Connect with us

অর্থনীতি

আইসিবির দুই প্রতিষ্ঠানে নতুন সিইও

Avatar of অর্থসংবাদ ডেস্ক

Published

on

ব্লকে

ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনস্থ দুই প্রতিষ্ঠান আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডে নতুন প্রাধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

গত ১ ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. গোলাম মোস্তফা।

মাহমুদা আক্তার পেয়েছেন আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব। আর আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন মাজেদা খাতুন।

দুই কর্মকর্তাই এর আগে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্বে ছিলেন। আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাদের পদায়ন কার্যকর হবে।

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করতে হবে ২.৩৪ লাখ কোটি টাকা

Published

on

ব্লকে

রাজস্ব খাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ করতে আগামী তিন অর্থবছরে (২০২৬) বাংলাদেশকে রাজস্ব হিসেবে ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা আয় করতে হবে। এর মধ্যে আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরেই আদায় বাড়াতে হবে ৬৫ হাজার কোটি টাকা।

এই অনুযায়ী, আগামী ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে করের অবদান (কর-জিডিপি অনুপাত) ৯.৫ শতাংশ করতে হবে।

এ বিষয়ে পিআরআই-এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, “এই পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা অত্যন্ত কঠিন, কিন্তু এর বিকল্প নেই”।

“বড় সংস্কার সম্পন্ন করতে না পারলে ঋণের কিস্তি আটকে যেতে পারে। এর আগেও এমন উদাহরণ আছে, বলেন তিনি।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)- এর ‘ইমপ্লিকেশনস অফ আইএমএফ লোন কন্ডিশনস অন ডমেস্টিক রেভেনিউ মোবিলাইজেশন’ শীর্ষক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০১২ সালের ভ্যাট আইনও সম্মতি অনুযায়ী বাস্তবায়িত হয়নি।

এদিকে কর বিশেষজ্ঞদের মতে, তিন বছরে কর-টু-জিডিপি রেশিও সাড়ে ৯ শতাংশে উন্নীত করা এবং অন্যান্য কাঠামোগত রাজস্ব সংস্কার সম্ভব।

রাজস্ব বোর্ডের কর নীতির সাবেক সদস্য মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে কর-টু-জিডিপি রেশিও ১৭ শতাংশে উন্নীত করা। এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০২৬ সালের মধ্যে ৯.৫ শতাংশ কর-জিডিপি রেশিও অর্জনের কথা উল্লেখ করেছে।

“আমি মনে করি, আইএমএফ-এর তহবিল দ্বারা নির্ধারিত লক্ষ্য সরকারের রাজস্ব সংগ্রহকে ত্বরান্বিত করবে,” দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে তিনি বলেন।

রাজস্ব বোর্ডের ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়া সংস্কারের কথা উল্লেখ করে, তিনি ডিজিটালাইজেশন এবং রাজস্ব সংগ্রহের সমন্বয়সহ আসন্ন এজেন্ডার ওপর জোর দেন।

তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক সদস্য মোঃ ফরিদ উদ্দিন বলেন,নির্ধারিত এত অল্প সময়ের মধ্যে সংস্কার সম্ভব নয়, কারণ বোর্ড এসব পরিবর্তন দ্রুত হজম করার মতো অত শক্তিশালী নয়।

“ভ্যাট আইন বিকৃত। ট্যাক্স আইন এবং শুল্ক আইন এখনো পাশ হয়নি। অটোমেশনের কথা বছরের পর বছর ধরে চলছে, উল্লেখযোগ্য আউটপুট ছাড়াই,” যোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “সরকার বড় ধরনের রাজস্ব সংস্কার করতে ব্যর্থ হলে আইএমেফের ঋণের কিস্তি আটকে যেতে পারে। এটি আগেও অন্যান্য কয়েকটি দেশে ঘটেছে।”

আইএমএফের হিসাবে, ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রায় ৩ লাখ ১ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব সংগ্রহের বিপরীতে কর-জিডিপি অনুপাত ছিল ৭.৮ শতাংশ।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য সরকার তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে, এই লক্ষ্যপূরণ সম্ভব বলে মনে করছে পিআরআই।

আইএমএফের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করে রাজস্বব বোর্ড জানিয়েছে, বাংলাদেশকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাত ০.৫ থেকে বাড়িয়ে ৮.৩ শতাংশ করতে হবে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হতে পারে প্রায় ৩ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

আইএমএফ’র লক্ষ্য পূরণে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ডকে মোট আদায় করতে হবে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪ লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আদায় করতে হবে ৫ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা।

