Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

দাম বাড়লো ১২ কেজি এলপিজির

Avatar of মনির হোসেন, অর্থসংবাদ ডেস্ক

Published

on

ব্লকে

পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ৪৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ অ্যানার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যেটি ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম পরবে ১ হাজার ২৯৭ টাকা।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এলপি গ্যাসের নতুন এ দাম ঘোষণা করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল।

এর আগে ১২ কেজির প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিলো ১ হাজার ২৫১ টাকা।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-বাণিজ্য

অর্জিত হয়নি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

Published

on

ব্লকে

২০২২ সালে ১০ কোটি চা উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও বৈরী আবহাওয়া ও শ্রমিক ধর্মঘটসহ নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে চা বাগানগুলো। বিদায়ী বছরে দেশে চা উৎপাদন হয়েছে ৯ কোটি ৩৮ লাখ কেজি। আর ২০২১ সালে দেশে চা উৎপাদন হয়েছিল ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি। সেই তুলনায় উৎপাদন কমেছে ২৬ লাখ ৭৭ হাজার কেজি।

বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালে দেশের ১৬৮টি বাগান থেকে ৭ কোটি ৭৭ লাখ ৮০ হাজার কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্য ছিল। তবে লক্ষ্যের চেয়েও ১ কোটি ৮৭ লাখ ২৬ হাজার কেজি বেশি উৎপাদন হয়েছিল। ২০২০ সালেও দেশে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ৪ লাখ ৫৪ হাজার কেজি বেশি উৎপাদন হয়। উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৮ কোটি ৬৩ লাখ ৯৪ হাজার কেজি চা।

ডিসেম্বর পর্যন্ত চা বোর্ডের সর্বশেষ উৎপাদন প্রতিবেদন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে দেশে বাড়ছে চায়ের উৎপাদন। প্রতি বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি চা উৎপাদন হওয়ায় ২০২২ সালে চায়ের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা এক লাফে বাড়িয়ে ২ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার কেজি নির্ধারণ করা হয়। এর আগে প্রতি বছর দুই-আড়াই শতাংশ হারে চা উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করত চা বোর্ড। কয়েক বছর ধরে উৎপাদন প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাওয়ায় বার্ষিক ১০ কোটি কেজি চা উৎপাদনের ল্যান্ডমার্ক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু মৌসুমে অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, ভরা মৌসুমে কয়েক সপ্তাহের শ্রমিক ধর্মঘট চা উৎপাদনের রেকর্ড লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হতে দেয়নি বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে চা উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে দাবি করে খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে চা উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা চলতি মৌসুমে ব্যাহত হয়েছে মূলত চা শ্রমিকদের মজুরি ইস্যুতে ধর্মঘটের কারণে। বছরের মাঝামাঝিতে টানা ২০ দিনের ধর্মঘটের কারণে দেশের চা উৎপাদন কমে যায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় জুলাই ও আগস্টের উৎপাদন। জুলাইয়ে ১ কোটি ১২ লাখ ৬৭ হাজার কেজি এবং আগস্টে ১ কোটি ৭ লাখ ৬২ হাজার কেজিতে নেমে যায় উৎপাদন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক কম। যদিও সেপ্টেম্বরে রেকর্ড ১ কোটি ৪৭ লাখ ৪০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়। তবে অক্টোবরে ধর্মঘটের কারণে ফের প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে বাগানগুলো। ওই মাসে ২০২১ সালের একই সময়ের তুলনায় ৩২ লাখ ১ হাজার কেজি কম উৎপাদন হয়।

খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে চায়ের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয় জুন থেকে অক্টোবরে। ব্যবহার বাড়তে শুরু করে অক্টোবর থেকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দেশে চায়ের ব্যবহার সাড়ে নয় কোটি কেজি ছাড়িয়েছে। এবার দেশীয় ব্যবহারের চেয়ে উৎপাদন কম হওয়ায় মূল্যবৃদ্ধি ও আমদানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

বাণিজ্য মেলায় ভ্যাট আদায়ে ৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

Published

on

ব্লকে

২৭ তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট বিভাগের রাজস্ব আদায়ে প্রায় ৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ঢাকা পূর্ব কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। মেলায় পণ্য বিক্রির ওপর আড়াই কোটি টাকার বেশি ভ্যাট আদায় করেছে এনবিআর।

ভ্যাট কমিশনারেটের তথ্যানুসারে, বাণিজ্য মেলা থেকে ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার ভ্যাট আদায় হয়েছে। এ বছর ভ্যাট আদায়ে ৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং ২০২১ সালের তুলনায় ৯০ লাখ টাকা বেশি। ২০২১ সালে পণ্য বিক্রয়ের ওপর থেকে ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ভ্যাট আদায় হয়েছিল।

এ বিষয় ঢাকা পূর্ব কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের উপকমিশনার মো. ইফতেখার আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের অফিসের আওতায় উপকমিশনার ও সহকারী কমিশনারের নেতৃত্ব আটটি টিম ধারাবাহিকভাবে ভ্যাট সংগ্রহের কাজ করেছে। স্বল্প জনবল দিয়ে সব দোকান বা প্যাভিলিয়নের নজরদারি করার চেষ্টা করেছি। মেলায় পণ্য বিক্রির ওপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আদায় করা হয়েছে।’

