফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেওয়া হয়। বিটিআরসির কাজী মো. আহসানুল হাবীব মিথুনের সই করা নির্দেশনায় এ কথা জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সব অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোনে বিজয় কি-বোর্ড ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আমদানিকরা ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সব অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোনে বিজয় অ্যান্ড্রয়েড এপিকে ফাইল ব্যবহারের লক্ষে কমিশনের স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে বিনামূল্যে বিজয় অ্যান্ড্রয়েড এপিকে ফাইল সরবরাহ করা হবে। এ লক্ষে চিঠি জারির ৩ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের স্পেকট্রাম বিভাগের সহকারী পরিচালক, দিদারুল ইসলামের কাছ থেকে বর্ণিত বিজয় অ্যান্ড্রয়েড এপিকে ফাইলটি সংগ্রহ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আরও উল্লেখ করা হয়, আমদানি করা/আমদানিতব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট মোবাইল হ্যান্ডসেট কমিশন থেকে বাজারজাতকরণের অনুমতি গ্রহণের পূর্বে সব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট মোবাইল হ্যান্ডসেটে সরবরাহকরা বিজয় অ্যান্ড্রয়েড এপিকে ফাইল ইনস্টল করে কমিশনে তা প্রদর্শন করতে হবে।

অন্যথায় উক্ত মোবাইল হ্যান্ডসেটের বাজারজাতকরণের জন্য অত্র কমিশন থেকে অনাপত্তি প্রদান করা হবে না। এ চিঠি জারির তারিখ থেকে বর্ণিত নির্দেশনাটি কার্যকর করা হবে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

নিজের বেতন ৪০ শতাংশ কমালেন অ্যাপল সিইও টিম কুক

Published

on

আনলিমা

নিজের বেতন ৪০ শতাংশ কমিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী (সিইও) টিম কুক। এর ফলে প্রযুক্তি কোম্পানিটি থেকে চলতি বছর তার বাৎসরিক আয় ৯ কোটি ৯৪ লাখ মার্কিন ডলার থেকে এক ধাক্কায় ৪ কোটি ৯০ লাখ ডলারে চলে আসবে। খবর এপির।

২০১১ সালে পদোন্নতি পেয়ে অ্যাপলের সিইও হন কুক। গত তিন বছর তিনি মূল বেতন হিসেবে ৩০ লাখ ডলার পাচ্ছিলেন। ২০২০ সালে বোনাসসহ কোম্পানি থেকে তার মোট আয় ছিল ১ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। কিন্তু ২০২১ সালে তা একলাফে বেড়ে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ডলারে পৌঁছায় এবং ২০২২ সালে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ কোটি ৯৪ লাখ ডলারে।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) রেগুলেটরি ফাইলিংয়ে অ্যাপল জানিয়েছে, ২০২৩ সালের জন্য টিম কুকের মোট বেতন ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার (৫১০ কোটি টাকা প্রায়)। এর মধ্যে মূল বেতন হবে ৩০ লাখ ডলার, নগদ প্রণোদনা ৬০ লাখ ডলার এবং ইক্যুইটি বোনাস চার কোটি ডলার।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, শেয়ারহোল্ডারদের মতামত, কোম্পানির পারফরম্যান্স, সর্বোপরি টিম কুকের পরামর্শে সিইও’র বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কুকের উচ্চ বেতনের বিষয়ে বিভিন্ন মহল থেকে সম্প্রতি সমালোচনার মুখে পড়েছিল অ্যাপল। ইনস্টিটিউশনাল শেয়ারহোল্ডার সার্ভিস (আইএসএস) নামে একটি পরামর্শক ফার্ম অভিযোগ তোলে, কুক যে বেতন পান তার অর্ধেকটাই কোম্পানির পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নয়।

গত বছরের মার্চ মাসে অ্যাপলের নির্বাহী বেতন ইস্যুতে শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে একটি ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়েছিল। এতে বিদ্যমান বেতনের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়লেও বিরোধীদের সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য।