গত অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের ওপর আলোচ্য ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা আদায় করতে হলে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে এনবিআরকে প্রবৃদ্ধি করতে হবে প্রায় ৭৮ শতাংশ। চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছর থেকে প্রতি বছর গড়ে আদায় বাড়াতে হবে ২০ শতাংশ করে।

অবশ্য গত পাঁচ বছরে রাজস্ব আদায় বেড়েছে গড়ে ১৪ শতাংশ হারে। ফলে এত বেশি হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন কঠিন হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রক্ষেপণের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন পিআরআই এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর এবং গবেষণা পরিচালক এমএ রাজ্জাক।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এই পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা অত্যন্ত কঠিন, কিন্তু এর বিকল্প নেই। বড় সংস্কার সম্পন্ন করতে না পারলে ঋণের পরবর্তী কিস্তি আটকে যেতে পারে। এর আগে এমন উদাহরণ আছে।

“এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারলে অবস্থা খারাপ হবে। শর্ত পূরণ না করেও উপায় নেই,” বলেন তিনি।

গত পাঁচ বছরের হিসাব অনুযায়ী, ট্যাক্স টু জিডিপি রেশিও কমতির দিকে। এ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. মনসুর বলেন, “বড় সংস্কারের শর্ত পূরণ করতে না পারলে ঋণের কিস্তি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর আগে ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের শর্ত পূরণ করা হয়নি। ফলে ঋণের সর্বশেষ এক বা দুই কিস্তি আটকে দেওয়া হয়েছিল।”

“এছাড়া পলিটিক্যাল ইকোনমি বিবেচনায় মূলত সংস্কার আটকে যায়। রাজনৈতিক ডাইরেক্টিভ না পাওয়ায়, ২০১২ সালের ভ্যাট আইনও বাস্তবায়ন হয়নি,” যোগ করেন তিনি।

এম এ রাজ্জাক তার উপস্থাপনায় বলেন, রাজস্ব খাতের ক্ষেত্রে আইএমএফের সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করা চ্যালেঞ্জের হবে। তবে এটা অসম্ভব নয়। এজন্য সরকারের সদিচ্ছার পাশাপাশি রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাতে হবে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

৬ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ১ হাজার ২৩০ কোটি ডলার

Published

on

ব্লকে

রপ্তানি কম হওয়ায় বড় বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৩০ কোটি ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ১ লাখ ২৯ হাজার ১৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১০৫ টাকা ধরে)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ৩ হাজার ৮১৩ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে। এর বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৫৮৩ কোটি ডলারের পণ্য। এতে ১ হাজার ২৩০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ।

বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, আমাদের রেমিট্যান্স ধরার পরেও চলতি খাতে বড় ঘাটতি থেকে যায়। মূলত বড় বাণিজ্য ঘাটতির কারণে চলতি খাতে ঘাটতি হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অর্থায়নের খাতটি। সেখানেও এখন ১০০ কোটি ডলারের বেশি ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ আমরা বাহির থেকে যে টাকা পাচ্ছি তার চেয়ে পরিশোধ করার পরিমাণ বেশি হয়ে যাচ্ছে। বাণিজ্য ঘাটতির সঙ্গে যোগ হয়েছে আর্থিক খাতের ঘাটতি। যেহেতু আমরা রেটগুলো ক্যাপ করে দিয়েছি সেহেতু রিজার্ভের উপর চাপ আসছে। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ব্যালেন্স অব পেমেন্টে ঘাটতি ৭১৬ কোটি ডলারের। এই ঘাটতি বাজারে ডলারের চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ নির্দেশ করে। ডলারের চাহিদার তুলনায় যোগানের ঘাটতি হচ্ছে ৭১৬ কোটি ডলার।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ঘাটতির এই অর্থ রিজার্ভ দিয়ে পূরণ করতে হবে মন্তব্য করে ড. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে ঘাটতির এই অর্থ রিজার্ভ দিয়ে পূরণ করছে। জানুয়ারি মাস পর্যন্ত প্রায় ৯০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে রিজার্ভ আরও কমে যাচ্ছে। বর্তমানের চেয়ে রিজার্ভ আরও কমে গেলে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এছাড়া প্রাকৃতিক বা কোনো বৈশ্বিক দুর্যোগ এলে এই ঝুকি আরও বেড়ে যেতে পারে। গত বছরের তুলনায় বাণিজ্য ঘাটতি কিছুটা কমেছে। কমার কারণ হলো আমদানি কমেছে। আমদানি কমার ক্ষেত্রে একটি উভয় সংকটের বিষয় আছে। আমদানি কমার কারনে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীদের উৎপাদন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এর ফলে দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়বে। ডলারের দর নির্ধারিত হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু করার থাকেনা। একইসঙ্গে কমছে রিজার্ভের পরিমাণ। তাই আমদানি কমানো ছাড়া তাদের কোন উপায় নেই। রপ্তানি আগের তুলনায় বাড়ছে। এরপরেও বাণিজ্য ঘাটতি বড় অঙ্কের।