এর আগে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানান, বাণিজ্য মেলা থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার স্পট রফতানি আদেশ পাওয়া গেছে। এছাড়া মেলায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে। এবারের মেলায় ভারত, হংকং, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, কোরিয়া, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও নেপালের মোট ১৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

মেলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্যাভিলিয়ন ও স্টলকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম পুরস্কার দেয়া হয় ১০টি সেরা প্যাভিলিয়ন ও স্টলকে, দ্বিতীয় পুরস্কার দেয়া হয় ১৩টি প্যাভিলিয়ন ও স্টলকে, তৃতীয় পুরস্কার দেয়া হয় ১১টি প্যাভিলিয়ন ও স্টলকে। এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে চারটি প্রতিষ্ঠানকে, বেস্ট ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে, বেস্ট ফার্নিচার উৎপাদনকারী বা রফতানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে এবং ইনোভেটিভ পণ্য উৎপাদনকারী বা বিক্রেতা হিসেবে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ট্রফি দেয়া হয়।

অর্থসংবাদ/এসএম

    শেয়ার করুন:
    অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

‘বাণিজ্য মেলায় রফতানি আদেশ এসেছে ৩০০ কোটি টাকার’

Published

on

ব্লকে

এবারের ২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার স্পট রফতানি আদেশ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে একথা জানান তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এবারের ২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় মানুষের আগ্রহ অনেক বেড়েছে। অংশগ্রহণকারী বেড়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ। মেলায় প্রায় ৩০-৩৫ লাখ দর্শনার্থী এসেছেন, কেনা-বেচা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকার। স্পট রফতানি আদেশ মিলেছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার।’

বাণিজ্য মেলা রফতানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত বছর ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করে প্রকৃত রপ্তানি হয়েছিল ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রসঙ্গত, মেলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার দেয়া হয় ১০টি সেরা প্যাভিলিয়ন ও স্টলকে, দ্বিতীয় পুরস্কার দেয়া হয় ১৩টি প্যাভিলিয়ন ও স্টলকে, তৃতীয় পুরস্কার দেয়া হয় ১১টি প্যাভিলিয়ন ও স্টলকে। এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে চারটি প্রতিষ্ঠানকে, বেস্ট ইলেক্ট্রনিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে, বেস্ট ফার্নিচার উৎপাদনকারী বা রফতানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে এবং ইনোভেটিভ পণ্য উৎপাদনকারী বা বিক্রেতা হিসেবে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ট্রফি দেয়া হয়।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

নিজস্ব বিদ্যুতে চলে শিল্প-কারখানা

Published

on

ব্লকে

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে উৎপাদনমুখী শিল্প স্থাপনা রয়েছে ৪৬ হাজারের কিছু বেশি। এর মধ্যে ৪০ হাজারের কিছু বেশি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প। বাকি ছয় হাজার বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প। আর সব শিল্পের বড় অংশই সচল থাকে বিদ্যুতের নিজস্ব উৎপাদন বা ক্যাপটিভ ব্যবস্থায়। কারণ হিসেবে শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, ব্যয়ভারের চেয়েও বড় সমস্যা হলো সেটি নিরবচ্ছিন্ন নয়। ফলে শিল্পের লাইফলাইন বা শিল্প চলে মূলত ক্যাপটিভেই।

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এখন সাড়ে ২৬ হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি। জাতীয় গ্রিডবহির্ভূত উৎপাদন সক্ষমতা সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াটের মতো, যার মধ্যে ক্যাপটিভের সক্ষমতা প্রায় ২ হাজার ৮ মেগাওয়াট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে গত এক দশকেরও বেশি সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে। কিন্তু নিরবচ্ছিন্ন না হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে আস্থা পাচ্ছে না শিল্প খাত। নিজস্ব বিদ্যুিনর্ভরতাও তাই ক্রমে বাড়ছে।

শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ পর্যাপ্ত থাকলেও শিল্প মালিকরা তাতে খুব একটা আগ্রহী হন না। আবার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে দাম গুনতে হয় দ্বিগুণেরও বেশি। এসব কারণে জাতীয় গ্রিডের চেয়ে ক্যাপটিভেই এখনো নির্ভরতা শিল্প মালিকদের। কিন্তু সেই ক্যাপটিভ এখন গলার কাঁটা হয়ে দেখা দিচ্ছে। একদিকে জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতার ভোগান্তি—গ্যাস সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন যেমন না, আবার ক্ষেত্রবিশেষে বন্ধও থাকছে। অন্যদিকে আবার গ্যাসের দামও বহুগুণ বেড়েছে। ফলে শিল্পের লাইফলাইন ক্যাপটিভ হলেও এ ব্যবস্থার সুফল পাওয়া থেকে ক্রমেই দূরে সরে যেতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের।