ব্লুমবার্গের হিসাবে, প্রধান নির্বাহীদের কাছ থেকে নিজের বেতন কমানোর এ ধরনের সুপারিশ খুবই বিরল। বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিইও’দের বেতন প্যাকেজ ক্রমাগত বেড়েছে। নির্বাহী বেতনের ক্ষেত্রে ২০২১ সাল ছিল রেকর্ডের বছর।

অ্যাপল জানিয়েছে, টিম কুক তার বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত অনুমোদন দিয়েছেন। ৬২ বছর বয়সী এ ব্যবসায়ী তার ধন-সম্পদ দাতব্য কাজে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

মূল ধারায় আসছে ই-সিমযুক্ত স্মার্টফোন

Published

on

আনলিমা

অ্যাপলের মতো স্মার্টফোন নির্মাতারা এখন ই-সিম মডেলের দিকে ঝুঁকছে। পুরোপুরিভাবে তারা ই-সিম প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে চলেছে। ফলে কয়েক বছর আগে যাকে ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো, এখন সেটা খুব দ্রুতই মূল ধারায় চলে আসছে।

বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া অ্যাপলের আইফোন ১৪ মডেলগুলো চলছে শুধু ই-সিমের মাধ্যমে। যা প্রচলিত সিম কার্ডের প্রয়োজনীয়তা সম্পূর্ণরূপে দূর করেছে। যদিও অ্যান্ড্রয়েড ফোন নির্মাতারা এদিকে পুরোপুরিভাবে এগোনোর ক্ষেত্রে এখনো সতর্কতা অবলম্বন করছে। তবে ধীরে ধীরে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ব্র্যান্ড ই-সিম প্রযুক্তি গ্রহণ করছে।

তবে এতে গ্রাহকের লাভ কী? একটি ই-সিম স্মার্টফোন ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী কী সুবিধা পাবেন? অথবা ই-সিমের কী সুবিধা? চলুন দেখে নেওয়া যাক আজকের আলোচনায়।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ই-সিম কী?
ই-সিমের পূর্ণরূপ এমবেডেড সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিফিকেশন মডিউল। যা টেলিফোন পরিষেবা ব্যবহার করে গ্রাহকদের শনাক্ত করার তথ্য সংরক্ষণ করে। তবে এখানে আমাদের লক্ষ্য করতে হবে এম্বেডেড শব্দের দিকে।

ই-সিম অনেকটা আপনার নিয়মিত সিমের মতোই। এগুলোর কাজ প্রায় একই রকমের। তবে এদের মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে, ই-সিম আপনার স্মার্টফোনের মাদারবোর্ডে একটি চিপের মতো এম্বেড বা সংযুক্ত করা থাকে। প্রচলিত সিমগুলো আপনি চাইলে খুলতে পারেন কিংবা অদলবদল করতে পারেন। সে জায়গায় ই-সিম আপনার স্মার্টফোনেরই একটি অংশ। যা স্থায়ীভাবে আপনার স্মার্টফোনের মাদারবোর্ডে বসানো থাকে। যার কারণে আপনি চাইলেই স্মার্টফোন থেকে এটি অপসারণ করতে পারবেন না।

তবে এর মানে এই নয় যে আপনি চাইলে একটি ই-সিম পরিবর্তন করতে পারবেন না। আপনি চাইলেই ই-সিমের নাম্বার বা সিম কোম্পানি সহজেই পরিবর্তন করতে পারবেন।

এর জন্য আপনাকে আর সিম খোলার কিংবা নতুন সিম ঢোকানোর ঝামেলায় যেতে হবে না। এর পরিবর্তে ই-সিম পরিবর্তনের জন্য শুধু আপনার ক্যারিয়ার বা সিম কোম্পানির সঙ্গে একটি ফোন কল অথবা একটি কিউআর কোড স্ক্যান কিংবা কয়েকটি সেটিংসের পরিবর্তনই যথেষ্ট।

ই-সিম স্মার্টফোন ব্যবহারের সুবিধা
স্মার্টফোনে ই-সিম ব্যবহার যখন স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। তখন আপনি এর থেকে কী কী সুবিধা আশা করতে পারেন? একটি ই-সিম স্মার্টফোন কিংবা ই-সিম সাপোর্ট করে এমন ফোন অন্যান্য ফোন থেকে কোন কোন দিক দিয়ে আলাদা?