আমদানির তুলনায় রপ্তানি অনেক কম হচ্ছে। এছাড়া অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রবাসী আয়ে ছিলো নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি। একইসঙ্গে বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ সব ধরনের পণ্যের মূল্যে ছিলো ঊর্ধ্বমুখী। এসবের প্রভাবে দেশ বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়ছে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিসেম্বর শেষে সেবাখাতে দেশ আয় করেছে ৪৫৫ কোটি ডলার। অন্যদিকে সেবাখাতে দেশের ব্যয় হয়েছে ৬৫০ কোটি ডলার। এতে সেবা খাতের ঘাটতি দাড়িয়েছে ১৯৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে একই সময়ে ঘাটতি ছিল ১৬৮ কোটি ডলার।

যেকোনো উন্নয়নশীল দেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকা ভালো। তবে বাংলাদেশের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ডিসেম্বর শেষে এ ঘাটতির পরিমাণ দাড়িয়েছে ৫২৭ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে একই সময়ে এ ঘাটতি ছিল ৮২৯ কোটি ডলার। এদিকে ডিসেম্বর শেষে সামগ্রিক লেনদেনে ঘাটতি ৭১৬ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিলো ১৭৯ কোটি ডলার।

তবে দেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ২৩২ কোটি ডলারের এফডিআই পেয়েছিল বাংলাদেশ। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে ২৬২ কোটি ডলারে উঠেছে।

এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতিতে পড়ে বাংলাদেশ। প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি নিয়ে শেষ হয়েছিল ওই বছর। তার আগে ৯ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলারের বড় উদ্বৃত্ত নিয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষ হয়েছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উদ্বৃত্ত ছিল ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

দেশে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৯৩ ডলার

Published

on

ব্লকে

দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে মাথাপিছু আয় বেড়ে দুই হাজার ৭৯৩ মার্কিন ডলার হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে যা ছিল দুই হাজার ৫৯১ মার্কিন ডলার। ফলে এক বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ২০২ মার্কিন ডলার।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চূড়ান্ত এ হিসাব প্রকাশ করেছে। মাথাপিছু আয় বাড়লেও সরকারের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাড়েনি। সাময়িক হিসাবে এ আয় ছিল দুই হাজার ৮২৪ ডলার। ফলে প্রতি ডলার সমান ১০৭ টাকা ধরে প্রতি বাংলাদেশি মানুষের আয় এখন দুই লাখ ৯৮ হাজার ৮৫১ টাকা।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই দ্রুত সমৃদ্ধি অর্জন করছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে দেশে বার্ষিক মাথাপিছু আয় ছিল ৬৭৬ টাকা। সেই হিসাবে একজনের দৈনিক আয় ছিল এক টাকা ৮৫ পয়সা। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ফলেই মাথাপিছু আয় বেড়েছে।

জিডিপির প্রবৃদ্ধি সবসময় ইতিবাচক থাকায় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে মাথাপিছু আয়। স্বাধীন দেশের শুরুতে যেখানে মাথাপিছু আয় ছিল ৬৭৬ টাকা, সেখানে মাত্র দুই যুগ পর (১৯৯৫-৯৬) সেই মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১১ হাজার ১৫২ টাকা। এরপর ১৯৯৮-৯৯ সালে মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ১৪৩ টাকা। এক ধাপে ২০০০-০১ সালে মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৯১ টাকা। এরপর ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ৩৬ হাজার ৪৪৮ টাকা, ২০১০-১১ অর্থবছরে ৬৬ হাজার ৪৪ টাকা মাথাপিছু আয় হয়।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

২০১৫-১৬ অর্থবছরে লাখ টাকা ছাড়ায় মাথাপিছু আয়। এই সময় মাথাপিছু আয় দাঁড়ায় এক লাখ ১৪ হাজার ৬২১ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় দাঁড়ায় এক লাখ ৬০ হাজার ৪৪০ টাকা।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ফ্রিল্যান্সিংয়ের অর্থ বিদেশে খরচের সুবিধা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Published

on

ব্লকে

ফ্রিল্যান্সারদের রপ্তানিকারকের রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবের সুবিধা দিতে নির্দেশ দি‌য়ে‌ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এ হিসাবের মাধ্য‌মে বিদেশ থেকে অর্জিত অর্থ বিদেশে খরচ করতে পার‌বেন ফ্রিল্যান্সাররা।

