Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ

Published

on

প্রকাশ

দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম রোববার (৪ ডিসেম্বর) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ভালোমানের সোনার পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের সোনার দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৩৩ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোন অপরিবর্তিত আসেনি।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি শনিবার বৈঠক করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুস সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী— সব থেকে ভালোমানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৭৯৯ টাকা বাড়িয়ে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

শিল্প-বাণিজ্য

নিজস্ব বিদ্যুতে চলে শিল্প-কারখানা

Published

on

প্রকাশ

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে উৎপাদনমুখী শিল্প স্থাপনা রয়েছে ৪৬ হাজারের কিছু বেশি। এর মধ্যে ৪০ হাজারের কিছু বেশি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প। বাকি ছয় হাজার বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প। আর সব শিল্পের বড় অংশই সচল থাকে বিদ্যুতের নিজস্ব উৎপাদন বা ক্যাপটিভ ব্যবস্থায়। কারণ হিসেবে শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকার যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, ব্যয়ভারের চেয়েও বড় সমস্যা হলো সেটি নিরবচ্ছিন্ন নয়। ফলে শিল্পের লাইফলাইন বা শিল্প চলে মূলত ক্যাপটিভেই।

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এখন সাড়ে ২৬ হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি। জাতীয় গ্রিডবহির্ভূত উৎপাদন সক্ষমতা সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াটের মতো, যার মধ্যে ক্যাপটিভের সক্ষমতা প্রায় ২ হাজার ৮ মেগাওয়াট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে গত এক দশকেরও বেশি সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে। কিন্তু নিরবচ্ছিন্ন না হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে আস্থা পাচ্ছে না শিল্প খাত। নিজস্ব বিদ্যুিনর্ভরতাও তাই ক্রমে বাড়ছে।

শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ পর্যাপ্ত থাকলেও শিল্প মালিকরা তাতে খুব একটা আগ্রহী হন না। আবার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে দাম গুনতে হয় দ্বিগুণেরও বেশি। এসব কারণে জাতীয় গ্রিডের চেয়ে ক্যাপটিভেই এখনো নির্ভরতা শিল্প মালিকদের। কিন্তু সেই ক্যাপটিভ এখন গলার কাঁটা হয়ে দেখা দিচ্ছে। একদিকে জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতার ভোগান্তি—গ্যাস সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন যেমন না, আবার ক্ষেত্রবিশেষে বন্ধও থাকছে। অন্যদিকে আবার গ্যাসের দামও বহুগুণ বেড়েছে। ফলে শিল্পের লাইফলাইন ক্যাপটিভ হলেও এ ব্যবস্থার সুফল পাওয়া থেকে ক্রমেই দূরে সরে যেতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প মূলত ক্যাপটিভেই চলে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পগুলোর অনেকে কম হলেও ক্যাপটিভ ব্যবস্থা ব্যবহার করে। একটা সময় ছিল যখন বিদ্যুতের সংকট ছিল। ফলে সরকারের উৎসাহ ছিল উদ্যোক্তাদের ক্যাপটিভ ব্যবস্থা গড়ে তোলার। সে উৎসাহের ওপর ভিত্তি করেই ব্যক্তি খাতের শিল্পে বিনিয়োগ হয়েছে নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ক্রমে বাড়লেও সরবরাহ ও সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নতি হয়নি। এজন্যই ব্যয়ভার, গ্যাসের চাপজনিত সমস্যা থাকলেও ক্যাপটিভ বিদ্যুতে ভরসা রাখছে শিল্প খাত। কিন্তু বর্তমানে ক্যাপটিভে উৎপাদনও কঠিন হয়ে পড়ছে। বর্তমানে ক্যাপটিভ বিদ্যুতের ব্যয় যে পর্যায়ে গেছে শিল্প সংকুচিত হওয়া ছাড়া পথ থাকবে না। তবে গ্রিড বা ক্যাপটিভ শিল্প টিকিয়ে রাখতে হলে জ্বালানি লাগবেই। কেননা গ্রিডের বিদ্যুতের দাম অনেক বেশি।’