ক্যারিয়ার বা সিম কোম্পানি পরিবর্তন করা সহজ
ই-সিমযুক্ত ডিভাইসগুলোর অন্যতম আকর্ষণ হলো সহজে ক্যারিয়ার পরিবর্তনের সুবিধা। যদিও ই-সিম স্মার্টফোনের নির্মাতাদের মাধ্যমে এম্বেড বা স্থাপন করা থাকে। তবে এর তথ্য সহজেই পুনর্লিখন করা যায়। যার কারণে কয়েকটি সহজ পদক্ষেপেই এসব তথ্য পুনর্লিখনের মাধ্যমে অন্য কোনো ক্যারিয়ার বা সিম কোম্পানিতে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়।

প্রচলিত ফিজিক্যাল সিম পরিবর্তনের তুলনায় এতে আপনার সময় কম লাগবে। এ ছাড়া সিম ট্রে না খুলেই সহজে আপনি ক্যারিয়ার পরিবর্তন করতে পারবেন।

অ্যাপলের তথ্যমতে ১৯০টি দেশ ও অঞ্চলে ৪০০টিরও বেশি ক্যারিয়ার বর্তমানে ই-সিম সেবা দিয়ে থাকে। এর অর্থ হলো আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীরা এখন খুব সহজেই স্থানীয় ক্যারিয়ারগুলোর সেবা নিতে পারবে। যা তাদের অত্যধিক রোমিং চার্জ এড়াতে সাহায্য করবে।

একাধিক ই-সিম নিরাপদে রাখুন
আইফোন ১৪-এর মতো ই-সিম ডিভাইস আটটি পর্যন্ত ই-সিম ধারণ করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে একসঙ্গে শুধু দুটি সিম সক্রিয় থাকতে পারে। অন্যদিকে আপনি যত খুশি মোবাইল নম্বর ব্যবহার এবং সঞ্চয় করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে নম্বরগুলোকে একেকটি প্রোফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে। তারপর আপনার ইচ্ছানুযায়ী সেগুলোর মধ্যে পরিবর্তন করতে পারবেন।

আপনি যদি ভেবে থাকেন একাধিক সিমের মালিকানা কীভাবে আপনার উপকারে আসবে। তাহলে প্রথমেই যেটির কথা বলা যায় তা হচ্ছে গ্যারান্টিযুক্ত কাভারেজ। এর মাধ্যমে কোনো এলাকায় একটি ক্যারিয়ারের দুর্বল কভারেজ থাকলে। শক্তিশালী কভারেজযুক্ত অন্য কোনো ক্যারিয়ারে তখন সহজেই পরিবর্তন করতে পারবেন।

এ ছাড়া আপনি একাধিক সিম কোম্পানির সেরা সেরা অফার এবং বিস্তীর্ণ প্ল্যানগুলো থেকে আপনার জন্য সেরাটি বাছাই করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। যদি কোনো একটি ক্যারিয়ারে ভালো ভয়েস প্ল্যান থাকে এবং অন্যটিতে ভালো ডেটা প্ল্যান থাকে। তাহলে সেক্ষেত্রে আপনি সর্বদাই আপনার প্রয়োজন এবং সুবিধা অনুসারে আপনার জন্য সেরা অফারসহ ক্যারিয়ারে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।

অন্যদিকে আপনি আপনার ডিভাইসে কোনো ক্যারিয়ার পরিবর্তন করতে চাইলে। পুরানো নম্বর রেখেই তা করতে পারবেন।

ধুলো এবং পানিরোধী
২০১৬ সালে অ্যাপল তাদের আইফোনগুলোতে ৩ দশমিক ৫ মিমি হেডফোন জ্যাক বন্ধ করে দেওয়ার পর প্রচুর সমালোচনার মুখে পড়ে। কয়েক বছর পর দেখা যায়, আপনার স্মার্টফোনে একটি অতিরিক্ত পোর্ট যা দিয়ে পানি ঢুকে যেতে পারে তা সরিয়ে ফেলাই ছিল একটি স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত। একটি সত্যিকারের পানিরোধী ডিভাইস তৈরির জন্য, এই সিদ্ধান্তটি ছিল প্রয়োজনীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর মধ্যে একটি।