রোববার (৫ ফেব্রুয়া‌রি) এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ। বিদেশ থেকে অর্জিত অর্থ বিদেশে খরচ করার জন্য ইআরকিউ হিসাব হলো স্বীকৃত বৈধ পদ্ধতি।

সার্কুলার অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে রপ্তানিকারকের রিটেনশন কোটা হিসাব সংক্রান্ত সেবা দি‌তে নির্দেশনা দিয়েছেন। সেবা খাতের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইসিটিখাতসহ অন্যান্য সেবা রপ্তানিকারকদেরকে প্রয়োজনীয় ইআরকিই হিসাব খোলা, আন্তর্জাতিক ডেবিট, ক্রেডিট, প্রিপেইড কার্ড ইস্যু ও তা দিয়ে অনলাইন পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় ব্যয় কর‌তে পার‌বেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইসিটি খাতে নানারকম ব্যয় বিদেশে পাঠা‌তে হয়। কিন্তু ফ্রিল্যান্সারদের নামে ইআরকিউ হিসাব না থাকায় কার্ড সুবিধার আওতায় সহজ উপায়ে বৈদেশিক লেনদেন তাদের পক্ষে করা সম্ভব হয় না। এছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মরত ফ্রিল্যান্সারদের এডি ব্যাংক শাখা নয় এমন ব্যাংক শাখা ইআরকিউ হিসাবসহ কার্ড সেবা প্রদান করতে পারে না।
এমন বি‌বেচনায় এডি শাখা নয় এমন ব্যাংকের মাধ্যমে আয় প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে নিকটবর্তী এডি শাখা ও সেন্ট্রাল ট্রেড প্রোসেসিং সেন্টার কিংবা প্রধান কার্যালয়ের সহায়তায় ইআরকিউ হিসাব খোলা ও কার্ড সার্ভিস সুবিধা দি‌তে সার্কুলারে বলা হয়েছে।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে আয় প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সেটেলমেন্ট ব্যাংককে ইআইকিই হিসাব খোলাসহ আন্তর্জাতিক কার্ড ইস্যুর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

আইসিটি খাতসহ সেবা খাতের রপ্তানিকারকদের ইআরকিউ হিসাব খোলার সুবিধাসহ আন্তর্জাতিক কার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করার ফলে এ খাতে আয় বাড়‌বে ব‌লে ম‌নে কর‌ছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

‘রিজার্ভ একবার কমতে শুরু করলে সামাল দেওয়া কঠিন’

Published

on

ব্লকে

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একবার কমতে শুরু করলে তা সামাল দেওয়া কঠিন বলে জানিয়েছে দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা। দেশের রিজার্ভ কমার প্রবণতার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। তারা বলেছেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বড় বিষয় নয়, দেখতে হবে, প্রবণতা কী। রিজার্ভ কমার প্রবণতা নিম্নগামী থাকলে তা ঠেকানো কঠিন।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ষষ্ঠ সানেম বার্ষিক অর্থনীতিবিদ সম্মেলন শুরু হয়। দুই দিনের এই সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের দেড় শ’ অর্থনীতিবিদ অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনে ২৩টি অধিবেশনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অর্থনীতি-গবেষকরা ৮০টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। সম্মেলন শেষ হচ্ছে রোববার।

আলোচনায় অংশ নিয়ে অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, দেশের রিজার্ভ একসময় ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারও ছিল। তাই বলছি, পরিমাণ অনেক সময় বড় সমস্যা নয়, প্রবণতাটাই বড় কথা।

সম্মেলনে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ঋণ দিতে এবার আইএমএফ বেশি শর্ত দেয়নি।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

তবে আহসান মনসুরের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ খেলাপি ঋণ নিয়ে বলেন, অনেক দশক ধরে দেখেছি, কাগজে সই করলেই কি খেলাপি ঋণ কমে যাবে? এটি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক ব্যাপার। খেলাপি ঋণ কমানোর শর্ত দেওয়ার মাধ্যমে আইএমএফের আমলাতন্ত্র খুশি, আমরাও খুশি।