একই মত পোষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশই ব্যবহার করে শিল্প। জাতীয় গ্রিডেও উৎপাদন সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। কিন্তু শিল্প খাত সেটা ব্যবহার করছে না, কারণ গ্রহণযোগ্য নয়। সঞ্চালন ও সরবরাহের পাশাপাশি ফুয়েল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে গ্রহণযোগ্য করা যেত। যেহেতু টেকসই নয়, তাই জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ শিল্প তেমন ব্যবহার করছে না। শিল্প চায় গুণগত মান ও গ্রহণযোগ্যতা। গ্যাস দিয়ে দিলে নিজেদের উৎপাদন ব্যবস্থায়ই তারা আস্থা রাখছে।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক ম তামিম বলেন, ‘সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলো ক্যাপটিভ থেকে সরে আসবে। আমাদের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর পরিকল্পনা মূলত আমদানিনির্ভরতাকে ঘিরে। পুরো বিদ্যুৎ খাত পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছে। সমস্যা হলো আমদানিনির্ভরতার পরিকল্পনা সঠিকভাবে কাজে লাগছে না আর্থিক অব্যবস্থাপনার কারণে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতি বিদ্যুৎ খাতের ব্যর্থতা নয়। আর্থিক অব্যবস্থাপনার কারণেই এ সংকট।’

সূত্র জানিয়েছে, দেশে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চটি মূলত তৈরি পোশাকের কাঁচামাল সুতা-কাপড়ের উৎপাদনকারী বস্ত্র শিল্প মালিকদের। এ শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, যারা ক্যাপটিভনির্ভর শিল্প তাদের বাস্তবতা হলো জ্বালানি উৎস সেই একটিই, গ্যাস। এখন যে দামে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে, সেটা সমন্বয় করা হচ্ছে। যেহেতু গ্যাসের সংকট, এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে উৎপাদনে। শিল্পের খুব কম উদ্যোক্তারই দুই ধরনের জ্বালানি উৎস আছে। কাজেই যাদের ক্যাপটিভ, তাদের যদি গ্যাস সরবরাহ না থাকে, তাহলে উৎপাদন বন্ধ থাকবে। এখনই রেশনিং করে চলতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে সুতা ও কাপড় উৎপাদনকারী মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, ‘ক্যাপটিভ অবশ্যই শিল্পের লাইফলাইন। বস্ত্র খাত ও ক্যাপটিভ মিলিয়ে গোটা শিল্পে গ্যাসের ব্যবহার ৩৫ শতাংশ। বাকি পুরোটাই সরকারের বিভিন্ন খাতে। ১৬ টাকার গ্যাস এখন হয়েছে ৩০ টাকা। অর্থাৎ আগে মাসে বিল ছিল ২ কোটি টাকা, এখন হয়ে গেল ৪ কোটি। এতে শিল্পপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। এফবিসিসিআইয়ের মাধ্যমে বিষয়টি পুনরায় বিবেচনার জন্য উদ্যোগ নেয়া যায় কিনা, আমরা সেটা ভাবছি।’

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

আখাউড়া স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে আগামীকাল

Published

on

প্রকাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম রোববার (১৫ জানুয়ারি) বন্ধ থাকবে।

ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা বন্দরের কাস্টমসকে দেওয়া ‘ইন্দো-বাংলা এক্সপোর্টার-ইমপোর্টার কমিউনিকেশন সেন্টার’র সাধারণ সম্পাদক শিব শংকর দেব সই করা একটি পত্রে এতথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। শনিবার (১৪ জানুয়ারি) সেই পত্র আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জানান, মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে রোববার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে যথারীতি এ কার্যক্রম আবার চলবে।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আখাউড়া স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক স্বপন কুমার দাস বলেন, রোববার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দর দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

বাণিজ্য মেলায় ক্রেতার সঙ্গে প্রতারণা করলেই কঠোর ব্যবস্থা

Published

on

প্রকাশ

‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় পণ্য বা সেবা বিক্রিতে গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করলেই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রতিদিনই মেলায় অভিযান চালানো হচ্ছে। ভোক্তাদের অভিযোগ পেলেই নেওয়া হচ্ছে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা।’

রোববার (৮ জানুয়ারি) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মেলায় অধিদপ্তরের কার্যক্রম প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও প্রচার) আতিয়া সুলতানা বলেন, মেলা শুরু হয়েছে, প্রথম থেকে আমরা তদারকি করছি। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতনতামূলক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