ই-সিম সে জায়গায় আপনার স্মার্টফোনে আরেকটি ছিদ্র কমাতে সাহায্য করবে। যা আপনার ফোনকে ধুলো এবং আর্দ্রতা থেকে উত্তম সুরক্ষা প্রদান করবে। পাশাপাশি আপনার ফোন ঘন ঘন নষ্ট হওয়ার আরেকটি কারণকেও এটি কমিয়ে আনবে।

স্মার্টফোনের কম জায়গা দখল করে
স্মার্টফোনের প্রতি ইঞ্চি জায়গা একটি পার্থক্য তৈরি করতে পারে। এক ইঞ্চি পরিমাণ অতিরিক্ত জায়গা বড়, ভালো কর্মক্ষমতার ব্যাটারিকে জায়গা করে দিতে পারে। আবার এক ইঞ্চি পরিমাণ জায়গার অভাব কম ক্ষমতা সম্পন্ন একটি ছোট ব্যাটারি ব্যবহারে প্রস্তুতকারককে বাধ্য করতে পারে। এভাবে একটি ছোট জায়গার তারতম্যই তৈরি করে দিতে পারে দুটি ফোনের মধ্যে বিশাল পার্থক্য।

ই-সিমগুলোতে খুবই ছোট চিপ। একটি ন্যানো সিমের চেয়েও এগুলো অনেক ছোট৷ যার ফলে এগুলো আপনার প্রচলিত সিমের তুলনায় অনেক কম জায়গা নেবে।

ফলস্বরূপ শুধু ই-সিম সাপোর্টেড ডিভাইসগুলো নির্মাতাদের সেই অতিরিক্ত জায়গা কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিবে। বাড়তি খালি জায়গায় প্রস্তুতকারকেরা করতে পারবেন অতিরিক্ত চিপ, সেন্সর বা বড় ব্যাটারি সংযোজন।

যদিও এটি এখন পর্যন্ত তাত্ত্বিক অনুমানের মধ্যে রয়েছে। তবে শুধু ই-সিম ডিভাইসগুলোর সিম ট্রে কম্পার্টমেন্ট খালি করার দরুন। স্মার্টফোনের লক্ষণীয় উন্নতি হওয়ার একটি বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে।

হারানো ডিভাইস ট্র্যাক করুন
যেহেতু ই-সিমগুলি প্রচলিত সিমের মতো নয়। এগুলো আপনি সরাসরি অদলবদল বা খুলতে পারবেন না। তাই আপনার ডিভাইস চুরি হয়ে গেলে অপরাধীদের আপনার সিম থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হবে। যা একটি হারানো স্মার্টফোনকে ট্র্যাক করাও সহজ করে তুলতে পারে।

যদিও এটি আপনার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। যার কারণে এর অনুকূল এবং প্রতিকূল ২ ধরনের দিকই রয়েছে। তবে নিঃসন্দেহে এটি আপনার স্মার্টফোনে সুরক্ষার একটি অতিরিক্ত স্তর যুক্ত করে।

এখন পর্যন্ত কোন কোন স্মার্টফোনে ই-সিম রয়েছে?
ই-সিম গ্রহণের দিক দিয়ে অ্যাপল সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। মার্কিন বাজারের জন্য নকশা করা সব আইফোন ১৪ স্মার্টফোন সম্পূর্ণরূপে ই-সিমের ওপর নির্ভরশীল। মার্কিন বাজারের বাইরের জন্য তৈরি মডেলগুলোতে ফিজিক্যাল সিম কার্ডের পাশাপাশি ই-সিম ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। ২০২০ এবং ২০২২ এর ছোট আইফোন এসই সহ; আইফোন ১১, এক্সএস, এক্সআর, ১২ এবং ১৩ সিরিজের ডিভাইসগুলোর সবগুলোই ই-সিম সাপোর্ট করে।