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প মূলত ক্যাপটিভেই চলে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পগুলোর অনেকে কম হলেও ক্যাপটিভ ব্যবস্থা ব্যবহার করে। একটা সময় ছিল যখন বিদ্যুতের সংকট ছিল। ফলে সরকারের উৎসাহ ছিল উদ্যোক্তাদের ক্যাপটিভ ব্যবস্থা গড়ে তোলার। সে উৎসাহের ওপর ভিত্তি করেই ব্যক্তি খাতের শিল্পে বিনিয়োগ হয়েছে নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থায়।’

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ক্রমে বাড়লেও সরবরাহ ও সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নতি হয়নি। এজন্যই ব্যয়ভার, গ্যাসের চাপজনিত সমস্যা থাকলেও ক্যাপটিভ বিদ্যুতে ভরসা রাখছে শিল্প খাত। কিন্তু বর্তমানে ক্যাপটিভে উৎপাদনও কঠিন হয়ে পড়ছে। বর্তমানে ক্যাপটিভ বিদ্যুতের ব্যয় যে পর্যায়ে গেছে শিল্প সংকুচিত হওয়া ছাড়া পথ থাকবে না। তবে গ্রিড বা ক্যাপটিভ শিল্প টিকিয়ে রাখতে হলে জ্বালানি লাগবেই। কেননা গ্রিডের বিদ্যুতের দাম অনেক বেশি।’

একই মত পোষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশই ব্যবহার করে শিল্প। জাতীয় গ্রিডেও উৎপাদন সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। কিন্তু শিল্প খাত সেটা ব্যবহার করছে না, কারণ গ্রহণযোগ্য নয়। সঞ্চালন ও সরবরাহের পাশাপাশি ফুয়েল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে গ্রহণযোগ্য করা যেত। যেহেতু টেকসই নয়, তাই জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ শিল্প তেমন ব্যবহার করছে না। শিল্প চায় গুণগত মান ও গ্রহণযোগ্যতা। গ্যাস দিয়ে দিলে নিজেদের উৎপাদন ব্যবস্থায়ই তারা আস্থা রাখছে।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক ম তামিম বলেন, ‘সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলো ক্যাপটিভ থেকে সরে আসবে। আমাদের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর পরিকল্পনা মূলত আমদানিনির্ভরতাকে ঘিরে। পুরো বিদ্যুৎ খাত পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছে। সমস্যা হলো আমদানিনির্ভরতার পরিকল্পনা সঠিকভাবে কাজে লাগছে না আর্থিক অব্যবস্থাপনার কারণে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতি বিদ্যুৎ খাতের ব্যর্থতা নয়। আর্থিক অব্যবস্থাপনার কারণেই এ সংকট।’

সূত্র জানিয়েছে, দেশে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চটি মূলত তৈরি পোশাকের কাঁচামাল সুতা-কাপড়ের উৎপাদনকারী বস্ত্র শিল্প মালিকদের। এ শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, যারা ক্যাপটিভনির্ভর শিল্প তাদের বাস্তবতা হলো জ্বালানি উৎস সেই একটিই, গ্যাস। এখন যে দামে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে, সেটা সমন্বয় করা হচ্ছে। যেহেতু গ্যাসের সংকট, এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে উৎপাদনে। শিল্পের খুব কম উদ্যোক্তারই দুই ধরনের জ্বালানি উৎস আছে। কাজেই যাদের ক্যাপটিভ, তাদের যদি গ্যাস সরবরাহ না থাকে, তাহলে উৎপাদন বন্ধ থাকবে। এখনই রেশনিং করে চলতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে সুতা ও কাপড় উৎপাদনকারী মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, ‘ক্যাপটিভ অবশ্যই শিল্পের লাইফলাইন। বস্ত্র খাত ও ক্যাপটিভ মিলিয়ে গোটা শিল্পে গ্যাসের ব্যবহার ৩৫ শতাংশ। বাকি পুরোটাই সরকারের বিভিন্ন খাতে। ১৬ টাকার গ্যাস এখন হয়েছে ৩০ টাকা। অর্থাৎ আগে মাসে বিল ছিল ২ কোটি টাকা, এখন হয়ে গেল ৪ কোটি। এতে শিল্পপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। এফবিসিসিআইয়ের মাধ্যমে বিষয়টি পুনরায় বিবেচনার জন্য উদ্যোগ নেয়া যায় কিনা, আমরা সেটা ভাবছি।’

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

আখাউড়া স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে আগামীকাল

Published

on

ব্লকে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম রোববার (১৫ জানুয়ারি) বন্ধ থাকবে।

ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা বন্দরের কাস্টমসকে দেওয়া ‘ইন্দো-বাংলা এক্সপোর্টার-ইমপোর্টার কমিউনিকেশন সেন্টার’র সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর দেব সই করা একটি পত্রে এতথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) সেই পত্র আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জানান, মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে রোববার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে যথারীতি এ কার্যক্রম আবার চলবে।

আখাউড়া স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক স্বপন কুমার দাস বলেন, রোববার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দর দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।

শেয়ার করুন:
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

তারিখ অনুযায়ী খবর

রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