তিনি জানান, মেলায় ‘হল বি’তে অধিদপ্তরের অস্থায়ী কার্যালয় করা হয়েছে। ভোক্তাদের কোনো পণ্য, খাবার ও সেবা ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত বা প্রতারিত হলে তাৎক্ষণিক প্রতিকার এবং ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে। মেলায় আগত ভোক্তারা বাণিজ্য মেলায় কোনো পণ‍্য, খাবার ও সেবা ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত বা প্রতারিত হলে অধিদপ্তরের মেলা কার্যালয়ে অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ১ জানুয়ারি মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটি ঢাকার ২৭তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। ১৯৯৫ সাল থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিপণন ও উৎপাদনে সহায়তার জন্য এ মেলার আয়োজন করা হয়। আগে বাণিজ্য মেলা শেরে বাংলা নগরের চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হতো। ২০২২ সাল থেকে পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার প্রাঙ্গণ মেলার জন্য জায়গা নির্ধারিত হয়েছে।

এবারের বাণিজ্য মেলায় ১০টি দেশের ১৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। তবে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলে। এবার মেলায় প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৪০ টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ২০ টাকা। মেলার টিকিট অনলাইনে কিনলে ৫০ শতাংশ ছাড়ের সুযোগ থাকবে। এছাড়াও মেলায় প্রায় এক হাজার গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থাসহ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য ১৭টি প্যাভিলিয়ন, মিনি প্যাভিলিয়ন ও স্টল রয়েছে। দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য দুটি হলের বাইরে মিলে মোট ৩৩১টি স্টল, প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ

Published

on

প্রকাশ

দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক ভরি সোনার দাম ৯০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।

সব থেকে ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ৯০ হাজার ৭৪৬ টাকা।

আগামীকাল রোববার (৮ জানুয়ারি) থেকে সোনার এই নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এর আগে গত ৩০ ও ৪ ডিসেম্বর এবং ১৮ ও ১৩ নভেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। ফলে দুই মাসের কম সময়ের মধ্যে দেশের বাজারে পাঁচ দফা সোনার দাম বাড়লো। এতে দেশের বাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছে গেছে দামি এই ধাতুটির দাম। এর আগে কখনো দেশের বাজারে সোনার ভরি ৯০ হাজার টাকা স্পর্শ করেনি।

গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়ানো হয়। এতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ৮৮ হাজার ৪১৩ টাকা। দেশের বাজারে এতোদিন এটিই সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল।

নতুন বছর ২০২৩ সালের প্রথম সপ্তাহেই সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছালো সোনার দাম। ভালো মানের সোনার পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের সোনার দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ১ হাজার ৫৭৫ থেকে ২ হাজার ৩৩৩ টাকা পর্যন্ত।

সোনার পাশাপাশি দাম বাড়ানো হয়েছে রুপার। মান অনুযায়ী ভরিতে রুপার দাম বাড়ানো হয়েছে ১১৭ টাকা থেকে ১৯৯ টাকা পর্যন্ত।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) বৈঠক করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি সোনার ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ৮ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৯০ হাজার ৭৪৬ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৬ হাজার ৬০৫ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৯২৪ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ২৪১ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৬১ হাজার ৮৭৮ টাকা করা হয়েছে।

সোনার পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৯৯ বাড়িয়ে এক হাজার ১ হাজার ৭১৫ টাকা করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১৯৮ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৬৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ১১৭ টাকা বাড়িয়ে ভরি ১ হাজার ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ ও ৪ ডিসেম্বর এবং ১৮ ও ১৩ নভেম্বর সোনার দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ২৫ অক্টোবর এবং ২৭, ১৯ ও ১৫ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়। তার আগে ১১ সেপ্টেম্বর এবং ২২ আগস্ট সোনার দাম বাড়ানো হয়। এর আগে ১৮ আগস্ট সোনার দাম কিছুটা কমানো হয়েছিলো। তবে তার আগে ৪ ও ৭ আগস্ট এবং ২৭ ও ২৯ জুলাই সোনার দাম বাড়ানো হয়।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

দাম কমলো এলপি গ্যাসের

Published

on

প্রকাশ

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বেসরকারি খাতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজি মূসকসহ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ২৯৭ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (২ জানুয়ারি) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এলপি গ্যাসের নতুন এ দাম ঘোষণা করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল। আজ থেকেই এলপিজির নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে ডিসেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫১ টাকা থেকে ৪৬ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

তার আগে আগস্টের শুরুতে এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২১৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম কমেছিল ৩৫ টাকা।

তারও আগে জুলাইয়ে এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। আর জুনে সেটি ছিল ১ হাজার ২৪২ টাকা। তারও আগে মে মাসে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার কিনতে ভোক্তাকে খরচ করতে হয়েছিল ১ হাজার ৩৩৫ টাকা।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement

ফেসবুকে অর্থসংবাদ