অ্যান্ড্রয়েডের দিক দিয়ে বেশ কয়েকটি পিক্সেল এবং স্যামসাং ডিভাইসে ই-সিম সাপোর্ট করে। পিক্সেল ২ থেকে পিক্সেল ৭ প্রো পর্যন্ত প্রতিটি পিক্সেল ডিভাইস ই-সিম সাপোর্ট করে। সব স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২০, এস২১, এবং এস২২ সিরিজের স্মার্টফোন ই-সিম সাপোর্ট করে। এ ছাড়া স্যামসাং ফ্লিপ অ্যান্ড ফোল্ড সিরিজ এবং নোট ২০ সিরিজ ই-সিম সাপোর্ট করে।

অপো ফাইন্ড এক্স৩, এক্স৩ প্রো, এক্স৫, এবং এক্স৫ প্রো সবই ই-সিম সাপোর্ট করে থাকে। এ ছাড়া সনি’র এক্সপেরিয়া ১ আইভি, সনি এক্সপেরিয়া ৫ আইভি, সনি এক্সপেরিয়া ১০ থ্রি লাইট, এবং সনি এক্সপেরিয়া ১০ আইভি ই-সিম সাপোর্ট করে।

ই-সিম সম্পূর্ণরূপে নতুন কোনো প্রযুক্তি নয়। এটি বেশ অনেকদিন থেকেই আছে। কিন্তু এর বেশ কিছু সুবিধা থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকদের মধ্যে এটি নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। স্মার্টফোন নির্মাতারা এটি ধীর গতিতে গ্রহণ করছে। তবে ই-সিম ধীরে ধীরে গ্রহণ করা হলেও এর রয়েছে বিশাল সম্ভাবনা।

ই-সিম গ্রহণে অ্যাপলের সাম্প্রতিক সাহসী পদক্ষেপ আরও অনেক অ্যান্ড্রয়েড ব্র্যান্ডকে প্রায় নিশ্চিতভাবে সেদিকে ধাবিত করবে। আমরা দেখেছি অ্যাপল যখন হেডফোন জ্যাক সরিয়ে পানিরোধী পরীক্ষায় সফল হয়। অ্যান্ড্রয়েড নির্মাতারা সেটি অনুসরণ করে। এবারও প্রায় নিশ্চিতভাবে বলা যায় অ্যান্ড্রয়েড নির্মাতারাও একসময় এতে যোগ দেবে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

রেস্টুরেন্ট-গ্রাহক দু’পক্ষকেই ঠকাচ্ছে ফুডপান্ডা!

Published

on

আনলিমা

অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে ওজন ও দরে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। গ্রাহক যে পরিমাণ খাবার অর্ডার করেছেন তার অর্ধেকেরও কম পরিমাণ গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। একইসঙ্গে অ্যাপে খাবারের দাম যা দেখানো হয়েছে তার থেকে বেশি অর্থও আদায় করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়াও যে প্রতিষ্ঠান থেকে খাবার সরবরাহ করা হয়, সেখান থেকেও ৪০ শতাংশের বেশি কমিশন নেয় ফুডপান্ডা।

সম্প্রতি মুহিবুল্লাহ মুহিব নামে একজন গ্রাহক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফুডপান্ডার অনিয়ম তুলে ধরে একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। ভিডিওতে তিনি জানান, ফুডপান্ডায় তিনি ৫০০ গ্রাম বিফ শাহী হালিম অর্ডার করেন। বিপরীতে তিনি পেয়েছেন ২০০ গ্রাম হালিম। অর্ডারের সময় ৫০০ গ্রাম হালিমের দাম ২৫২ টাকা প্রদর্শন করা হলেও আদায় করা হয়েছে ২৮০ টাকা। একইভাবে মোগলাইয়ের দাম ৯০ টাকা দেখিয়ে আদায় করা হয়েছে ১০০ টাকা করে।