রাজনীতি ব্যবসায়ীদের হাতে চলে গেছে বলে যে সমালোচনা করা হয়, সেটি নিয়েও বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের রাজনীতি রাজনীতিবিদদের হাতেই আছে, তবে সংসদে অনেক সদস্যই ব্যবসায়ী।

অর্থনৈতিক এই সঙ্কট থেকে বের হয়ে আসতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ থেকে সরকার যে ঋণ নিচ্ছে, সেটি দেশের জন্য ইতিবাচক হবে বলেও মনে করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইএমএফ আমাদের আর্থিক খাতে যেসব সংস্কার প্রস্তাব করেছে সেগুলো যৌক্তিক। তাদের পরামর্শে আর্থিক খাতে ধারাবাহিক সংস্কার করা হচ্ছে। এসব প্রস্তাব সরকার ইতিবাচকভাবে নেওয়ায় এখন অন্যান্য দাতা সংস্থাও ইন্টারেস্ট দেখাচ্ছে।

গত ৩১ জানুয়ারি বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদনের বিষয়টি বিজ্ঞপ্তিতে জানায় আইএমএফ। দুই দিন পরেই প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার জমা পড়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে।

এই ঋণ নিতে সংস্থাটির ২৮টি শর্ত মানতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এর অন‌্যতম হলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ভর্তুকি কমানো। আইএমএফের অন্য শর্তের মধ্যে আছে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমানো। সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার ক্ষেত্রেও সরকার একমত পোষণ করেছে। বৈশ্বিক সঙ্কটে দেশের অর্থনীতিতে যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে তা মোকাবিলা ও উত্তরণের উপায় নিয়েই সানেমের এবারের সম্মেলনে আলোচনা করেন বক্তারা।

সম্মেলনের প্রথম সেশনে সানেমের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সেলিম রায়হান বলেন, আইএমএফের ৪৭০ কোটি টাকা ঋণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত না, বরং টার্নিং পয়েন্ট। এই ঋণ পাওয়ার ফলে এখন অন্যান্য দাতা সংস্থা বাংলাদেশের ব্যাপারে আস্থা পাবে। তাদের কাছে স্বল্প সুদে ঋণ পাওয়া সহজ হবে।

দেশের অর্থনীতি ঠিক করতে চারটি বিষয়ের ওপর জোর দিতে বলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান। তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতিতে যেসব আঘাত এসেছে সেগুলোর কোনোটিতে প্রধান্য দেওয়া উচিত, তা খুঁজে বের করতে হবে। এ বিষয়ে সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে কাজ করবে এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে এসব আঘাতের প্রভাব কেমন, তার উপর জোর দিতে হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশের বেশি উল্লেখ করে বেসরকারি খাতে শিক্ষাব্যবস্থার বিকাশে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শামসুল আলমের এই কথা প্রসঙ্গে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সজ্জন ব্যক্তি। কিন্তু শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি ব্যয়ের বিকল্প নেই, বেসরকারি খাত থাকবে পরিপূরক হিসেবে। ভারত ও নেপালে শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয় ৫ শতাংশের বেশি। শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা এখন সমান।

আইএমএফ-এর শর্ত দেওয়া প্রসঙ্গে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, আইএমএফ বাংলাদেশকে কোনো শর্ত দেয়নি। তারা আমাদের পরামর্শ দিয়েছে। তারা আমাদের যে পরামর্শ দিয়েছে, সেগুলো আমাদেরও চাওয়া। সংস্কার কোনো বিপ্লব নয় বা রাতারাতি সম্ভব নয়। সংস্কার করতে সময় লাগে, এটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তবে এরই মধ্যে কিছু কিছু সংস্কার আনা হয়েছে বলেই আইএমএফ আমাদের ঋণ দিয়েছে।

তিনি বলেন, আইএমএফের শর্ত নয়, সংস্থাটির পরামর্শেই আর্থিক খাতে ধারাবাহিক সংস্কার করা হচ্ছে। আইএমএফের লোনের ধারাবাহিকতায় এরই মধ্যে অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো বাংলাদেশকে নিয়ে তাদের ইন্টারেস্ট দেখাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদরা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মতো গত একটি বছর কঠিন যাচ্ছে বাংলাদেশের জন্যও। বিশ্ববাজারে পণ্য ও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার মান পড়ে যাওয়া, ডলার সঙ্কট, রিজার্ভের ক্রমাগত পতন, প্রবাসী আয়ে ভাটা, ইত্যাদির কারণে গত এক যুগের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে সবচেয়ে বেশি উৎকণ্ঠার কথা বলছেন তারা।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

তারিখ অনুযায়ী খবর

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