মুহিবুল্লাহ মুহিবকে খাবার সরবরাহ করা হয়েছে মিরপুরের আবেশ হোটেল অ্যান্ড বিরিয়ানী হাউজ থেকে। মুহিব জানান, তিনি ওই হোটেলে যোগাযোগ করলে তাঁরা তাকে নিশ্চিত করেছেন, হোটেল থেকে পাঠানো বক্সটি ২৫০ গ্রাম ওজনের।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আবেশ হোটেলের পরিচালক মো. সুমন মিয়া অর্থসংবাদকে বলেন, যখন অর্ডারটি ডেলিভারি দেওয়া হয়, তখন আমি দোকানে ছিলাম না। আমার স্টাফ ভুল করে ২৫০ গ্রাম ওজনের হালিম ডেলিভারি করেছে। পরবর্তীতে আমরা আবার ৫০০ গ্রাম হালিম পাঠিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ফুডপান্ডা আমাদের থেকে যেসব খাবার নেয় সেগুলোতে আমরা ৪০ থেকে ৪২ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দিই।

এদিকে ফুডপান্ডা যে হালিমের (৫০০ গ্রাম) দাম ২৮০ টাকা বিল করেছে, সেটি আবেশ হোটেলে বিক্রি হয় ২০০ টাকায়। আর যে মোগলাই ১০০ টাকা করে বিল করেছে সেটি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। আবার এই বিলের সঙ্গে ডেলিভারি ও সার্ভিস চার্জ আলাদাভাবে আদায় করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আনলিমা

ভুক্তভোগী মুহিবুল্লাহ মুহিব অর্থসংবাদকে বলেন, হোটেল থেকে পুনরায় হালিম পাঠানো হয়েছে। পাঠানোটা জরুরি না। ওরা সম্পূর্ণ প্রতারণা করছে। ফুডপান্ডাও করছে। ফুডপান্ডার দায়িত্ব হচ্ছে অর্ডার অনুযায়ী পণ্য ডেলিভারি দিবে। কিন্তু আসলে ভেতরে কি আছে, না আছে সেটি দেখে না। জাস্ট দিয়ে চলে যায়। ওরা (ফুডপান্ডা) কোন কথা শুনতেও চায় না।

তিনি বলেন, আবেশ হোটেল প্রায়ই এটা করে থাকে। আমি মেপে দেখার কারণে বিষয়টি ধরা পড়ছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ফুডপান্ডা বাংলাদেশের সিইও আম্বারিন রেজা বলেন, ফুডপান্ডা একটি গ্লোবাল কোম্পানি। আমাদের নির্দিষ্ট পলিসি আছে, সেগুলো মেন্টেইন করতে হয়। এসব বিষয়ের জন্য আমাদের পিআর ফার্ম আছে। পিআর হেডকে ফোন করলে ভালো হয়। যে কোন সংবাদমাধ্যম থেকে পিআর সেকশনে যোগাযোগ করলে অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

তবে পিআর ফার্মের যোগাযোগের নম্বর চাইলে তাৎক্ষনিকভাবে দিতে পারেননি ফুডপান্ডা সিইও।

ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন কিছু নয়। আগে থেকেই খাবার মিসিং, কম দেওয়া বা একটার বদলে আরেকটা খাবার দেওয়ার মতো অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। এসব বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশও হয়েছে।

২০২১ সালে পেটুক কাপল নামের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ থেকে একটি ভিডিওর মাধ্যমে অভিযোগ জানানো হয়, ফুডপান্ডা থেকে খিচুড়ি আর কাচ্ছির রাইস অর্ডার করে তারা পেয়েছেন কাচ্ছির রাইস আর রোস্ট। খিচুড়ির জায়গায় কেন রোস্ট দেওয়া হলো এমন অভিযোগ করা হলে ফুডপান্ডার হেল্পলাইন থেকে ৫৩ টাকার একটি ভাউচার দেওয়া হয়। ভাউচারের পরিবর্তে খিচুড়ি চাইলে প্রায় তিন ঘণ্টা চ্যাটিং হেল্পলাইনের সময়ক্ষেপণ করেও সমাধান দেওয়া হয়নি।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
January 2023
SMTWTFS
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 

ফেসবুকে অর্থসংবাদ